প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকার মালিকদের স্বার্থ রক্ষার কাজ করছে : সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট

রফিক আহমেদ : সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির ভারপ্রাপ্ত সভাপতি আবদুর রাজ্জাক ও সাধারণ সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন বলেছেন, সরকার আইএলওকে সন্তুষ্ট ও মালিকদের স্বার্থ রক্ষার কাজ করছে। তারা অবিলম্বে শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী অগণতান্ত্রিক ধারাসমূহ বালিত করে গণতান্ত্রিক শ্রম আইন প্রবর্তন করার দাবি জানান। শুক্রবার এক যৌথ বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় এসব কথা বলেন।

সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট বলেন, গণতান্ত্রিক আইন বলা যাবে তাকে যে আইন কারো বৈষম্য করবে না, যে আইন গণতান্ত্রিক অধিকারের সুরক্ষা দিবে এবং যে আইনের চোখে সকলেই সমান বিবেচিত হবে। শ্রম আইন ২০০৬ প্রবর্তনের পর থেকেই দীর্ঘদিন ধরেই শ্রমিক স্বার্থ বিরোধী ধারাসমূহ বাতিল করার কথা শ্রমিক আন্দোলনের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে। কিন্তু সরকার ২০১৩ এর ন্যায় ২০১৮ সালেও যে সংশোধনী করা হয়েছে তাতেও পুরনো ধারার সাথে নতুন করে আরও অগণতান্ত্রিক ধারা বা আইন যুক্ত করছে।

নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের সংবিধানে ও আইনে থাকলেও দীর্ঘদিনের দাবি উপেক্ষা করে মাতৃত্বকালীন ছুটি সরকারি শ্রমিক-কর্মচারী ৬ মাস ভোগ করছে অথচ বেসরকারি ক্ষেত্রে ৪ মাস এর বিধান এখনও চালু রয়েছে। এর মাধ্যমে একদেশে দুই বিধান ও অধিকারের বৈষম্য চালু আছে। উল্টো এতদিন ধরে চলে আসা অর্জিত অধিকার মাতৃত্বকালীন ছুটিকে মাতৃত্বকালীন অনুপস্থিতি হিসেবে উল্লেখ করাসহ এ বিষয়টিকে জটিল করার চেষ্টা করা হচ্ছে। যার মাধ্যমে একজন নারী শ্রমিককে চাকরির ধারাবাহিকতা রক্ষা করা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে। পূর্বে ৮ ঘন্টা কর্মদিবসের মধ্যেই ১ ঘন্টা খাবার বিরতি ছিল। এখন সংশোধনী এনে খাবার বিরতি ৮ ঘন্টার বাইরে নেওয়া হয়েছে।

নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, আইএলও কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮ অনুযায়ী যে কোন শ্রমিকের স্বাধীনভাবে সংগঠন ও নেতা নির্বাচন করার অধিকার থাকার কথা। শ্রম আইনে ৩০ শতাংশ সমর্থন ছাড়া শ্রমিকদের ইউনিয়ন করার বিধান চালু ছিল, এখন তা সংশোধন করে ২০ শতাংশ করার কথা বলা হচ্ছে- যা আইএলও কনভেনশন ৮৭ ও ৯৮ এর সাথে সম্পূর্ণ বিরোধাত্মক।

সম্পাদনা-মাহবুব আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ