প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

স্ত্রীর সঙ্গে টেলিফোনে কথোপকথনও বাজারে ছাড়বেন, প্রশ্ন মান্নার

আদম মালেক : সরকার সাইবার সিকিউরিটির কথা বললেও টেলিফোনে কথোপকথন ফাঁস করে ব্যক্তিগত গোপনীয়তা নষ্ট করায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না।

টিভির আলোচনা অনুষ্ঠানে দেখানো বিকল্পধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহি বি চৌধুরীর সঙ্গে নিজের এবং কামাল হোসেনের সঙ্গে জাফরুল্লাহ চৌধুরীর টেলিকথোপকথনের প্রসঙ্গ ধরে বৃহস্পতিবার রাজধানীর তোপখানা রোডে বাংলাদেশ শিশু কল্যাণ পরিষদ মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় একথা বলেন মান্না।

মান্না বলেছেন, “সাইবার সিকিউরিটির কথা বলছেন, আমার সাইবার সিকিউরিটি কোথায়? আমি আমার স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলব, সেটাও টেপ করে বাজারে ছেড়ে দেবেন? ইউনিভার্সিটির ছেলেরা যদি তার বান্ধবীর সঙ্গে আলাপ করে, সেটাও পত্রিকায় দিয়ে দেবেন?
সরকারের বিরুদ্ধে গড়া জোট জাতীয় ঐক্যফ্রন্টে সক্রিয় জাফরুল্লাহ চৌধুরী ও মইনুল হোসেন এবং ফ্রন্টের উদ্যোক্তা কামাল হোসেনের টেলি কথোপকথনের অডিও ক্লিপও সম্প্রতি ফেইসবুকে ছড়িয়ে পড়ে।
এসব অডিও ক্লিপের উৎসের বিষয়ে কিছু প্রকাশ না পেলেও এর পেছনে সরকার রয়েছে বলে মনে করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা মান্না।

কয়েকবছর আগে বিএনপি নেতা সাদেহ হোসেন খোকার সঙ্গে মান্নার টেলিকথোপকথনের একটি অডিও ক্লিপও ইন্টারনেটে এসেছিল, তার ভিত্তিতে রাষ্ট্রদ্রোহ মামলায় আসামি হয়ে কয়েক মাস কারাগারে থাকতে হয়েছিল মান্নাকে।
ওই প্রসঙ্গ ধরে তিনি বলেন, “কেউ যদি টেলিফোনে কোনো রাষ্ট্রদ্রোহী পরিকল্পনা করে, তাহলে আইনি আদেশে তার কথোপকথন রেকর্ড করা যেতে পারে। কিন্তু এখন যে ফাঁস করা হচ্ছে, সেটা কোন আইনের বলে? কারা কথোপকথন বাজারে ছাড়ছে? তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না কেন?”

আইনজীবীদের সঙ্গে নাগরিক ঐক্যের মতবিনিময় সভার সরকারকে নির্বাচন নিয়েও হুঁশিয়ার করেন মান্না।
তিনি বলেন, ১৫৪ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছিল। বলা হয়েছিল, সাংবিধানিক ধারাবাহিকতা রক্ষার জন্য ওই নির্বাচন। খুব শিগগিরই আরেকটি নির্বাচন দেওয়ার কথা বলেছিল সরকার। কিন্তু সেই নির্বাচন পাঁচ বছরেও দেয়নি। ৫ জানুয়ারির মতো নির্বাচন আমরা হতে দেব না। ওই নির্বাচন সারা পৃথিবীর কাছে বাংলাদেশকে লজ্জায় ফেলে দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচনের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়ার দাবির পক্ষে যুক্তি দেখিয়ে মান্না বলেন, দুইটা সংসদ একসাথে চলতে পারে না। সরকার এমন ব্যবস্থা করেছে, এই সংসদ পরে নির্বাচিত সরকারকে অস্বীকারও করতে পারে।
নাগরিক ঐক্যের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ফজলুল হক সরকারের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় বেশ কয়েকজন আইনজীবী বক্তব্য দেন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ