প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দক্ষ জনবল আর আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে ধীর গতিতে চলছে ট্রেনের বগি ওয়ার্কশপ

সাজিয়া আক্তার : দক্ষ লোকবল আর আধুনিক যন্ত্রপাতির অভাবে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে চলছে বাংলাদেশ রেলওয়ের কমলাপুর বগি ওয়ার্কশপ। এখনো বগির বড় ধরনের ত্রুটি মেরামতের সক্ষমতা অর্জন করতে পারেনি এটি। আবার দীর্ঘদিন নিয়োগ বন্ধ থাকায় কমেছে জনবল। এতে প্রায়েই রেলের শিডিউল বিপর্যয় ঘটছে । যদিও রেলমন্ত্রী বলছেন আগের তুলনায় বর্তমানে অনেক ভাল অবস্থা রেলের। সূত্র : সময় টেলিভিশন

প্রতিদিন ট্রেনের অন্তত ২০ থেকে ৩০ টি বগি মেরামতের জন্য আনা হয় কমলাপুর বগি ওয়ার্কশপে। ৭ দশক পেরিয়ে গেলেও এখনো সেই পুরানো যন্ত্রপাতি আর দেশিয় পদ্ধতিতে চলছে এখানকার কাজ। প্রয়োজনীয় লোকবল আছে মাত্র এক-তৃতীয়াংশ। কমেছে দক্ষ মেকানিকের সংখ্যাও।

এক মেকানিক বলেন, লোকসংখ্যা যদি বাড়ানো হয়, তাহলে আমাদের কাজ দ্রুত সময়ের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। আধুনিক যন্ত্রপাতি না থাকায় শরীরিক শক্তি দিয়েই কাজ করতে হয় আমাদের।

সম্প্রতি দুটি আধুনিক যন্ত্র স্থাপন করা হয়েছে। অল্প সংখ্যক লোকও নিয়োগ হয়েছে। তবে বগি মেরামতের যেসকল যন্ত্রাংশের প্রয়োজন সেগুলো যোগান বাড়েনি। ওয়ার্কশপটি পুরোদমে সচল রাখতে নিজেদের চাহিদার কথা তুলে ধরেন ট্রেনের কারিগরি বিভাগের এক কর্মকর্তা।

প্রধান ট্রেন পরীক্ষক মনিরুজ্জামান মন্ডল বলেন, আমাদের ওয়ার্কশপে আধুনিক যন্ত্রপাতি সংযুক্ত করতে পারলে কাজের মান বর্তমান সময়ের চেয়ে অনেক বেশি ভাল হতো।

তবে রেলমন্ত্রীর দাবি, আগের চেয়ে অনেক উন্নত হয়েছে ওয়ার্কশপ।

রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক বলেন, আগের থেকে অনেক অগ্রগতি ও উন্নতি হয়েছে। বিভিন্ন যন্ত্রাংশের জন্য দরপত্র আহ্বান করে নতুন নতুন যন্ত্রাংশ এনে ওয়ার্কশপকে আধুনিক করা হচ্ছে।

রেলের উন্নয়নে ৯৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৪৩ টি মহাপরিকল্পনা গ্রহণ করেছে সরকার। তবে অভিযোগ সেইভাবে নজর নেই ওয়ার্কশপের দিকে। কর্মচারীরা বলছেন, যদি প্রয়োজনীয় সংখ্যক লোকবল নিয়োগ আর আধুনিক যন্ত্রপাতির সরবরাহ নিশ্চিত করা যায় তাহলে কিছুটা হলেও গতি ফিরবে ট্রেনের চাকায়। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ