প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচনে সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা ব্যয়ের বৈধতা পাবেন প্রার্থীরা

সাজিয়া আক্তার : নির্বাচনের হাওয়া ইতিমধ্যে বইতে শুরু করেছে রাজনীতির মাঠে। আর সেই রাজনীতিকে ঘিরেই রয়েছে গ্রামীণ অর্থনীতির নানান হিসেব নিকেশ। তবে জাতীয় নির্বাচনের খরচের সঠিক হিসেব নিয়ে, নেই কোন গবেষণা। বিশ্লেষকরা বলছেন, নির্বাচনী অর্থনীতি অন্তত ১২ হাজার কোটি টাকার বেশি। সূত্র : এটিএন নিউজ

নির্বাচন কমিশনের তফসিল ঘোষণা হলে মিলবে দলীয় মনোনয়ন। বহু গুণ বাড়বে পৌস্টার ব্যানারের সংখ্যা। আসনে ভোটার সংখ্যা যাই হোক, এরপর নির্বাচনের জন্য সর্বোচ্চ ২৫ লাখ টাকা খরচের বৈধতা পাবেন প্রার্থীরা। কিন্তু ভোটারদের মন জয়ে এই টাকার চেয়ে বেশি ব্যয় করেন প্রার্থীরা, যে বিষয়টা ওপেন সিক্রেট।

সংসদের ৩০০ আসনে আওয়ামী লীগ, বিএনপি, জাতীয় পার্টির মূল প্রার্থীরা কোটি টাকার বেশি খরচ করেন এটা নিশ্চিত। ঢাকা, চট্টগ্রামের মতো বড় শহরে যা অন্তত ৫ গুণ বেশি। এছাড়া অনেক আসনে শক্তিশালী একাধিক স্বতন্ত্র প্রার্থীরা তো আছেন।

অর্থনীতিবিদ ড. আহসান এইচ মনসুর বলেন, নমিনেশনের আগেই ভোটারদের ইমপ্রেস করার জন্য প্রার্থীরা টাকা খরচ করে থাকে। এটা সঠিক কাজ নয়। আগামী নির্বাচনে কয়েক হাজার কোটি টাকা খরচ হতে পারে। নির্বাচনের সময় গ্রামাঞ্চলে টাকা বেশি ব্যয় হয়। আর শহর অঞ্চলে ব্যয় হলেও, সেটা নিম্ন আয়ের লোকদের মধ্যেই হয় বেশি।

ট্্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জমান বলেন, নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী সবগুলো দলই নির্ধারিত খরচের তুলনায় তিনগুণ টাকা ব্যয় করে। আগামী নির্বাচনে একটি সুস্থ্য অর্থনৈতিক কর্মকা- দেখতে চাই, কোনো উদাহরণ হিসেবে দেখতে চাই না। আমি মনে করি অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়কে বৈধতা প্রদান করা উচিত নয়।

স্বাভাবিকভাবেই নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বাড়ে অর্থের প্রবাহ। যার ফলে সুযোগ থাকে মূল্যস্ফীতিরও।

এদিকে জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে গত অর্থবছরের থেকে ৯৪২ কোটি টাকা বাজেট বাড়িয়েছে নির্বাচন কমিশন। ২০১৮-১৯ এর অর্থ বছরের বাজেটে কমিশনের বরাদ্দ ১ হাজার ৮৯৫ কোটি টাকা। ২০১৭-১৮ সালে সেই বরাদ্দ ছিল ৯৫৩ কোটি টাকা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ