প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

রাজনৈতিক দল দু’শ, নিবন্ধিত মাত্র ৩৯ টি

সাজিয়া আক্তার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে মাঠে অন্তত ১৪টি রাজনৈতিক জোট কাজ করছে। এসব জোটে ২শ’র বেশি রাজনৈতিক দল থাকলেও নিবন্ধন আছে মাত্র ৩৯টি। নিবন্ধনহীন এসব দল মূলত ক্ষমতার অংশীদার হতে জোটে ভিড়ছে, আর বড়দলগুলোর জোটকে বড় করে দেখাতে ছোট দলগুলোকে সঙ্গে নিচ্ছে। তবে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এতে রাজনীতিতে গুণগত কোনও পরিবর্তন আসছে না। সুত্র : ডিবিসি টেলিভিশন

রাজনীতির মাঠে এখন জোট ১৪টি। এর মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দল আর বিএনপির ২০ দলীয় জোট প্রধান। ১৪ দলে নিবন্ধিত দলের সংখ্যা মাত্র ৮টি আর ২০ দলীয় জোটে ৭টি।

এছাড়া বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমানের নেতৃত্বাধীন ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের ১৪টি দলের একটিও নিবন্ধিত নয়। বিএনপির সাবেক নেতা ব্যারিস্টার নাজমুল হুদা যে ৩৪ দলীয় জোট করেছেন, সে সব দলের একটিরও নিবন্ধন নেই। জাতীয় পার্টির নেতৃত্বাধীন সম্মিলিত জাতীয় জোটে ৫৮টি দলের মধ্যে মাত্র দু’টি দল নিবন্ধিত।

জোট করে ক্ষমতার অংশীদার হতে চাইলেও, একটি দলেরও নিবন্ধন নেই এরকম জোটের সংখ্যাই বেশি।

এ ব্যাপারে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের অধ্যাপক তারেক শামসুর রেহমান বলেন, এই দলগুলোর মূলভিত্তিটা হচ্ছে প্রেসক্লাবকেন্দ্রিক। প্রেসক্লাবে সাংবাদিক সম্মেলন করে তারা ঘোষণা দেয়, একটা নতুন রাজনৈতিক দল গঠন করলাম, আমরা জোটে যোগদান করলাম। কিন্তু তাতে করে রাজনীতিতে গুণগত কোনও পরিবর্তন আসে না। এগুলো করে অতীতেও ভালো কোনও ফল আসেনি, ভবিষ্যতেও ভালো কিছু আসার কোনও সম্ভাবনা নেই।

রাজনৈতিক দল করার কোনও নিয়ম নীতি না থাকার কারণেই এ সংস্কৃতি তৈরি হয়েছে এমনই মনে করেন, সাবেক নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সাখাওয়াত হোসেন।

সাখাওয়াত হোসেন বলেন, উপমহাদেশের মধ্যে বাংলাদেশই মনে হয় একমাত্র দেশ, যেখানে রাজনৈতিক দল গঠনের কোনও আইন নেই কোনও সীমাবদ্ধতাও নেই। সংবিধানে যদি রাজনৈতিক দল গঠনের মানদ- দেয়া থাকতো তাহলে হয়তো এই ১৯৩টি রাজনৈতিক দলের জন্ম হতো না। এসব জোটের বেশিরভাগের জন্ম হয় শুধুমাত্র সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ