প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কুড়িগ্রামে এখনও সক্রিয় রাজাকারদের দৌরাত্ম!

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যখন দেশ সেবায় ব্যস্ত এবং দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করছেন, তখনই কিছু বাংলাদেশ বিরোধী রাজাকার ও তার পরিবারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে সমালোচিত হচ্ছে দেশ ও দেশের মানুষ। তেমনিভাবে কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলাও চলছে এর দৌরাত্ম।

নাগেশ্বরী উপজেলার কিছু কুখ্যাত রাজাকারদের মধ্যে উল্লেখ্যযোগ্য হল কাইবার আলী, পিতা: নারিয়া শেখ, গ্রাম: কুটি পায়রাডাঙ্গা, জহর আলী, পিতা: দিনশুরা শেখ, গ্রাম: কুটি পায়রাডাঙ্গা, ফজলুল হক বেপারী, পিতা: জাফর উদ্দিন বেপারী, আবুল কাশেম, পিতা: জিন্দা মাসুদ, গ্রাম: কুটি পায়রাডাঙ্গা, আক্কাস আলী, পিতা: চান্দা মাসুদ, গ্রাম: কুটি পায়রাডাঙ্গা, জমশের আলী, পিতা: ফকর শেখ, গ্রাম: কুটি পায়রাডাঙ্গা, আকবর আলী, পিতা: খুকশী শেখ, গ্রাম: কুটি পায়রাডাঙ্গা উল্লেখ্যযোগ্য।

তার মধ্যে অন্যতম নাগেশ্বরী উপজেলার কুটিপয়ড়াডাঙ্গার কুখ্যাত রাজাকার শাহজাহান আলী ব্যাপারীর ছেলে মো. হাফিজুর রহমান (বাবু) নাগেশ্বরী উপজেলায় বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছে প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে। উক্ত হাফিজুর রহমান বাবু কখনও নিজেকে নাগেশ্বরী উপজেলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি হিসেবে দাবী, আবার কখনও ‘বাংলাদেশ মফস্বল সাংবাদিক ফোরাম’ নাগেশ্বরী উপজেলার আহ্বায়ক হিসেবে দাবি করে আসছে। কিন্তু খোঁজ-খবর নিয়ে জানা গেছে সে আসলে এসবের কিছু না। ভূঁয়া পরিচয় দিয়ে এলাকাবাসীর কাছ থেকে চাঁদা দাবী করে আসছে। এমনও নজির আছে সে মসজিদের টাকাও আত্মসাৎ করছে।

উল্লেখ্য মো. হাফিজুর রহমান (বাবু) নাগেশ্বরী উপজেলা জাতীয় পার্টির নেতা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে এবং কুড়িগ্রাম-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য-এর নাম ভাঙ্গিয়ে চাঁদাবাজি করে। এমনকি বাংলাদেশ সেনা বাহিনীর উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা তার আত্মীয় হয় সেই পরিচয় দিয়েও এলাকায় বিভিন্ন রকমের অপকর্ম করে এবং চাকুরী দেয়ার কথা বলে গরীব ও অসহায় লোকদের কাছ থেকে টাকা আত্মসাৎ করে।

এলাকাবাসীর কাছ থেকে জানা গেছে, গত ২ দুই মাস আগে তার ছেলে হাসিবুর রহমান হাসিব ফেন্সিডিল ও ইয়াবাসহ ধরা পরেছে। কিন্তু প্রশাসনকে ফাঁকি দিয়ে তিনি এবং তার ছোট ভাই বকুল এলাকায় দীর্ঘদিন থেকে মাদক ব্যবসা করে আসছে। এলাকাবাসী তার ও তার পরিবারের অত্যাচারে অতিষ্ট হচ্ছে দিন দিন। উক্ত মোঃ হাফিজুর রহমান (বাবু) এবং তার পরিবার এলাকার মানুষকে বিভিন্নভাবে মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী করে আসছে দিনের পর দিন। এলাকাবাসী তাদের হাত থেকে মুক্তি চায়। সূত্র: নতুন সময়

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ