Skip to main content

এশিয়ার শেয়ার বাজার এবছর পুঁজি হারাল ৫ লাখ কোটি ডলার, ইউরোপের বাজার স্থিতিশীল

রাশিদ রিয়াজ : এশিয়া ও যুক্তরাষ্ট্রের শেয়ার বাজারে ধস নামলেও ইউরোপের শেয়ার বাজার শান্ত রয়েছে। এবছর এশিয়ার শেয়ারবাজার পুঁজি হারাল ৫ লাখ কোটি ডলার। বছরের শুরু থেকে এপর্যন্ত হংকং শেয়ার বাজার পুঁজি হারিয়েছে ২২ শতাংশ। জাপানের টপিক্স সূচক ২.৯, নিক্কি সাড়ে ৩ ও কোরিয়ার কসপি সূচক ২.৬ শতাংশ পতন ঘটে। চীনের শেয়ার বাজারেও সূচকের পতন ঘটে। এবং সর্বশেষ এশিয়ার শেয়ারবাজারে সূচক ঘুরে দাঁড়ানোর আপাতত কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। তবে ইউরোপের শেয়ার বাজারে সূচক পতনের হার খুবই কম। লন্ডনের এফটিএসই সূচক হারিয়েছে শূণ্য দশমিক ৯ শতাংশ। প্যান-ইউরোপীয় এসটিওএক্সএক্স সূচক হারিয়েছে সামান্য। এধরনের সূচক পতন বিনিয়োগকারীদের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ বলে মনে হচ্ছে। ব্লুমবার্গ যুক্তরাষ্ট্রে ডো জোন্স সূচকের ২.৪ ও এসএন্ডপি ৩.১ শতাংশ পতন ঘটেছে। ২০১১ সালের পর নাসডাক সূচকে ৪.৪ শতাংশ পতন ঘটেছে। বিশ্ববাণিজ্যে উত্তেজনা ও বাণিজ্য যুদ্ধের সরসরি প্রভাব পড়েছে শেয়ারবাজারগুলোয়। এমনকি প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর শেয়ার ধস এড়াতে পারেনি। অ্যামাজন ৫.৯, ফেসবুক ৫.৪, গুগলের মালিকানাধীন এ্যালফ্যাবেট ৪.৮ ও নেটফিক্স বাজার হারিয়েছে ৯.৪ শতাংশ। এর পাশাপাশি চীনের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি শ্লথ হয়ে পড়ায় বিষয়টি নিয়ে আরো দুশ্চিন্তায় পড়েছেন বিনিয়োগকারীরা। ক্যাটারপিলারের মত কোম্পানি ৫.৬ ও থ্রিএম’র ৪.২ শতাংশ সূচক পতন ঘটেছে। বাজার বিশ্লেষকরা বলছে ব্যবসা খরচ বৃদ্ধি পেয়েছে শুল্ক হার বৃদ্ধির ফলে। ফলে কোম্পানিগুলো তাদের আয়ের সর্বোচ্চ সীমায় পৌঁছে গেছে। তবে আন্তর্জাতিক লেনদেনে মার্কিন ডলার আরো বেশি চাঙ্গা হওয়ায় অর্জিত আয় চলে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের কোষাগারে।

অন্যান্য সংবাদ