Skip to main content

রাজশাহীর প্রকৃতিতে শীতের আমেজ

অনলাইন ডেস্ক: শরৎ বিদায় নিয়ে হেমন্ত এলো। বাংলা বর্ষপঞ্জিকা অনুযায়ী, শীত আসতে দেরি আরও দুই মাস। তবে এখনই রাজশাহীর প্রকৃতিতে শীতের আমেজ। ভোরে ঘাসের ওপর পড়ছে মুক্তার কণার মতো স্নিগ্ধ শিশির বিন্দু। বিকালে একটু আগেই হেলে পড়ছে সূর্য। এর পাশাপাশি সকাল-সন্ধ্যা একটু দূরে দেখা যাচ্ছে সাদা মেঘের মতো কুয়াশা। ভোরের হিমেল হাওয়ায় শীতের অনুভূতি আরও বেশি। কার্তিকের প্রথম সপ্তাহে রাজশাহীতে এমনই শীতের আবহ তৈরি হয়েছে। তবে আবহাওয়া অফিস বলছে, অগ্রহায়ণ পেরিয়ে পৌষ না এলে নামবে না হাড়কাঁপানো শীত। তবে এবার হেমন্তেই কড়া নাড়ছে শীত। কংক্রিটের নগরে বন্দি থাকা মানুষগুলোর শরীরে শেষ রাতে উঠেছে কাঁথা। গ্রামের চিত্র আরও সুশোভিত। হালকা কুয়াশা ভেদ করে মাঠে নেমে পড়ছেন কৃষক। গাছিরা কোমরে রশি বেঁধে উঠছেন খেজুর গাছে। নামাচ্ছেন মিষ্টি মধুর খেজুরের রস। ঘরে ঘরে শুরু হয়েছে নবান্নের প্রস্তুতি। রাজশাহী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবদুল মান্নান বলেন, নভেম্বর মাসে হাড়কাঁপানো শীত খুব একটা পড়ে না। সাধারণত ডিসেম্বর মাস থেকে শীত পড়তে শুরু করে। তবে নভেম্বর মাসের মাঝামাঝি সময় থেকেই এবার শীত পড়তে শুরু করবে। আর এখন থেকে রাতের তাপমাত্রা ধীরে ধীরে কমতে থাকবে। এর সঙ্গে দেশের উত্তর, উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল ও মধ্যাঞ্চলে এবং নদী অববাহিকায় ভোরে হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। তিনি জানান, ডিসেম্বরের শেষ দিকে দুই একটি মৃদু অথবা মাঝারি শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে উত্তরাঞ্চলে শীত জেঁকে বসতে পারে। শৈত্যপ্রবাহে তাপমাত্রা তখন ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে আসতে পারে। এছাড়া মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ বয়ে গেলে আরও ২ ডিগ্রি কমে তাপমাত্রা ৬ ডিগ্রি সেলিসয়াসে নেমে আসতে পারে। একইসঙ্গে ঘন কুয়াশাও পড়বে। এখন রাজশাহীর গড় তাপমাত্রা ৩৩ থেকে ৩১ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে এসেছে।