Skip to main content

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে জঙ্গি হামলার শঙ্কা

দেবদুলাল মুন্না : নরসিংদীর মাধবদীতে বিশেষ অভিযানে মারা গেছে দুই জঙ্গী, আরো দুই নারী জঙ্গী আটক হয়েছে। এরপর গত সোমবার রাজধানীর একটি হোটেল থেকে গান পাউডার উদ্ধারের ঘটনা। ঘটনা দুটির পরিপ্রেক্ষিতে দেশের কয়েকটি পত্রিকা ভারতীয় গণমাধ্যম জি নিউজের একটি প্রতিবেদনের বরাত নিউজ করেছে। এসব প্রতিবেদনে বলা হয়, নির্বাচনের আগে দেশে ও ভারতের পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গীরা হামলা চালাতে পারে- সে আশংকা দেখা দিয়েছে। ভারতের জি নিউজের প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশে ৫০টি কেন্দ্রে জঙ্গীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে এবং আত্মঘাতী জঙ্গী রয়েছে ১০০ জন। এক্ষেত্রে পাকিস্তানের জঙ্গী সংগঠন লস্কর-ই-তৈয়বা সাহায্য করছে। তবে পুলিশের মহাপরিদর্শক জাবেদ পাটোয়ারী এরই মাঝে বলেছেন, কোন ধরণের জঙ্গী হামলার আশংকা করছেন না তারা। তবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ইতোমধ্যেই এক অনুষ্ঠানে জঙ্গী হামলার ব্যাপারে সতর্ক থাকতে বলেছেন। এদিকে হলি আর্টিজানে হামলার পর গ্রেফতার হওয়া সাতজনকে চাঁদপুর থেকে গত সপ্তাহে ফের গ্রেফতার করা হয়েছে। এই সাত জঙ্গী স্বীকার করেছেন, তারা আনসারউল্লাহ বাংলা টিমের সদস্য ও নাশকতার জন্যই বৈঠক করছিলো। ইতোমধ্যে সারাদেশে অনেক কয়েদীকে মুক্তি দেয়া হয়েছে। এরাও মুক্তি পাওয়াদের মধ্যে অন্যতম। এ ব্যাপারে ডিএমপির কাউন্টার টেররিজম বিভাগের ইউনিট প্রধান বলেন, জঙ্গী হামলার আশংকা না করলেও জঙ্গী হামলা এখন গ্লোবাল ইস্যু। বড় ধরণের জঙ্গী হামলার শঙ্কা নেই । তবে জঙ্গীদের উত্থান যেমন রাতারাতি হয় না, তেমনই দমনও রাতারাতি সম্ভব নয়। জঙ্গীদের অনেক নেতা মারা গেলেও তাদের অনুসারীরা তো রয়ে গেছেই। নিরাপত্তা বিশ্লেষক এয়ার কমোডর (অব:) ইসফাক ইলাহী চৌধুরী বলেন, হামলার আশংকা তো একেবারেই উড়িয়ে দেয়া ঠিক হবে না । সতর্ক থাকতে হবে। হলি আর্টিজানে হামলার পর তামিম চৌধুরীর ব্যাপারটা জানলেও সেসময় মেজর (অব.) জিয়ার নাম আসে, যে নব্য জেএমবির নেতৃত্ব দিচ্ছিলো। এখন সে কোথায় আমি জানি না। নতুন নেতৃত্বও তৈরি হতে পারে। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব