প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঐক্যবদ্ধ হোন, বিজয় অনিবার্য : ড. কামাল

সমকাল : একাদশ সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি, সংসদ ভেঙে দেওয়া ও সরকারকে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনসহ ৭ দফা দাবি মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। গতকাল বুধবার সিলেট নগরীর ঐতিহাসিক রেজিস্টারি মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রথম জনসভায় শীর্ষ নেতারা এ আহ্বান জানান। জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ও গণফোরামের সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেছেন, ‘গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে ঐক্যবদ্ধ হোন, বিজয় আমাদের অনিবার্য।’ আন্দোলনের জন্য সবাইকে প্রস্তুতি নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সরকারের উদ্দেশে ড. কামাল বলেন, ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে দেশের মালিকানা মানুষকে ফিরিয়ে দিতে হবে। সংবিধান অনুযায়ী দেশের প্রকৃত মালিক জনগণ। দেশের মানুষ দেশের মালিকানা থেকে বঞ্চিত। এ কারণে জনগণের ঐক্য অপরিহার্য।

ড. কামাল হোসেন বলেন, স্বৈরাচার থেকে মুক্ত হতে হলে সবাইকে মাঠে নামতে হবে। বাংলাদেশের জনগণের জয় হবেই। আমরা ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে আবার দেশের মালিক হবো, এই রাষ্ট্র আমাদের নিয়ন্ত্রণে আনব। তিনি বলেন, আমাদের শুনতে হয়, মানুষ মাঠে নেই। আজ মানুষ ঐক্যের আহ্বানে সাড়া দিয়ে এখানে এসেছে।

সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর সভাপতিত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের উদ্যোগে আয়োজিত জনসভায় প্রধান বক্তা ছিলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। মির্জা ফখরুল তফসিল ঘোষণার আগে খালেদা জিয়ার মুক্তি দাবি করে বলেন, সিলেটবাসী অনেক ইতিহাসের জন্ম দিয়েছে। আজ আরেকটি ইতিহাসের জন্ম হলো- গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে আন্দোলনের ইতিহাস। খালেদা জিয়াকে গণতন্ত্রের মাতা হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের নেত্রীকে মুক্ত করতে হবে। ফিরিয়ে আনতে হবে ভোটের অধিকার। বাংলাদেশকে কল্যাণধর্মী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের লক্ষ্য মানুষের অধিকার ফিরিয়ে আনা। তিনি বলেন, সরকারের শত বাধা, প্রতিবন্ধকতার পরও সিলেটের মানুষ ছুটে এসেছে। তারা প্রমাণ করেছে, শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মাধ্যমেই গণতান্ত্রিক অধিকার ফিরিয়ে আনা সম্ভব।

ঐক্যফ্রন্টের ৭ দফা দাবি তুলে ধরে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, সরকারকে পরিষ্কার করে বলে দিতে চাই, তফসিল ঘোষণার আগে পদত্যাগ করুন। নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন দিন। সংসদ বাতিল করুন এবং নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন করুন। নির্বাচনে ইভিএম দেওয়া চলবে না। ডিজিটাল চুরি করবেন, এই চুরি করতে দেওয়া হবে না। সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হবে।

গত ১৩ অক্টোবর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের দিন ৭ দফা দাবি ও ১১ দফা লক্ষ্য উপস্থাপন করা হয়। এই দাবি আদায়ের লক্ষ্যে গতকাল সিলেটে জনসভার আয়োজন করে ঐক্যফ্রন্ট। প্রথমে ২৩ অক্টোবর এই জনসভা করার কথা থাকলেও পুলিশের অনুমতি না পাওয়ায় একদিন পর শর্তসাপেক্ষে তা অনুষ্ঠিত হয়। পুলিশের ধরপাকড় ও নেতাকর্মীদের আসতে বাধা দেওয়ার অভিযোগের মধ্যে শেষ পর্যন্ত কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে শান্তিপূর্ণভাবে এই জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। জনসভা শেষে নগরীর উপশহর থেকে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য খন্দকার আবদুল মুক্তাদিরসহ বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়। আগের রাতে পুলিশ নগরী ও আশপাশের এলাকায় অভিযান চালিয়ে ৬৮ জনকে গ্রেফতার করে; যাদের মধ্যে বিএনপি-জামায়াতের অনেকে রয়েছেন।

গতকালের জনসভায় যোগ দিতে ভোরে বিমানে সিলেটে এসে পৌঁছান মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরসহ বিএনপি ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা। ভোর ৬টায় ওসমানী বিমানবন্দর থেকে সরাসরি তারা হযরত শাহজালাল (রহ.) ও হযরত শাহপরাণ (রহ.) মাজার জিয়ারত করেন। পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী গতকাল সকাল ১১টার দিকে ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতাদের দুটি মাজারের পাশাপাশি মুক্তিযুদ্ধের প্রধান সেনাপতি জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গনি ওসমানীর কবর জিয়ারত করার কথা ছিল। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সিলেটে পৌঁছে রাতেই হযরত শাহজালাল (রহ.) মাজার ও জেনারেল ওসমানীর কবর জিয়ারত করেছিলেন ড. কামাল হোসেনসহ ঐক্যফ্রন্টের অগ্রবর্তী দলের নেতারা।

নগরজুড়ে পুলিশের কঠোর অবস্থানের মধ্যে ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে আয়োজিত জনসভায় মূলত বিএনপির নেতাকর্মীদের সিংহভাগ উপস্থিতি ছিল। বক্তাদের অধিকাংশই ছিলেন বিএনপির জাতীয় ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতা। বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মধ্যে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান বক্তৃতা করেন। ঐক্যফ্রন্টের নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, জেএসডি সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন ও সহ-সভাপতি তানিয়া রব, ঐক্য প্রক্রিয়ার মহাসচিব আ ব ম মোস্তফা আমিন, নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়কারী শহিদুল্লাহ কায়সার প্রমুখ।

বিএনপির নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের শরিক দলগুলোর নেতাদের মধ্যে একাত্মতা প্রকাশ করে জনসভায় বক্তৃতা করেন এলডিপির মহাসচিব ড. রেদওয়ান আহমদ, ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট আবদুর রকিব, খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমদ আবদুল কাদের। বিএনপি নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন বরকতউল্লাহ বুলু, মো. শাহজাহান, শামসুজ্জামান দুদু, ইনাম আহমদ চৌধুরী, আমান উল্লাহ আমান, জয়নুল আবদিন ফারুক, ফজলুল হক আসপিয়া, ফজলুর রহমান, শাম্মী আক্তার, তাহসিনা রুশদীর লুনা, এমএ হক, এনামুল হক, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, খায়রুল কবির খোকন, কলিম উদ্দিন মিলন, দিলদার হোসেন সেলিম প্রমুখ। ঐক্যফ্রন্টের শরিক দলের নেতাদের মধ্যে বক্তৃতা করেন নাগরিক ঐক্যের জিন্নুর রহমান চৌধুরী দীপু, গণফোরামের আ অ ম নজিবুল্লাহ, জেএসডির ইসকান্দর রেজা চৌধুরী প্রমুখ।

জনসভায় যা বললেন শীর্ষ নেতারা :বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেছেন, জনগণের দাবি নিয়ে আমরা রাস্তায় নেমেছি। খালেদা জিয়াকে নিয়েই আগামী নির্বাচনে যাব। তিনি বলেন, আজকের জনসভার মধ্য দিয়ে জনগণের জয় শুরু হয়েছে। সিলেট থেকে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের যাত্রা শুরু হলো।

বর্তমান সরকারকে দুর্নীতিবাজ আখ্যায়িত করে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ক্ষমতায় গেলে প্রতিটি দুর্নীতির হিসাব নেব। শ্বেতপত্র তৈরি করব। তিনি সময়মতো সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি জানিয়ে বলেন, যদি গণতন্ত্রকে না বলেন, তাহলে দেশের মানুষ সময়মতো জবাব দেবে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেছেন, দেশ ডাকাতের হাতে পড়েছে। জনগণকে সঙ্গে নিয়ে মাঠে নামতে হবে। সুষ্ঠু নির্বাচন আদায়ের জন্য লড়াই করতে হবে। গতকালের জনসভার আগে পুলিশি হয়রানি ও গ্রেফতারের প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, এ লড়াই বাঁচার লড়াই, ভোটের লড়াই।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেছেন, উন্নয়নের জোয়ারে সরকার টালমাটাল। উন্নয়নের জোয়ারে সরকারের চোখে ছানি পড়ে গেছে। তিনি প্রস্তাব রেখে বলেন, আগামী ৪ নভেম্বর বনানী কবরস্থানে গিয়ে ‘৭৫-এর শহীদদের কবর জিয়ারত করে সংসদ ভবন এলাকায় জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করতে চাই। সেখান থেকে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বরে গিয়ে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে চাই। তিনি বলেন, আমরা ১৫ আগস্ট চাই না। একুশ আগস্টের পুনরাবৃত্তি চাই না। আমরা জিয়াউর রহমানের মর্মান্তিক ঘটনারও পুনরাবৃত্তি চাই না। আমরা একটা শান্তির বাংলাদেশ চাই।

নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেছেন, সুন্দরভাবে বাঁচার অধিকারের জন্য লড়াইয়ে নেমেছি। এতে একদিকে শেখ হাসিনা থাকবেন, অন্যদিকে সারা দেশ। তিনি ৭ দফা মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, যদি না মানেন, তবে কীভাবে ক্ষমতা থেকে নামাতে হয় তা আমরা জানি।

ঐক্য প্রক্রিয়ার আহ্বায়ক সুলতান মোহাম্মদ মনসুর বলেছেন, আগামী দিনে অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে পুণ্যভূমি সিলেটের এই মাঠ থেকে দলমত নির্বিশেষে জাতীয় মুরব্বি ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা করব। তিনি বলেন, সিলেটের মানুষের রেমিটেন্স দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ করছে। অথচ কোটি কোটি টাকা পাচার হয়ে যাচ্ছে, তারপরও সরকার বলছে এটা কিছুই নয়।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতের সমালোচনা করে গণফোরামের জাতীয় নির্বাহী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট সুব্রত চৌধুরী বলেছেন, ‘রাবিশ’ মন্ত্রী বাংলাদেশকে ফতুর করে দিয়েছে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ফিটনেসবিহীন; এই সরকারকে এখনই পদত্যাগ করতে হবে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সাধারণ সম্পাদক আবদুল মালেক রতন বলেন, শেখ হাসিনার পাতা ফাঁদে আমরা পা দেব না। এই আন্দোলন সারাদেশে ছড়িয়ে গণঅভ্যুত্থান সৃষ্টি হবে।

জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডির সহ-সভাপতি তানিয়া রব বলেন, বাকস্বাধীনতা নেই, তাই এখানে জমায়েত হয়েছি।

জাতীয় ঐক্য প্রক্রিয়ার মহাসচিব আ হ ম মোস্তফা আমিন বলেন, অহিংস আন্দোলনের মাধ্যমে ভোটাধিকারের আকাঙ্ক্ষা সফল হবে। ড. কামাল অহিংস আন্দোলনে বিশ্বাস করেন। কোনো সহিংসতা করা যাবে না।

আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী গতকাল দুপুর ২টায় জনসভার শুরুতে বক্তৃতা করেন সিলেট জেলা বিএনপির সভাপতি আবুল কাহের চৌধুরী শামীম, মহানগর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আবদুল কাইয়ুম জালালী পংকি, মৌলভীবাজার জেলা বিএনপির সভাপতি নাসের রহমান। সিলেট জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলী আহমদ ও মহানগরের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আজমল বখত সাদেক যৌথভাবে জনসভা পরিচালনা করেন। বিকেল সোয়া ৫টায় সভাপতি সিলেটের মেয়র আরিফুল হক চৌধুরীর বক্তৃতার মধ্য দিয়ে জনসভার কার্যক্রম শেষ হয়।

ব্যক্তিগত প্ল্যাকার্ড বহনকারীদের ধমক :জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের জনসভায় ব্যক্তিগত প্ল্যাকার্ড, ব্যানার, ফেস্টুন আনতে আগেই মানা করা হয়েছিল। তারপরও বিভিন্ন উপজেলা থেকে আসা বিএনপির মনোনয়নপ্রত্যাশীদের অনেকের পক্ষে প্ল্যাকার্ড নিয়ে আসা হয়েছিল। জনসভায় এমন প্ল্যাকার্ড দেখলেই মঞ্চ থেকে তা নামিয়ে ফেলতে বলা হয়। এমনকি কোনো ব্যক্তির পক্ষে স্লোগান না দেওয়ার জন্য বলা হয়।

বিএনপি ছাড়া বক্তৃতায় নেই স্থানীয় নেতা :জনসভা শুরুর আগেই রেজিস্টারি মাঠে দেখা মিলে বিএনপি নেতাকর্মীদের। পরিচালনায় ছিলেন বিএনপির দুই নেতা। যারা বক্তব্য দিয়েছেন তাদের অধিকাংশই ছিলেন বিএনপি নেতা। বিশেষ করে বিএনপি ছাড়া সিলেটে ঐক্যফ্রন্টের কোনো নেতাই বক্তব্য দেননি। শুধু গণফোরামের জেলার সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট নীলেন্দু দাস গীতা পাঠ করেন।

ইলিয়াস আলী ছাত্রলীগ করতেন! :’নিখোঁজ’ বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলী ছাত্রলীগ করতেন বলে সমাবেশে মন্তব্য করেছেন সুলতান মোহাম্মদ মনসুর। তিনি বলেন, এমসি কলেজে থাকাকালে ইলিয়াস তার অধীনে রাজনীতি করেন। পরে ইলিয়াস আলী ঢাকায় গিয়ে ছাত্রদলে যোগ দেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ