প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

মোবাইল প্রতিদিন ১ হাজার ১১০ কোটি লেনদেন

তরিকুল ইসলাম সুমন : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, প্রতিদিন গড়ে ১ হাজার ১১০ কোটি টাকা মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এম এফ এস) মাধ্যমে লেনদেন হয়। বুধবার জাতীয় সংসদে এম আবদুল লতিফের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে তিনি এতথ্য জানান। তিনি বলেন, চলতি বছরের আগস্ট মাসের এম এফ এসের হিসেব অনুযায়ী প্রতিদিন মোবাইলের মাধ্যমে লেনদেন হয়েছে ১হাজার ১১০ কোটি টাকা।

সাংসদ মামুনুর রশীদ কিরণের অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি জানান, ২০১৫-১৬ অর্থ বছরে বৈদেশিক ঋণ বাবদ এবংতার সুদ বাবদ মোট ১ হাজার ৫০.৫৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সম পরিমান ৮ হাজার ২২৪ কোটি ৮৩ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে। তন্নধ্যে ঋণের আসল বাবদ ৬ হাজার ৬৪৩ কোটি ১৪ লাখ এবং সুদ বাবদ ১ হাজার ৫৮১ কোটি৬৯ লাখ টাকা পরিশোধ করা হয়েছে।

সাংসদ নজরুল ইসলাম বাবুর প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী জানান, ২০০৯ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত বিদেশ থেকে মোট ১লাখ ৩১ হাজার ২১০. ৯ মিলিয়র মার্কিন ডলার রেমিটেন্স দেশে এসেছে। অর্থমন্ত্রীর দেয়া তথ্যমতে ২০০৯ সালে মোট ১০হাজার ৭১৭.৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, ২০১০ সালে ১১ হাজার ৪.৭ মিলিয়ন, ২০১১ সালে ১২ হাজার ১৬৮.১ মিলিয়ন,২০১২ সালে ১৪ হাজার ১৭৬.৯ মিলিয়ন, ২০১৩ সালে ১৩ হাজার ৮৩২.১ মিলিয়ন, ২০১৪ সালে ১৪ হাজার ৯৪২.৭মিলিয়ন, ২০১৫ সালে ১৫হাজার ৩১৭ মিলিয়ন, ২০১৬ সালে ১৩ হাজার ৬১০.৮ মিলিয়ন, ২০১৭ সালে ১৩ হাজার ৫৩৫মিলিয়ন এবং ২০১৮ সালে ১১ হাজার ৯০৫.৯ মিলিয়ন ডলার রেমিটেন্স এসেছে।

সাংসদ আলী আজমের এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান, দেশে মোট আয়কর দাতার সংখ্যা ৩৬ লাখ ৯৭ হাজার ৮৯১ জন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য ব্যাপক কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। যার ফলে জনগনেরমাথাপিছু আয় ২০০৬ সালে ৫৪৩ মার্কিন ডলার থেকে উন্নীত হয়ে ২০১৮ সালে ১৭৫১ মার্কিন ডলারে দাড়িয়েছে।

সাংসদ একে এম রহমতুল্লার প্রশ্নের উত্তরে অর্থমন্ত্রী জানান, দেশে বিদেশী অর্থ সংগ্রহের প্রধান উৎসগুলো হলো- রপ্তানীআয়, প্রবাসী আয় বা রেমিটেন্স, সেবা খাতে আয়, বিনিয়োগ খাতে আয়, বৈদেশিক বিনিয়োগ, বৈদেশিক অনুদান এবং বৈদেশিক ঋণ। উক্ত খাত সমুহ থেকে ২০১৭-১৮ অর্থ বছরে মোট ৬৬ হাজার ৮৪৯. ৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বৈদেশিকমুদ্রা অর্জিত হয়েছে।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে বেসরকারী তফসিলি ব্যাংকের সংখ্যা ৪৯ টি। এর মধ্যে বেসরকারী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা৪০ টি এবং বিদেশী বাণিজ্যিক ব্যাংকের সংখ্যা ৯টি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ