প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঐক্যফ্রন্টের সিলেটে সমাবেশ
নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত দেখছে আওয়ামী লীগ

সমীরণ রায়: আসন্ন সংসদ নির্বাচন ডিসেম্বরে। আর নির্বাচনকে সামনে রেখে রাজনৈতিক দলগুলো সক্রিয়। আওয়ামী লীগের পাশাপাশি প্রধান বিরোধী দল বিএনপিসহ অন্যান্য দলও তাদের অবস্থান জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে। ইতোমধ্যে ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যপ্রক্রিয়া বিএনপির সঙ্গে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট করেছে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট তাদের দেওয়া সাত দফা দাবি আদায়ের আন্দোলনে বুধবার প্রথম সমাবেশ করে সিলেটে। সমাবেশে নেতাকর্মীদের ঢল নামে। পাশাপাশি ছিল উচ্ছাস ও উদ্দীপনা। যদিও সমাবেশের ঢলকে উড়িয়ে দিয়েছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ। বরং আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, বিএনপি একটি বড় দল।

তাই তাদের সমাবেশে লোক সমাগম হতেই পারে। এখানে ড. কামাল হোসেন রয়েছেন, যার বিগত দিনের রাজনৈতিক ইতিহাস আমরা জানি। ড. কামাল হোসেনের ১/১১-এর ভূমিকা সবার জানা। সিলেটের সমাবেশ আগামী নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত ও ষড়যন্ত্র।

উল্লেখ্য, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন, তফসিলের আগে সংসদ ভেঙে দেওয়া ও সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচন কমিশন পুনর্গঠন, ইভিএম ব্যবহার না করা, নির্বাচনে সেনাবাহিনী মোতায়েন, খলেদা জিয়াসহ সকল রাজবন্দির মুক্তি এবং নির্বাচনের আগে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেফতার না করার দাবিতে সিলেটে এই সমাবেশ করে।
এ সম্পর্কে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিনের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, সিলেটের সমাবেশ লোকসমাগম হতেই পারে। কারণ ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট হলেও এখানে বিএনপি রয়েছে। তবে এই সমাবেশ আগামী নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত হতে পারে।

এদিকে, বুধবার টঙ্গীতে নির্বাচনী গণসংযোগ ও পথসভায় অংশ নিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক ও পরিবহন সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, সিলেটের সমাবেশে ড. কামাল হোসেন আছেন মঞ্চে আর পেছনে আছে তারেক রহমান। সংবিধান প্রণেতা ড. কামাল হোসেন নষ্ট রাজনীতির প্রবর্তক। তিনি বিএনপির সঙ্গে হাত মিলিয়েছেন। ঐক্যফ্রন্টের সাত দফা দাবি নিয়ে আজকে যে সমাবেশ হচ্ছে, তা আগামী নির্বাচন বানচালের চক্রান্ত। তাই তারা এক হয়েছেন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের রাজনৈতিক জীবনে বেঈমানি ও মোনাফেকি ছাড়া কিছুই নেই। তিনি কখনও জনগণের ভোটে নির্বাচিত হতে পারেননি। একজন জনবিচ্ছিন্ন নেতা। তিনি এখন সিলেটে সন্ত্রাস ও দুর্নীতিবাজদের এক করেছেন।

সম্পাদনা: মাহবুব আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ