প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ওসির কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় পালিয়ে বেড়াচ্ছেন মানবাধিকার কর্মী

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : থানার ওসির কু-প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে এক নারী মানবাধিকারকর্মীকে। এক আদম ব্যবসায়ীর স্ত্রী নির্যাতনের ঘটনার বিচার চাইতে গিয়ে তিনি এ হেনস্থার শিকার।

সম্প্রতি ওই আদম ব্যবসায়ীর স্ত্রীর শিশু সন্তান রেখে তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়া হয়। তিনিও মানবাধিকার কর্মীর সঙ্গে দ্বারে দ্বারে ঘুরে স্বামীর বিচার দাবি করছেন। বুধবার সকালে বাংলাদেশ ক্রাইম রিপোর্টার্স এসোসিয়েশন মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা জানান মানবাধিকার কর্মী মৌ চৌধুরী।

তিনি বলেন, র্দীঘ ১০ বছর যাবত বাংলাদেশ মানবাধিকার কল্যাণ ট্রাস্ট এর ঝিনাইদহ জেলার সাধারণ সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। এ কারনে থানায় যাতায়াত রয়েছে তার। থানার ওসি ইমদাদুল হক তাকে মাঝে মধ্যে কু-প্রস্তাব দিত। তার প্রস্তাবে রাজী না হওয়ায় বিউটি বেগম নামের এক গৃহবধূর স্বামী আদম ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন চৌধুরীরকে মিথ্যা মামলা করায় সহযোগিতা করেন।

তিনি জানান, ২০১৪ সালে আনোয়ার হোসেনের সঙ্গে বিউটির বিয়ে হয়। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। তার বয়স বর্তমানে দেড় বছর। বিয়ের কিছুদিন পর বিউটি জানতে পারেন তার স্বামী একজন মানব পাচারকারী। তিনি বিউটিকে মালোশিয়া পাঠানোর নামে পাসপোর্ট বানান। এরপর দালালের সঙ্গে মোবাইলে কথা বলার সময় বিউটি জানতে পারেন তাকে পাচার করা হবে।

এরপর মালোশিয়া যেতে অপরাগতা প্রকাশ করলে বিউটিকে মারধর করে দেড় বছরের শিশু সন্তানকে রেখে বাড়ি থেকে বের করে দেন আনোয়ার। একপর্যায়ে বিউটি নিরুপায় হয়ে মানবাধিকার কর্মী মৌ চৌধুরীর কাছে লিখিত অভিযোগ করে আইনি সহযোগিতার চান। এতে বিউটির স্বামী ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২১ অক্টোবর শৈলকুপা থানার ওসি ইমদাদুল হক শেখ এর সহযোগিতায় তিনজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

ওই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। বর্তমানে ওসি ও আদম ব্যবসায়ির হুমকি ধমকিতে পালিয়ে বেড়াতে হচ্ছে তাকে। বিউটিও অসহায় হয়ে দ্বারে দ্বারে স্বামীর বিচার দাবকি করছেন। এ অবস্থায় বিষয়টি তদন্ত করে থানার ওসি ও আদম ব্যবসায়ি আনোয়ারের বিচার করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ