প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জনগনের জোয়ার থামানো যায়নি : মান্না

সাব্বির আহমেদ : নাগরিক ঐক্যের আহবায়ক ও ডাকসুর সাবেক ভিপি মাহমুদুর রহমান মান্না অভিযোগ করে বলেন, দেশ এখন গভীর সংকটে। জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ ঠেকাতে আজ সিলেটের সকল পথ বন্ধ করে দেয় পুলিশ। বাস, টেম্পু থেকে নেতাকর্মীদের নামিয়ে দেওয়া হয়। তারপরও জনগনের জোয়ার থামানো যায়নি।

বুধবার সিলেটের রেজিস্টারী মাঠে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট আয়োজিত জনসভায় তিনি এ কথা বলেন। দুপুর ২টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মাধ্যমে এ সভা শুরু হয়।

মান্না বলেন, এবার আর একদলীয় নির্বাচন করা যাবে না। ওয়াকওভারের স্বপ্ন সফল হবে না। ওয়াকওভার নিয়ে ক্ষমতায় কেউ থাকতে পারবে না। তিনি সরকারের প্রতি আহবান জানিয়ে বলেন, আমাদের সাথে কথা বলেন। কথা না বললে কিভাবে ক্ষমতা থেকে নামাতে হয়, তা দেখবেন। মান্না বলেন, আমরা একদিনের গণতন্ত্র চাই না, আমরা সারা বছরের গণতন্ত্র চাই।

সমাবেশে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, গণফোরামের সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসিন মন্টু, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মো. মনসুর, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি্র ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী, গণফোরামের নির্বাহী সভাপতি এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী, বিএনপি নেতা গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. মঈন খান, বরকত উল্লাহ বুলু, শামসুজ্জামান দুদু ও আমান উল্লাহ আমান প্রমুখ।

এদিকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশকে সামনে রেখে বেলা ১টার থেকে মিছিলসহযোগে বিএনপি নেতাকর্মীরা রেজিস্ট্রারী মাঠে জড়ো হতে থাকেন। বেলা আড়াইটার দিকে লাঠিচার্জ করা হয়। এতে কয়েকজন সামান্য আহত হন। এ সময় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে পুরো মাঠে। নেতাকর্মীরা ছোটাছুটি শুরু করলে মঞ্চ থেকে নেতারা মাইকে পুলিশকে লাঠিচার্জ না করার আহবান জানালে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

সমাবেশকে সামনে রেখে সিলেট নগরীতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সমাবেশস্থলসহ আশপাশের এলাকায় কঠোর নজরদারি করা হয়। বুধবার ভোরে সিলেট পৌঁছে মাজার জিয়ারত করেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ