Skip to main content

পাঁচ দফা দাবিতে জে‌লে‌দের মানববন্ধন

মো. ইউসুফ আলী বাচ্চু : মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষায় মাছ ধরা নি‌ষিদ্ধের সময়কালে জে‌লে‌দের যে আ‌র্থিক সু‌বিধা দেওয়া হয় তা চার মাসের পরিবর্তে ৬ মাস ৬০ কেজি করে চাল প্রদান সহ ৫ দফা দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতি। বুধবার ২৪ অক্টোবর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এক মানববন্ধনে তারা এ দাবি জানান। মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, প্রতি বছরের নভেম্বর থেকে জুন ৮ মাস, জাটকা রক্ষায় মেঘনার ৬০ নল থেকে মনপুরা পর্যন্ত পটুয়াখালী জেলার কলাপাড়া উপজেলার আন্দারমানিক নদী, পদ্মার ২০ কিলোমিটার হিজলা মেহেন্দিগঞ্জ মেঘনার শাখা নদী, বরিশালের কালাবদর অাড়িয়াল খা জাটকা ধরা নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং ৭অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর মা ইলিশ রক্ষা করার জন্য। তিন মাস ইলিশ ধরা সম্পূর্ণ বন্ধ করা হয়েছে । এই ১১মাস জেলের বিভিন্ন কারণে মাছ ধরা বন্ধ থাকে এরপরে নৌবাহিনী কোস্টগার্ড নৌ-পুলিশ মৎস্য বিভাগ জেলা ও উপজেলা প্রশাসন দফায় দফায় পরীক্ষা করে যার কার‌ণে বিভিন্ন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয় জে‌লেরা। তারা অভিযোগ করে বলেন, মা ইলিশ, জাটকা ও বিভিন্ন প্রজাতির মাছের পোনা রক্ষা বন্ধ কালীন সময় জেলে‌দের ত্রাণ হিসাবে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল ৪ মাস ত্রান মন্ত্রনালয় থেকে খাদ্য সহায়তা দেয়া হয় । উক্ত খাদ্য সহায়তা বিতরণের জন্য ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেম্বারদের কে দায়িত্ব দেয়া হয় অধিকাংশ চেয়ারম্যান মেম্বার প্রকৃত জেলেদের না দিয়ে তাদের মনগড়া তালিকা করে খাদ্য সহায়তা বিতরণ করে। অনেক ইউনিয়নে চার মাসের পরিবর্তে দু মাস বা তিন মাস দেয় এবং ২০ কেজি চালের জায়গায় ১০ থেকে ১৫ কেজি চাল দেওয়া হয়। মানববন্ধনে তারা পাঁচ দফা দাবি জানায় দাবিগুলো হলো: ইউনিয়নের চেয়ারম্যান বা মেম্বারদের বদলে সরাসরি মন্ত্রণালয় থেকে চাউল দিতে হবে, চার মাসের পরিবর্তে ছয় মাসে ৭ কেজি করে চাল দিতে হবে এবং দুই হাজার টাকা প্রদান করতে হবে, গৃহহীন মৎস্যজীবী জেলেদের পুনর্বাসন করতে হবে, এলাকায় ছোট ছোট জলাশয় গুলিতে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র মৎস্যজীবী জেলে সমিতির নামে দিতে হবে। মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন আয়োজক সংগঠনের সভাপতি মোঃ ইসরাইল পন্ডিত সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন শিকদার ও জেলে সম্প্রদায়

অন্যান্য সংবাদ