প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ধারণা পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভূক্তির দাবি

মো. ইউসুফ আলী বাচ্চু : ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, সামজিক যোগাযোগ মাধ্যেমের স্বাধীনতা বিষয়ক সামাজিক জনসচেতনতা গড়তে রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক প্রচারণা এবং সেই সঙ্গে স্কুল কলেজের পাঠ্যপুস্তকে প্রযুক্তিখাতের অপব্যবহার ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সম্পর্কে ধারণা অন্তর্ভূক্ত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন। বুধবার রাজধানীর তোপখানা রোডের শিশু কল্যাণ পরিষদের সেমিনার রুমে আয়োজিত ‘ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের স্বাধীনতা ও ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শীর্ষক নাগরিক ভাবনা’ আলোচনা সভায় এ দাবি জানানো হয়।

বক্তারা বলেন, ২০১১ সালে মুঠোফোন ভিত্তিক ইন্টারনেট সেবা থ্রীজি চালুর পর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুক এর প্রসার ঘটতে শুরু করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ব্রড ও মুঠোফোন ভিত্তিক ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৯ কোটি।এদের মধ্যে ফেসবুক ব্যবহারকারী ২ কোটি ৮৭ লাখ।  বক্তারা বলেন টুইটার,ইউটিউব, হোয়াটস আপ,ইমু ব্যবহারকারীর সংখ্যাও দিন দিন বাড়ছে।বিশ্বের দ্রুত উন্নয়নের পিছনে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ভূমিকা অনস্বীকার্য। উন্মুক্ত বিশ্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেমে স্বাধীনতা ব্যাপক। এই স্বাধীনতা রুখে দেয়া কোন ভাবেই কাম্য নয় বা এ মাধ্যমকে বন্ধ করে দেয়াও কোনভাবে সম্ভব না।

তারা বলেন, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দেশে ই কর্মাসের ব্যবসার ব্যাপক প্রসার ঘটছে। আগামীতে আরো ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।আবার মোবাইল ব্যাংকিক প্রতারণা, টেলিযোগে হাজারও প্রতারণা, ই কমার্সের জালিয়াতি গ্রাহকরা আজ দিশেহারা এ বিষয়গুলোতে ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি। আমরা চাই এ খাতে একটি মানসম্পন্ন আইন প্রণয়ন হউক যাতে গ্রাহক স্বার্থ,রাষ্ট্রের নিরাপত্তা ও সামাজিক খাতে বিশৃঙ্খলা রোধ করা যায়।

এ সময় আয়োজক সংগঠনের পক্ষ থেকে প্রযুক্তি খাতের ব্যবহারকারীদের স্বার্থে রক্ষা করার জন্য বেশ কিছু সুপারিশ করা হয়। এগুলোর মধ্যে রয়েছে: তথ্য মন্ত্রণালয়ে গঠিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যেম নিয়ন্ত্রণকারী ৯ সদস্য বিশিষ্ট সেলে গণমাধ্যম ব্যক্তি ও গ্রাহক প্রতিনিধি অন্তর্ভূক্ত করতে হবে। প্রযুক্তি খাতে ব্যবহারকারীদের অধিকার আদায়ের জন্য নতুন ধারা সংযুক্ত করতে হবে। বিনা ওয়ারেন্টে বা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া পুলিশের গ্রেফতারী ক্ষমতা প্রত্যাহার করতে হবে।দ্রুত ফেক আইডি সমূহ বন্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

বাংলাদেশ মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশনের সভাপতি মহিউদ্দীন আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় উপস্থিত ছিলেন গনসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জুনায়েদ সাকী, সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক হুমায়ুন কবির হিরু, বিএনএ’র মহাসচিব অবসর প্রাপ্ত মেজর ডাঃ হাবিবুর রহমান, দুর্নীতি প্রতিরোধ আন্দোলনের আহ্বায়ক হারুন-অর-রশিদ, মুঠোফোন গ্রাহক এসোসিয়েশন’র মহাসচিব এ্যাড. আবু বক্কর সিদ্দিক, আয়োজক সংগঠনের সাংগঠনিক সম্পাদক রেজাউল করিম,প্রচার সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক প্রমুখ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত