প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারবিরোধী আন্দোলনের যে ছক কষছে ঐক্যফ্রন্ট

অনলাইন ডেস্ক : জাতীয় নির্বাচনের আগে সরকারের পদত্যাগ, নির্বাচনকালীন নিরপেক্ষ সরকার গঠন এবং সংসদ বাতিলের মতো দাবি নিয়ে আত্মপ্রকাশ করা নতুন জোট ‘জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট’ রাজপথের আন্দোলনে যাচ্ছে। আজই তাদের প্রথম জনসভা। আন্দোলন যাওয়া প্রসঙ্গে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা বিবিসি বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন।

বিএনপির সিনিয়র নেতা মওদুদ আহমদ বলেছেন, গণ বিস্ফোরণ হবে, মাঠে ময়দানে মানুষের জোয়ার উঠে যাবে। মওদুদ আহমেদ জানান, ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে প্রথম পর্যায়ে জনমত সৃষ্টির জন্য সারাদেশে সভা সমাবেশ হবে। বড় শহরে যাবার জন্য সড়ক পথে শত শত গাড়ি নিয়ে আমরা যাত্রা করব। এখন যদি সরকার সেটি করতে না দেয়, বাঁধা দেয় সেটা তো সংঘাতের দিকে নিয়ে যাবে। তারা যদি সশস্ত্র বাঁধা দেয়, তার পরিণতি নির্মম হবে। সেখানে তো আর গণতন্ত্র থাকবে না।
মওদুদ আহমদ আরো বলেন, বিদেশের কূটনীতিকদেরকে আমরা ব্রিফ করেছি, এখানে যারা আছেন। আর বিদেশে যারা বিশেষ করে ওয়াশিংটনে এবং ভারতের দিল্লীতে, চীন দেশে যেখানে আমাদের শুভাকাঙ্খীরা আছেন তারা চেষ্টা করছেন যারা গুরত্বপূর্ণ ব্যক্তি তাদের বলার জন্য।
এ প্রসঙ্গে, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, “তৃতীয় কোনো পক্ষকে সরকারই আহ্বান করতে পারে। আমাদের আহ্বান তো তৃতীয় পক্ষ আসবেও না আর আমরা সেটি চাচ্ছিও না। কারণ আমরা জন-আন্দোলনে বিজয়ের সম্ভাবনাই প্রচুর দেখতে পাচ্ছি।
এদিকে, বিকল্প ধারার যুগ্ম মহাসচিব মাহী বি চৌধুরী বলেন, ঐক্যফ্রন্ট জাতিকে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখাতে শুরতেই ব্যর্থ হয়েছে। মানুষ রাস্তায় নামবে, মানুষ অস্ত্রের মুখে এসে দাঁড়াবে, জীবনের ঝুঁকি নেবে, গুলি খেয়ে মরে যাবে, তারপরে আওয়ামী লীগের যায়গায় আবার নতুন বিএনপি সরকার গঠন করবে এককভাবে আবার স্বেচ্ছাচার চলতে থাকবে, দুঃশাসন চলতে থাকবে মানুষ কেন তাহলে সেই ঝুঁকি নেবে?
তিনি বলেন, এই জায়গায় আমরা বার বার বলেছি মানুষকে স্বপ্ন দেখাতে হবে, সত্যিকারের স্বপ্ন দেখাতে হবে। মাহী বি চৌধুরী আরও বলেন, “আমরা যে ক্ষমতার জন্য এবার রাজনীতিটা করছি না সেই জিনিসটা পরিষ্কার করতে হবে। সেটা পরিষ্কার না করতে পারলে জনগণকে সম্পৃক্ত করবেন কী করে? বিকল্প ধারাকেই তো সম্পৃক্ত করতে পারলেন না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ