প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘ব্যারিস্টার মইনুল কি অস্বাভাবিক আইনী আচরণের শিকার?’

পিনাকী ভট্টাচার্য : ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের নামে এই পর্যন্ত আটটা মানহানির মামলা হয়েছে একই ঘটনায়। এর মধ্যে মাত্র একটি মামলা করেছেন সেই সাংবাদিক যাকে ব্যারিস্টার মইনুল হোসেন “চরিত্রহীন” বলেছিলেন। সেই মামলায় মইনুল হোসেন জামিনে আছেন। ব্যক্তিগত ভাবে সংক্ষুব্ধ হলে আইনের আশ্রয় কেউ নিতেই পারেন। তবে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিক ছাড়া বাকী সাতটি মামলার কি কোনো মেরিট আছে?

কারো মানহানি হলে সেই নির্দিষ্ট ব্যক্তি ছাড়া অন্য কোন ব্যক্তি অভিযোগ করতে পারে কি? মানহানি মামলায় বাংলাদেশের আইনে প্রথমে আদালত সমন দেয়, মানে অভিযুক্তকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেয়, প্রথমেই গ্রেফতারি পরোয়ানা হয় না। সমন পেয়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি আদালতে হাজির না হন তাহলে গ্রেফতারি পরেয়ানা জারি হয় বলে জানি। ব্যারিস্টার মইনুল কোন সমন ছাড়াই গ্রেফতার হলেন। এছাড়াও একই অভিযোগে একের অধিক মামলা হলো, এটা হতে পারে কি?

মানহানির মামলা একটি জামিনযোগ্য অপরাধ। ব্যারিস্টার মইনুলকে জামিন না দিয়ে জেলে পাঠানো হয়েছে। এমনকি সাবেক উপদেষ্টা হওয়া সত্ত্বেও তাঁকে কারাগারে সাধারণ বন্দিদের সাথে রাখা হয়েছে যেখানে তাকে মেঝেতে শুতে হবে।

আমরা দেখছি ভিন্ন মতের মানুষের বিরুদ্ধে একই অভিযোগে একাধিক মামলা হচ্ছে এবং যার মানহানী হয়েছে তিনি মামলা না করে মামলা করছেন অন্যরা। এই ঘটনা দেখেছি আমরা ডেইলি স্টারের সম্পাদকের বিরুদ্ধে, মাহমুদুর রহমানের বিরুদ্ধে। গতকাল দেখলাম ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে। ব্যারিস্টার মইনুল হোসেনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়ায় কোন অসুবিধা নাই। কিন্তু উনার সাথে যা ঘটলো তাতে কি তার সাথে আইনসংগত আচরণ করা হচ্ছে বলে মনে করেন সবাই?

(ফেসবুক)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ