Skip to main content

কারেন্ট জালে মারা পড়ছে মিঠা পানির ডলফিন

কারেন্ট জালে মারা পড়ছে মিঠা পানির ডলফিন
কান্তা আইচ রায় : দেশের জলসীমায় সাত প্রজাতির ডলফিন বাস করছে। তবে বাংলাদেশে মিঠা পানির ইরাবতী ও গাঙ্গেয় শুশুকের সংখ্যা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। সম্প্রতি এই তথ্য উঠে এসেছে বনবিভাগ ও ইন্টারন্যাশনাল ই্উনিয়ন ফর কনজারভেশন অব নেচার (আইইউসিএন) এর যৌথ জরিপে। তবে জেলেদের কারেন্ট জালে আটকা পড়ে মারা যাচ্ছে এই স্তন্যপায়ী প্রাণী। পিঠ দেখিয়ে পানিতে ডুব-সাঁতার দেয়া এই প্রাণীটির নাম ডলফিন। নদীর মোহনা বা সাগরে মেলে স্তন্যপায়ী এই প্রাণীর দেখা। দেশের জলসীমায় বাস করে ৭ প্রজাতির ডলফিন আর এর মধ্যে সঙ্কাটাপন্নের তালিকায় আছে ইরাবতী ও গাঙ্গেয় শুশুক। গঙ্গা, মেকং ও ইরাবতী নদী ছাড়াও সুন্দরবনের নোনা-মিঠা পানির মোহনায় আছে ৭ হাজার ইরাবতী, এর ৬ হাজারেরই বাস বাংলাদেশের সীমানায়। তবে এরা মারা পড়ছে মাছ ধরার কারেন্ট জালে আটকে। মিঠা পানিতে গাঙ্গেয় শুশুক আর নোনা পানিতে আছে ইন্দো-প্যাসিফিক হাম্পব্যাক , বোতল নাক ডলফিন, চিত্রা ও রাফ টুথেড ডলফিন। এদের রক্ষায় বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড, পশুর নদী থেকে ঢাংমারি, চাঁদপাই, দুধমুখী অভয়ারণ্যসহ সুন্দরবনের ১০ বর্গকিলোমিটার এলাকা এবং পদ্মা, মেঘনা, যমুনার মোহনায় ৭টি হটস্পট ঘোষণা করেছে বন বিভাগ ও ইউএনডিপি। এসব এলাকায় ভারী নৌযান চলাচল নিয়ন্ত্রণের পরামর্শ গবেষকদের। বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনের ৩৭ ধারায় ডলফিন হত্যায় সর্বোচ্চ ৩ বছর কারাদণ্ড ও তিন লাখ টাকা জরিমানার বিধান রয়েছে। আর দেহের কোনো অংশ সংগ্রহ, মজুদ ও ক্রয়-বিক্রয়ে হবে ২ বছরের জেল। সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট টেলিভিশন