প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পাটগ্রামে সংস্কারকাজ শেষ হতেই মহাসড়কে গর্ত

কালের কন্ঠ : লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দরের মহাসড়ক ভেঙে ছোট-বড় অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে। ফলে সড়কে চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে যাত্রীরা। বিশেষ করে স্থলবন্দর থেকে মহাসড়কের ছয় কিলোমিটার সড়কে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বড় ধরনের ক্ষতির মুখে পড়েছে।

সড়ক ও জনপথ (সওজ) বিভাগের লালমনিরহাট কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, চার মাস আগে বুড়িমারী স্থলবন্দরের জিরোপয়েন্ট থেকে পাটগ্রাম পৌরসভার শেষ সীমানা পর্যন্ত ১৭ কিলোমিটার মহাসড়ক সংস্কার করা হয়। কিন্তু এরই মধ্যেই অসংখ্য খানাখন্দের সৃষ্টি হয়েছে।

সওজের লালমনিরহাট প্রকৌশলীদের দাবি, বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা বিভিন্ন পণ্য ১০ চাকার ট্রাকে ভর্তি করে চলাচল করায় এসব গর্ত তৈরি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানায়, এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন ঢাকা, বগুড়া, চট্টগ্রাম, খুলনা ও রংপুরের বহু বাস ও ট্রাক চলাচল করে। তা ছাড়া বুড়িমারী স্থলবন্দরের মালামালবাহী ট্রাকগুলোও নিয়মিত চলাচল করে। ফলে মহাসড়ক দ্রুত ভেঙে যাচ্ছে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বুড়িমারীর ঘুন্টিঘর থেকে স্থলবন্দরের জিরোপয়েন্ট পর্যন্ত ছয় কিলোমিটার সড়কের পাথর ও পিচ উঠে গিয়ে বড় বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। গর্তে পড়ে প্রায়ই যাত্রী ও পণ্যবাহী ট্রাক দুর্ঘটনায় শিকার হচ্ছে। মহাসড়কের ওই ছয় কিলোমিটার ছাড়াও উপজেলার কলেজমোড়, বাইপাস, আন্তজেলা মোড়, চিলারবাজার, খানপাড়া, জীবুরবাড়ী, বেলতলী পর্যন্ত স্থানগুলোও খানাখন্দে ভরপুর।

বুড়িমারী স্থলবন্দরে পণ্যবহনকারী ট্রাকের কয়েকজন চালক জানান, বুড়িমারী স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় পাথরের আমদানি বেড়েছে। ভারতীয় ও দেশের প্রায় এক হাজার ট্রাক এ মহাসড়কে দিয়ে চলাচল করছে। ফলে মহাসড়কের ওপর চাপ বেড়েছে। বিশেষ করে পাটগ্রাম পৌরসভার শেষ সীমানা থেকে ১৭ কিলোমিটার পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে বড় বড় গর্তের কারণে অনেক ঝুঁকি নিয়ে গাড়ি চালাতে হচ্ছে।

সওজের লালমনিরহাট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী আলী নূরায়েন বলেন, স্থলবন্দর দিয়ে আমদানি করা প্রতিটি ভারতীয় ট্রাক অতিরিক্ত পণ্য নিয়ে চলাচল করে। তাই অতিরিক্ত পণ্যের ট্রাক বন্ধের জন্য স্থানীয় উপজেলা চেয়ারম্যান, ব্যবসায়ীসহ সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়েছে। তাঁরা বলেছেন, বিষয়টি দেখবেন। তবে আপাতত সড়কের গর্তগুলো ইট দিয়ে ঢেকে দেওয়া হচ্ছে। ভবিষ্যতে এ সড়কে ছয় লেনের কাজ করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ