প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আগ্নেয়াস্ত্রের ভুয়া লাইসেন্স
৪১৭ জনের বিরুদ্ধে দুদক চার্জশিট দিচ্ছে

সমকাল : আগ্নেয়াস্ত্রের ভুয়া লাইসেন্স দেওয়া-নেওয়ার অভিযোগে ৪১৭ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিচ্ছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। এর মধ্যে ভুয়া লাইসেন্স গ্রহণকারী ৩৮৯ জন, বাকি ২৮ জন জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে লাইসেন্স দেওয়া-নেওয়ায় সহায়তা করেছেন। ভুয়া লাইসেন্সে কেনা ৩৮৯টি অস্ত্রের মধ্যে জব্দ করা হয়েছে ৩৫৪টি, গুলি জব্দ করা হয়েছে প্রায় সাড়ে চার হাজার।

সূত্র জানায়, একটি দালাল চক্র তৎকালীন রংপুর জেলা প্রশাসকের স্বাক্ষর জাল করে ২০১৪ সাল ও গত বছরের মে পর্যন্ত ৩৮৯টি অস্ত্রের লাইসেন্স দিয়েছে। গত বছরের মে মাসে ফাঁস হয় এই জালিয়াতির ঘটনা। ওই সময়ের জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের একজন সহকারী ও একজন দালালের বিরুদ্ধে মামলা করা হয় রংপুর কোতয়ালী থানায়। অপরাধটি দুদকের তফসিলভুক্ত হওয়ায় গত এক বছরের বেশি সময় কমিশনের রংপুর অফিস থেকে তদন্ত করা হয়েছে মামলাটি।

দীর্ঘ তদন্তে সারাদেশের ৩৮৯ জন ব্যক্তির জাল লাইসেন্সের সব ধরনের প্রমাণ পাওয়া যায়। এই সময়ে জব্দকৃত ৩৫৪টি অস্ত্র ও প্রায় সাড়ে চার হাজার রাউন্ড গুলি রংপুর জেলা আদালতের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তদন্ত শেষে আসামীর তালিকায় ৪১৭ জন ব্যক্তির নাম অন্তর্ভুক্ত করার সুপারিশ করা হয়। দুদকের রংপুর বিভাগীয় কার্যালয় থেকে কমিশনের ঢাকাস্থ প্রধান কার্যালয়ে এ ব্যাপারে প্রতিবেদন পেশ করা হয়েছে। শিগগির সংশ্নিষ্ট শাখা থেকে কমিশনে পেশ করা হবে প্রতিবেদনটি। সেটি যাচাই করে চার্জশিটের অনুমতি দেবে কমিশন।

জানা গেছে, অভিযুক্তরা দন্ডবিধির ৪০৯, ৪২০, ৪৬৭. ৪৬৮, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন-১৯৪৭ এর ৫(২) ও মানি লন্ডারিং আইন ৪(২) ধারা লঙ্ঘন করেছেন, যা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক দুদকের একজন পদস্থ কর্মকর্তা বলেন, ‘জেলা প্রশাসকের চোখ ফাঁকি দিয়ে তাঁর স্বাক্ষর জাল করেছে একটি প্রতারক চক্র। আর্থিক সুবিধার বিনিময়ে তারা গোপনে দেশের বিভিন্ন স্থানের ৩৮৯ জনকে আগ্নেয়াস্ত্রের জাল লাইসেন্স দিয়েছে। এ ক্ষেত্রে যারা লাইসেন্স দিয়েছেন ও লাইসেন্স নিয়েছেন- উভয়ই অপরাধী। তদন্তে তাদের অপরাধের তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে।’ তিনি আরো বলেন, ‘আগ্নেয়াস্ত্রের জাল লাইসেন্সে অস্ত্র কেনা দেশের আইন-শৃংখলা পরিস্থিতির জন্যও হুমকিস্বরূপ। কমিশন তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে অভিযুক্তদের আইনের কাছে সোপর্দ করবে।’

এদিকে জাল লাইসেন্স গ্রহণকারীরা জানান, বৈধ জেনেই তারা লাইসেন্স নিয়েছেন। প্রকৃত ঘটনা ফাঁস হওয়ার পর তারা জানতে পেরেছেন-তাদের সঙ্গে প্রতারণা করে ডিসির স্বাক্ষর জাল করে লাইসেন্সগুলো দেওয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, দুদক অস্ত্র জব্দের কাজ শুরু করে গত বছরের আগষ্ট থেকে। গত এক বছরে ৩৫৪ জনের অস্ত্র ও গুলি জব্দ করা হয়। জাল লাইসেন্স গ্রহণকারীদের সিংহভাগই সেনা, নৌ, পুলিশ, বিডিআর ও আনসার বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য। এর বাইরে স্বল্পসংখ্যক সাধারণ মানুষ ওই লাইসেন্স নিয়েছেন। অস্ত্রগুলোর মধ্যে রয়েছে শর্টগান ও একনলা বন্দুক।

দুদক সূত্র জানায়, আইন-শৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক, সার্জেন্ট, করপোরালসহ অন্যান্য পদের ব্যক্তিদের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ রয়েছে ২০১২ সাল থেকে। এ ক্ষেত্রে চালাকি করে ১৯৮৬ থেকে ২০০৯ সাল উল্লেখ করে লাইসেন্সগুলো দেওয়া হয়েছে মূলত ২০১৪ সাল ও ২০১৭ সালের মে পর্যন্ত। চাকরিকালীন সময়ে সরকারের সেনা, পুলিশসহ সব বাহিনীর প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তারা ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স গ্রহণ করতে পারেন। ওই সময়কালীন তাদের অধস্তনদের আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার ক্ষেত্রে বাঁধা রয়েছে। এ কারণে অবসরে যাওয়ার পর অবৈধভাবে অস্ত্রের লাইসেন্স নেওয়ার ওই পথ বেছে নিয়েছিলেন তারা।

জানা গেছে, রংপুর জেলা প্রশাসকের (ডিসি) স্বাক্ষর জাল করে আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়ার অভিযোগে গত বছরের ১৮ মে ডিসি অফিসের প্রশাসনিক কর্মকর্তা অমূল্য চন্দ্র রায় বাদি হয়ে মামলাটি করেন। একই অফিসের ওই সময়ের অফিস সহকারি মো. শামসুল ইসলামকে আসামী করে রংপুর কোতয়ালী থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন তিনি। মামলা দায়েরের দিনেই গ্রেফতার করা হয় শামসুল ইসলামকে। পরে একই অপরাধে দালাল আবদুল মজিদকে গ্রেফতার করা হয়। উভয়ই জেলে রয়েছেন বর্তমানে।

দীর্ঘ সময়ে মামলাটি তদন্ত করেছেন দুদকের রংপুর সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারি পরিচালক আতিকুর রহমান। তদন্ত কার্যক্রম তদারক করেছেন উপ পরিচালক মোজাহার আলী সরদার। জালিয়াত চক্রের হোতা শামসুল ইসলাম অপরাধ স্বীকার করে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

একাধিক সূত্র জানায়, শামসুল ইসলাম ও আবদুল মজিদ অবৈধ অর্থের বিনিময়ে বৈধ আবেদন ছাড়া বেআইনীভাবে ভুয়া লাইসেন্সগুলো প্রদান করেছেন। অবৈধ আবেদনের সঙ্গে জাতীয় পরিচয়পত্র, আয়কর সনদ, পুলিশ ভেরিফিকেশন সার্টিফিকেটসহ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নেই। অবৈধভাবে একেকটি লাইসেন্স নেওয়া ক্ষেত্রে সংশ্নিষ্টদের খরচ হয়েছে ৪-৫ লাখ টাকা। অস্ত্রের দশটি দোকান থেকে কেনা হয় ৩৫৪টি অস্ত্র। প্রয়োজনীয় নথিপত্রও জব্দ করা হয়েছে ওইসব দোকানের।

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত করপোরাল মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘বৈধ মনে করেই একটি শর্টগানের লাইসেন্স নিয়েছিলাম। ২০১২ সাল থেকে অস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া বন্ধ রয়েছে, এ কথা ডিসি অফিসের সহকারি শামসুল ইসলাম আমাকে জানাননি। ৭৫ হাজার টাকায় অস্ত্রটি কিনেছিলাম ২০১৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর। গত বছরের ২৪ অক্টোবর অস্ত্র ও গুলি জমা দিয়েছি দুদকের রংপুর অফিসে।’

অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট মো. মহিউল ইসলাম বলেন, ‘একটি শর্টগানের লাইসেন্স পেয়েছি ২০১৬ সালের মে মাসে। লাইসেন্সটি যে অবৈধ, তা অবহিত করা হয়নি আমাকে। এক লাখ টাকায় কেনা অস্ত্রটি গত বছরের ২৬ নভেম্বর জমা নিয়েছে।’

অবসরপ্রাপ্ত বিজিবি সৈনিক মো. রিপন আলী বলেন, ‘লাইসেন্সটি জাল জানা হলে সেটি নিতাম না আমি। বৈধ জেনেই একটি শর্টগানের লাইসেন্স নিয়েছিলাম। ২০১৪ সালের ডিসেম্বরে ১ লাখ ১১ হাজার টাকায় কেনা অস্ত্রটি দুদকে জমা দিয়েছি গত বছরের সেপ্টেম্বরে।’

ভুয়া লাইসেন্সধারী ৩৫৪ জন অস্ত্র ক্রেতার মধ্যে তালিকা পাওয়া গেছে ৩৪৩ জনের।

অস্ত্রের ভুয়া লাইসেন্স গ্রহণকারিদের তালিকা

টাঙ্গাইলের বাসাইলের মো. লুৎফর রহমান, শেরপুরের শ্রীবর্দীর মো. সুরুজ্জামান, পাবনার ভাঙ্গুরার মো. রফিকুল ইসলাম, চাঁদপুরের কচুয়ার মো. শফিকুল ইসলাম, কুমিল্লার দেবীদ্ধারের মো. মকবুল হোসেন, বগুড়ার গাবতলীর মো. আবদুল মান্নান, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির মো. আ. মমিন মোল্লা, শরিয়তপুরের ডামুড্যার নূর মোহাম্মদ সরদার, বাগেরহাটের চিতলমারীর মো. নেয়ামত আলী ফকির, গোপালগঞ্জ সদর থানার মো. নাসির উদ্দিন খান, জামালপুর সদর থানার মো. বকুল হোসেন, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির মো. শামীম মোল্লা, ঠাকুরগাঁওয়ের রানীসংয়ের মো. মোস্তফা কামাল, ঝিনাইদহ সদর থানার মো. আবদুস সবুর, টাঙ্গাইলের ভূয়াপুরের মো. মজিবর রহমান খান, পাবনার আটঘরিয়ার মো. রফিকুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার মো. শাহীন আব্বাসী মোল্লা, জামালপুরের মো. হেলাল উদ্দিন তালুকদার, রংপুরের মিঠাপুকুরের মো. জাহাঙ্গীর আলম, দিনাজপুরের বীরগঞ্জের মো. আবদুস সামাদ, বরিশালের বাবুগঞ্জের মো. আনছার উদ্দিন, সিরাজগঞ্জের চৌহালীর মো. সাইফুল ইসলাম, ভোলা সদর থানার মো. নূরনবী, বগুড়ার সোনাতলার মো. আবদুল হান্নান, নরসিংদীর মনোহরদীর মো. সিরাজ উদ্দিন, বি.বাড়িয়ার আখাউড়ার মো. আবদুল মজিদ ভুইয়া, বি.বাড়িয়ার নাসিরনগরের মোহাম্মদ আলী খান, ঝালকাঠির নলছিটির মো. জাকির হোসেন, গোপালগঞ্জের সদর থানার গুপিনাথপুরের মো. হাবিবুর রহমান মোল্লা, বগুড়ার সারিয়াকান্দির মো. আরিফুর রহমান, জয়পুরহাটের বুলুপাড়ার মিজানুর রহমান, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মো. আনোয়ার হোসেন, কুমিল্লার মুরনগরের মো. হাবিবুর রহমান, টাঙ্গাইলের কালিহাতীর মো. খলিলুর রহমান, লক্ষীপুরের রায়পুরের মো. মহসিন মিয়া, চুয়াডাঙ্গা আলগডাঙ্গার মো. ওমর আলী, পাবনার ভাঙ্গুড়ার মো. আবদুল খালেক, গাজীপুরের কালিয়াকৈরের মো. মোফাজ্জল হোসেন, চাঁদপুর জেলা সদর থানার মো. জিয়াউল হক, থানা-ঝালকাঠির কাঠালিয়ার মো. হুমায়ুন কবির, কুমিল্লার কোতয়ালী থানার মো. জাহাঙ্গীর হোসেন, টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মো. সোলায়মান মিয়া, কুমিল্লার মুরাদনগরের মো. হযরত আলী, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির মো. আবদুল করিম মুন্সি, সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মো. আবদুল হাই, বরিশালের গৌরনদীর সরদার হেমায়েত হোসেন, গাজীপুরের শ্রীপুরের মেজবাহ উদ্দিন আহম্মেদ, ফরিদপুরের বোয়ালমারীর মো. মোয়াজ্জেম হোসেন, রংপুরের মিঠাপুকুরের মো. লুৎফর রহমান, গোপালগঞ্জ সদর থানার মো. ইউনুছ আলী, টাঙ্গাইলের সখিপুরের মুহাম্মদ বাবুল হোসেন, রাজশাহীর পুঠিয়ার মো. আবদুল্লাহ আল মাহমুদ, নরসিংদির রায়পুরার মো. জলিল মিয়া, কুমিল্লার দাউদকান্দির মো. শহীদুল্লাহ মিয়া, ঝিনাইদহের শৈলকুপার মো. শহিদুল ইসলাম, বগুড়ার শাহজাহানপুরের মো. তাহেরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জের মকছুদপুরের মো. জাহাঙ্গীর আলম, ময়মনসিংহের গফুরগাওয়ের মো. রতন মাহমুদ, নারায়ণগঞ্জের বন্দর থানার মোহাম্মদ আবুল হাসান, টাঙ্গাইলের মধুপুরের মো. আবু সাঈম, বরিশালের গৌরনদীর হাফিজুর রহমান, কুমিল্লার লাঙ্গলকোটের মো. ইকবাল হোসেন, টাঙ্গাইলের ঘাটাইলের মো. শফিকুল ইসলাম, বি-বাড়িয়ার নবীনগরের সফিকুল হক, ঠাকুরগাও সদর থানার মো. রেজানুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ সদর থানার মো. আকরাম আলী শেখ, চাপাইনবগঞ্জের শিবগঞ্জের মো. কামিরুল হক, বগুড়ার শাহজাহানপুরের মো. দুলাল উদ্দিন আহমেদ, সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মো. জালাল উদ্দিন, কুমিল্লার মুরাদনগরের আ: মতিন, পঞ্চগরের বোদার মো. আহসান হাবিব, বগুড়ার শাহজাহানপুরের মো. আবুল কালাম আজাদ, দিনাজপুরের ফুলবাড়ীয়ার মো. জুয়েল রহমান, সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মো. শহিদুল ইসলাম, বগুড়ার ধুনটের মো. আবুল কালাম আজাদ, সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মো. আমিরুল ইসলাম, লালমনিরহাটের পাটগ্রামের মো. রবিউল আলম, চট্টগ্রামের মিরসরাইর মো. ইসমাইল, চাপাইনবাবগঞ্জেরর্ শিবগঞ্জের মো. আলাউদ্দিন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউরার মোহাম্মদ আলম মিয়া, দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটের মো. মোশাররফ হোসেন, ঢাকার ধামরাইয়ের মো. হারুন অর রশিদ মিয়া, হবিগঞ্জের মাধবপুরের মো. কামরুল হোসেন, কুড়িগ্রামের উলিপুরের মো. সোলায়মান মিয়া, টাঙ্গাইল সদর থানার মো. আবুল হোসেন, নোয়াখালী সদর থানার মোহাম্মদ মহিউদ্দিন, নওগাঁর মহাদেবপুরের মো. আবদুর রাজ্জাক, বাগেরহাটের চিতলমারীর মো. আজিমুদ্দিন, মৌলভীবাজার সদর থানার মো. আবদুল বাছির, টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের মো. হাবিবুর রহমান, নেত্রকোনা সদর থানার পিন্টু চন্দ্র শীল, ময়মনসিংহের ভালুকার টি এ মো. মাহবুবুল আলম খন্দকার (মাখন), নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মো. আবদুল গোফরান, টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের মো. আবদুল বারী মিয়া, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর মো. জুলফিকার আলম, বরিশালের আগৈলঝড়ার মো. কামাল হোসেন, বাগেরহাটের শরনখোলার মো. ইউনুস আলী তালুকদার, বগুড়ার ধূনটের মো. ফজলুল হক, ঝিনাইদহ সদর থানার মো. জিয়াউর রহমান, রাজবাড়ী সদর থানার কাজী জিয়া হোসেন।

নওগাঁর ধামুরহাটের মো. শাহিনুর আলম, বান্দরবানের গোরস্থান মসজিদ কলোনীর মো. জসিম উদ্দিন সিকদার, সিরাজগঞ্জের চৌহালীর এস এম রফিকুল ইসলাম, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মো. মহিউল ইসলাম, নওগাঁর আত্রাইয়ের মো. আবদুর রাজ্জাক সরদার, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মো. গিয়াস উদ্দিন, রংপুরের পীরগাছার মো. মাহাবুবুর রহমান, নোয়াখালীর হাতিয়ার মো. শাহীন, ফরিদপুরের আলফাডাংগার মো. বাচ্চু মিয়া, বরিশাল কোতয়ালী থানার মো. খলিলুর রহমান, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের মো. আলমগীর হোসেন তালুকদার, গোপালগঞ্জ সদর থানার মো. আশরাফ আলী সিকদার, ঠাকুরগাওয়ের শিবগঞ্জের মো. ফয়জুল ইসলাম, বগুড়ার শিবগঞ্জের মো. মুনসুর আলী, রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দির মোহাম্মদ রেজাউল ইসলাম, ঠাকুরগাওয়ের হরিপুরের মো. আনোয়ার হোসেন, খুলনার দৌলতপুরের মো. জাহাঙ্গীর আলম, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মো. এনামুল হক, যশোর কোতয়ালী থানার মো. গোলাম মোস্তফা, খুলনার দিঘলিয়ার মো. আফজাল হোসেন, দিনাজপুরের দরখাবাদের মো. আমিনুল ইসলাম, চাঁদপুরের দক্ষিণ মতলবের মো. মিজানুর রহমান, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মো. শামছুল হক, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মো. নাজমুল হোসেন, নওগাঁর সান্তারের মো. রফিকুল ইসলাম, বাগেরহাটের কচুয়ার মো. আবুল কালাম আজাদ সিকদার, কিশোরগঞ্জের ভৈরবের মো. মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া, বগুড়ার ধূনটের মো. সাইদুর রহমান, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মো. আ: মালেক মোল্লা, বগুড়ার সারিয়াকান্দির এ কে এম আইনুর রহমান, শেরপুরের শ্রীবর্দীর মো. জয়নুল আবেদীন, ঝিনাইদহের শৈলকুপার মো. হাফিজুর রহমান, নেত্রকোনার মদনের এ.কে.এম সারোয়ার আলম, ময়মনসিংহের পাগলার মো. শাহিন, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর মো. হুমায়ুন কবির, পাবনার ভাঙ্গুরার মো. মিজানুর রহমান, ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গার মো. কাওছার উদ্দিন, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মো. রিপন আলী, ময়মনসিংহের মুক্তাগাছার মো. সাইফুল মালেক, বরিশাল বিমানবন্দর এলাকার মোহাম্মদ আনিছুর রহমান, রংপুর কোতয়ালি থানার মো. নুরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ সদর থানার মো. ফোরকান (সাবু মিয়া), বগুড়ার গাবতলীর মো. শহিদুল ইসলাম, ঢাকার কেরাণীগঞ্জের আবুজাফর জাকিউদ্দিন আহমেদ, পাবনার বেড়ার মো. আবদুল মতিন, কুমিল্লার চান্দিনার মো. আবু মুসলিম, বগুড়া সদরের এস এম জাকির হোসেন, দিনাজপুরের কাহারোলের মো. আবদুল জব্বার, কুড়িগ্রামের উলিপুরের মো. আমিনুল ইসলাম, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের মো. জসিম উদ্দিন, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর মো. আবদুল আজিজ, ফরিদপুরের বোয়ালমারীর মো. ওবায়দুর রহমান, বগুড়ার সারিয়াকান্দির মো. শফিকুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের অতুল চন্দ্র রায়, দিনাজপুর কোতয়ালী থানার মো. আবদুল্লাহ মাহমুদ, মাগুড়ার মহম্মদপুরের আবু বকর মোল্লা, নওগাঁর মান্দারের মো. রেজাউন নবী, পাবনার বনওয়ারীনগরের মো. হেদায়াতুল ইসলাম, নড়াইলের লোহাগাড়ার মো. এখলাচুর রহমান, নড়াইলের লোহাগড়ার মো. বকুল আহম্মেদ, বগুড়ার আদমদিঘীর মো. আবদুর রশিদ, টাঙ্গাইলের ভুয়াপুরের মো. মোস্তফা মিঞা, বরগুনার বামনার মো. সিরাজুল হক, দিনাজপুরের ফুলবাড়ীয়ার মো আবদুর রহিম, নড়াইল সদর থানার এস.এম খলিলুর রহমান, কুমিল্লার দেবীদ্ধারের মো. মহিউদ্দিন, রাজশাহীর চারঘাটের মো. আবুল হোসেন, পাবনার সুজানগরের মো. আ: কুদ্দুস শেখ, দিনাজপুরের হাকিমপুরের মো. তাজুল ইসলাম, ঝিনাইদহ সদরের মো. বাদশা মিয়া, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের মো. আবদুল মোমিন তালুকদার, দিনাজপুর কোতয়ালী থানার মো. মোতালেব হোসেন, কুড়িগ্রামের উলিপুরের মো. আবুল কালাম আজাদ, রাজশাহীর চারঘাটের মো. মোবারক আলী খন্দকার, ফরিদপুরের বোয়ালমারীর মো. রিয়াজুল হক, মাগুড়ার মহম্মদপুরের মো. সেলিম রেজা, পটুয়াখালী সদরের মো. শাহ আলম খান, রংপুর কোতয়ালী থানার মো. আলমগীর হোসেন, বগুড়ার শাহজানপুরের মো. আবদুর রহমান, নরসিংদির বেলাবর মো. গোলাপ জামান, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মো. রফিকুল ইসলাম, বি-বাড়িয়ার নবীনগরের মো. আবদুল আজিজ, জয়পুরহাট সদরের মো. মামুনুর রশীদ, ফরিদপুরের বোয়ালমারীর মো. সম্রাট মোল্লা, নড়াইলের কালিয়ার মো. মাসুদুর রহমান, বগুড়ার সারিয়াকান্দির মো. শরিফুল ইসলাম, ফেনীর দাগনভূঁইয়ার মো. হাসান চৌধুরী, বগুড়ার গাবতলীর মো. শাহজাহান আলী, বি-বাড়িয়ার নবীনগরের মো. আবু জাহান, গাইবান্ধার ফুলছড়ির মো. এনামুল হক, জয়পুরহাটের কালাইয়ের মো. আবদুল মমিন মন্ডল, দিনাজপুরের ফুলবাড়ীয়ার মো. হাসানুর রহমান, টাঙ্গাইল সদরের মো. শহর আলী, নাটোরের সিংড়ার মো. আল মামুন, সিরাজগঞ্জ সদরের মো. শওকত আলী, সিরাজগঞ্জের বেলকুচির মো. আবদুল হান্নান, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মো. জয়নাল আবেদীন, বরিশালের বাবুগঞ্জের মো. খলিলুর রহমান, নেত্রকোনার মদনের মুখলেছুর রহমান, গাজীপুর সদরের মো. সাদেকুর রহমান, মাগুরার মহম্মদপুরের মো. নজরুল ইসলাম, বগুড়ার সারিয়াকান্দির মো. মামুনুর রশীদ, মো. আবদুল হান্নান, বগুড়ার গাবতলীর মো. জামিল হাসান, নওগাঁ সদরের মো. মোহসিন আলী, খুলনার দিঘলিয়ার মো. আবুল বাশার মোল্লা, ফরিদপুরের আলফাডাংগার মো. বেনজির আহম্মেদ, নওগাঁর ধামুরহাটের মো. মেহেদী হাসান, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মো. রিপন মিয়া, বরিশালের বাবুগঞ্জের মো. সুলতান মোল্লা, কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীর মো. ফারুকুল ইসলাম, খুলনার তেরখাদার মো. জাফর আলী, নওগাঁ সদরের মো. আকতারুজ্জামান, বগুড়া সদরের মো. সাজেদুর রহমান, জামালপুরের মাদারগঞ্জের মোহাম্মদ আবদুল হালিম, নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মো. রফিকুল হাসান, কুড়িগ্রামের উলিপুরের মো. মোফাজ্জল হক আমিন, বরিশালের বাবুগঞ্জের মো. সিরাজুল হক, দিনাজপুর কোতয়ালী থানার মো. মামুনুর রশিদ, নাটোরের বড়াইগ্রামের মো. রফিকুল ইসলাম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ মুশরিভুজা গ্রামের মো. তজিরুল ইসলাম, বগুড়ার শিবগঞ্জের মো. শহিদুল ইসলাম।

বাগেরহাটের মোড়লগঞ্জের রবিউল ইসলাম, চট্টগ্রামের সন্দ্বীপের মো. মোস্তফা, রংপুর কোতয়ালী থানার মো. আবদুল মোতালেব মিয়া, গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জের মো. সুলতান মাহমুদ, রংপুরের কাউনিয়ার মো. রফিকুল ইসলাম, সিলেটের গোলাপগঞ্জের মো. ছালেহ আহম্মেদ, নরসিংদীর বেলাবর নজরুল ইসলাম, বগুড়ার কাহালুর মো. মনজুরুল ইসলাম, গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর মো. রেজাউল করিম মন্ডল, নওগাঁর মান্দারের মো. মোশারফ হোসেন, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মো. আবদুল হাকিম, রংপুরের মিঠাপুকুরের নিরঞ্জন চন্দ্র রায়, যশোরের বাঘারপাড়ার মো. তরিকুল ইসলাম, টাঙ্গালের নাগরপুরের মো. শহিদুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মো. নুরুল ইসলাম, বরগুনা সদরের মো. হেমায়েত উদ্দিন, সিরাজগঞ্জের কামারখন্দের মো. শফিকুল ইসলাম, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরের মো. আতাউর রহমান, মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের মো. আবু সাইদ বিশ্বাস, বরিশালের গৌরনদীর মো. মহসিন মোল্লা, কুষ্টিয়ার খোকসার মো. বাবুল হোসেন, রংপুরের পূর্বশালবনের মো. আবু তালেব, পাবনার ভাঙ্গুরাবাজারের মো. হাফিজুর রহমান, গোপালগঞ্জের কাশিয়ানির মুন্সি মনিরুজ্জামান জিন্দার, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মো. নাজির হোসেন, রংপুরের কাউনিয়ার মো. জয়নাল আবেদীন, খুলনা সদরের মো. বুলবুল আহম্মেদ, নেত্রকোণার রাইপুকুরীয়ার মো. মোকলেছুর রহমান চৌধুরী, পিরোজপুরের ভান্ডারিয়ার মো. মাকছুদুর রহমান, কুমিল্লার সাওড়াতলীর মো. আ: হান্নান ভূঁঁইয়া, টাঙ্গাইলের নাগরপুরের আবদুর রশিদ মিয়া, যশোরের বাঘারপাড়ার মো. কাছেদ আলী, কুমিল্লার লাকসামের মো. ইউসুফ আলী, ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জের মো. মতিউর রহমান, নওগাঁর মান্দারের মো. শহিদুল ইসলাম, বগুড়ার গাবতলীর মো. আবদুল মোত্তালিব, দিনাজপুরের কাহারোলের মো. গোলাম রব্বানী, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার মো. ফজলুর রহমান, মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার মো. কাসিম উদ্দিন, সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার মো. বেলাল হোসেন, রংপুর কোতয়ালী থানার মমিনুল হক, ময়মনসিংহ কোতয়ালী থানার মো. ফারুক হোসেন, বরিশালের উজিরপুরের মো. এনামুল হক, চাপাইনবাবগঞ্জ সদরের মো. নূরুল ইসলাম, দিনাজপুরের বিরলের মো. আকতারুল ইসলাম, পাবনার ফরিদপুরের মো. হাসিনুর রহমান, নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের মো. ওমর ফারুক চৌধুরী, টাঙ্গাইলের গোপালপুরের মো. আমির খসরু, কুমিল্লা কোতয়ালী থানার মো. হেলাল উদ্দিন, রংপুর সদর জেএনসি রোডের মো. রেজাকুল ইসলাম, পাবনার বেড়ার মো. আমিনুল ইসলাম, দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর মো. সামসুজ্জোহা, পাবনার বেড়ার মো. আনিছুর রহমান, চুয়াডাংগার দামুড়হুদার, মাগুড়ার মহাম্মদপুরের মো. বাচ্চু মিয়া, মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের শমিন্দ্র দাস, নীলফামারীর কিশোরগঞ্জের শ্রী খোকন চন্দ্র রায়, দিনাজপুরের বিরলের মো. শরিফুল ইসলাম, ভোলার লালমোহনের মো. মাকসুদ, গাইবান্ধার সাঘাটার মো. আবদুল মান্নান, দিনাজপুরের বিরলের মো. সুমন আলী, কুড়িগ্রামের রাজারহাটের মো. শহীদুর রহমান, ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জের মো. মোস্তাফিজুর রহমান, নোয়াখালী সদরের মো. নূর নবী, যশোর কোতয়ালী থানার মো. সোহরাব হোসেন, বগুড়ার শাহজাহানপুরের মো. ওয়াজেদ হোসেন, নড়াইলের নড়াগাতীর মোল্লা আকবর আলী, দিনাজপুরের বিরলের মো. আশরাফুল ইসলাম, কুমিল্লার বুড়িচংয়ের মো. আবদুল হান্নান, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের মো, আয়াত উল্লাহ, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার জুলহাস আলম, কুমিল্লা সদরের মো. শামিম মিয়া, নেত্রকোনার আটপাড়ার মো. আনোয়ারুল হক, ঠাকুরগাঁও সদরের মো. আবদুর রশিদ, দিনাজপুরের পার্বতীপুরের মো. আনিছুর রহমান, বরিশালের মুলাদির মো. আতিকুর রহমান, দিনাজপুরের বীরগঞ্জের মো. মেহেদি হাসান বগুড়া সদরের মো. সাখাওয়াত হোসেন, নওগাঁ সদরের মো. শিপলু রহমান, নাটোরের বাগাতিপাড়ার মো. আ: আওয়াল শেখ, যশোরের বাঘারপাড়ার মো. রওশন মৃধা, বগুড়ার শাজাহানপুরের মো. আবদুল কাফি, দিনাজপুরের ফুলবাড়ীর মো. আসলাম সরকার, রাজশাহীর চারঘাটের মো. বিপ্লব হোসেন, কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরীর মো. আখতারুজ্জামান, জামালপুরের মাদারগঞ্জের কাইয়ুম চৌধুরী, চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার মো. আবু নোমান, রংপুর কোতয়ালী থানার মো. এ কে এম আল মামুন চৌধুরী, কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর মো. গোলাম রব্বানী, সিলেটের গোলাপগঞ্জের মো. আবদুস শহিদ, নোয়াখালীর সোনাইমুড়ির মো. মহিউদ্দিন, পিরোজপুরের ইন্দুরকানির মো. নাছির উদ্দিন মোল্লা, নওগাঁ সদরের বিষ্ণু চৌহান, পটুয়াখালী সদরের মো. মোহাইমিনুল ইসলাম, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার মো. শাহিন শিকদার, গাজীপুরের শ্রীপুরের ফরিদ আহম্মেদ, বগুড়ার শাজাহানপুরের মো. ইউসুফ আলী, রংপুরের মিঠাপুকুরের মো. মশফিকুর রহমান, দিনাজপুরের বিরলের মো. নূর আলম, নওগাঁর রানীনগরের মো. ওয়াহিদুল ইসলাম, বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জের মো. আবুল বাসার তালুকদার, রাজবাড়ীর কালুখালীর মো. আবদুল লতিফ, রংপুর কোতয়ালী থানার মো. মনোয়ারুল ইসলাম, বরিশালের বানারিপাড়ার মো. জহিরুল ইসলাম, গোপালগঞ্জ সদরের মো. আরিফুল ইসলাম মুন্সি, ময়মনসিংহের ফুলবাড়ীয়ার মো. মজিবুর রহমান, রংপুরের বদরগঞ্জের মো. শামিম ইসলাম, নাটোরের সিংড়ার মো. বিপ্লবুর রহমান, জয়পুরহাটের আক্কেলপুরের মো. রফিকুল ইসলাম, দিনাজপুর কোতয়ালী থানার মো. সোহেল রানা, পাবনার ঈশ্বরদীর মো. ফজলুল হক, মানিকগঞ্জ সদরের মো. মোজাহার উদ্দিন, বি-বাড়িয়ার কসবার মো. আবদুল রশিদ, পাবনার সুজানগরের মো. মহসিন আলম, মো. রওশন আলম, কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের মো. আবদুর রহমান, চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গার মো. সফিউদ্দিন, ঢাকার সাভারের মো. মোজাম্মেল হোসেন, বি.বাড়ীয়ার সরাইলের মো. হোসেন আলী, চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জের মো. ছিদ্দিকুর রহমান।