প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

উত্তর-পূর্ব ভারত হতে যাচ্ছে বিমসটেক দেশগুলোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক হাব

আসিফুজ্জামান পৃথিল : বাংলাদেশ এবং ভারতের মধ্যে স্বাক্ষরিত হতে যাচ্ছে জল এবং স্থল ট্রানজিট চুক্তি। এ উপলক্ষে বাংলাদেশের নৌ পরিবহন সচিব আব্দুস সামাদের নেতৃত্বাধীন ১৪ সদস্যের এক প্রতিনিধীদল আজ বুধবার দিল্লি যাচ্ছেন। বলা হচ্ছে এ চুক্বিতর ফলে দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় যোগাযোগের ক্ষেত্রে এক অনন্য স্থান হয়ে উঠবে ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলো। ফলে গড়ে উঠবে সুবিশাল এক অর্থনৈতিক হাব।

বঙ্গোপসাগরিয় সহযোগিতা সংস্থা বা বিমসটেকের সদস্য রাষ্ট্র ৭টি। দেশগুলো হলো বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, ভুটান এবং নেপাল। ভারত শুরু থেকেই প্রচার করছে ভারতের চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যভহারের সুযোগে শুধু ভারতই উপকৃত হবে তা নয়, উপকৃত হবে বিমসটেকের সবগুলো সদস্য রাষ্ট্রই। বিশ্লেষকরা বলছেন ভারত আর বাংলাদেশ-চীন-ভারত-মিয়ানমার (বিসিআইএম) করিডরে আগ্রহী নয়। কারণ দক্ষিণ এশিয়ায় চীনের প্রভাব আর বাড়তে দিতে রাজি নয় দেশটি। আর বাংলাদেশের সাথে এ চুক্তিকে ব্যবহার করে ভুটানে চীনের প্রবেশও রুখতে চায় দেশটি।

সরকারি সূত্রগুলো নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ জানিয়েছে চট্টগ্রাম এবং মোংলা বন্দরের অতিরিক্ত পণ্য নপরিবহণের সক্ষমতা রয়েছে। এর বিনিময়ে ভারত চায় বাংলাদেশ তাদের মৃতপ্রায় হলদিয়া ও কোলকাতা বন্দর ব্যবহার করে নিজেদের তৈরী পোষাক রপ্তানি করুক। বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে চুক্তি অনুযায়ী ভারত বাংলাদেশের এ প্রধান দুই বন্দর ৫ বছরের জন্য বব্যহার করতে পারবে এবং চুক্তিটি আরো ৫ বছর বর্ধিত করার সুযোগ থাকছে। তবে উভয় দেশই ৬ মাসের নোটিশ পিরিয়ডে এই চুক্তি বাতিল করার অধিকার রাখে।

প্রস্তাবিত চুক্তির আওতায় ভারতিয় পণ্য ৪টি পয়েন্ট দিয়ে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে পারবে। এগুলো হলো; আখাউড়া-আগরতলা, তামাবিল-ডাওকি, সুতারকান্দি-সেওলা এবং কুমিল্লা-শ্রীমন্তপুর। দুই প্রতিবেশি এ বৈঠকেই পরিচালন পদ্ধতি চুড়ান্ত করার আশা করছে। বাংলাদেশের মন্ত্রীসভা গত মাসেই তা অনুমোদন করেছে। এছাড়াও দুই দেশের নিজ দেশের যাত্রী ক্রুজ জাহাজের মাধ্যমে পরিবহনে একমত হবার কথা রয়েছে। ইউরোএশিয়ানটাইমস

সর্বাধিক পঠিত