প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

জমে উঠেছে চতুর্থ রাউন্ডের সবকটি ম্যাচই

নিজস্ব প্রতিবেদক : জাতীয় ক্রিকেট লিগে (এনসিএল) চতুর্থ রাউন্ডের চারটি ম্যাচই জমে উঠেছে। সমানে সমান লড়াই করছে সবকটি দলই। দুই দিন শেষ হওয়ার পরও প্রত্যেক দলের সুযোগ সমান। টায়ার ওয়ানে রংপুরে স্বাগতিকদের বিপক্ষে খেলছে বরিশাল বিভাগ। টায়ার ওয়ানের অন্য ম্যাচে খুলনায় স্বাগতিকদের বিপক্ষে লড়ছে রাজশাহী বিভাগ। এছাড়া টায়ার টুতে কক্সবাজারে চট্টগ্রামের সামনে ঢাকা বিভাগ। একই ক্যাটাগরিতে রাজশাহীতে খেলছে সিলেট ও ঢাকা ডিভিশন।

প্রথম দিনে বরিশালের স্পিনার সোহাগ গাজীর ঘূর্ণিতে দিশেহারা রংপুর প্রথম দিন সবকটি উইকেট হারিয়ে তুলেছিল ১৪৭ রান। রংপুরের সুভাশিষ রায়ের পেস তা-বে ঠিক ১৪৭ রানেই গুটিয়ে গেছে বরিশাল। দ্বিতীয় দিন শেষে ৩ উইকেট হারিয়ে রংপুর তুলেছে লিডের সমান ৭৭ রান।

এদিকে, আগের দিন রাজশাহীর বিপক্ষে খুলনার সৌম্য সরকার, এনামুল হক বিজয় এবং তুষার ইমরান হাফ-সেঞ্চুরি পেয়েছিলেন। ৩০৯ রান করে অলআউট হয় খুলনা। জবাবে, ৫ উইকেট হারিয়ে রাজশাহী দ্বিতীয় দিন শেষে তুলেছে ২০২ রান। পিছিয়ে আছে ১০৭ রান।

রংপুরের ১৪৭ রানে গুটিয়ে যাওয়ার পরও স্বস্তিতে নেই বরিশাল। প্রথম দিন শেষে ২ উইকেট হারিয়ে তারা তুলেছিল ৩৫ রান। তবে, গুটিয়ে গেছে ঠিক ১৪৭ রানেই। প্রথম ইনিংসে রংপুরের ওপেনার রাকিন আহমেদ ইনিংস সর্বোচ্চ ৪৬ রান করেন। আরেক ওপেনার মেহেদি করেন ১১ রান। নাঈম ইসলামের ব্যাট থেকে আসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৩৯ রান। ধীমান ঘোষ, তানবীর হায়দার, সোহরাওয়ার্দি শুভরা দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি।

বরিশালের স্পিনার সোহাগ গাজী ১৮ ওভারে ৪০ রানের বিনিময়ে তুলে নেন ৫টি উইকেট। ব্যাটিংয়ে নেমে বরিশালের ওপেনার শাহরিয়ার নাফিস ০ রানে সাজঘরে ফেরেন। মাঝে শামসুল ইসলাম ২ রানে বিদায় নেন। আরেক ওপেনার রাফসান ৪০ এবং আল আমিন ১৬ রানে বিদায় নেন। মোসাদ্দেক, সোহাগ গাজী, তানবীর দুই অঙ্কের ঘরে যেতে পারেননি। নুরুজ্জামান ১৮, অধিনায়ক রাব্বি ২৭ রান করেন।

রংপুরের পেসার সুভাশিষ রায় ২০ ওভারে ৪৯ রানের বিনিময়ে তুলে নেন ৫টি উইকেট। দুটি করে উইকেট পান রবিউল এবং তারবীর। দ্বিতীয় ইনিংসে রংপুরের ওপেনার রাকিন ৩০, মেহেদি মারুফ ১০ রানে ফেরেন। দ্বিতীয় দিন শেষে মাহমুদুল হাসান ২৭ আর সোহরাওয়ার্দি শুভ ৬ রানে অপরাজিত আছেন। বরিশালের মনির হোসেন নেন তিনটি উইকেট।

এদিকে, খুলনায় আগে ব্যাটিংয়ে নামা স্বাগতিকরা সব হারিয়ে ৩০৯ রান তোলে। জবাবে, রাজশাহী ৫ উইকেট হারিয়ে তুলেছে ২০২ রান। খুলনার ওপেনার মেহেদি ১১ রানে বিদায় নিলেও আরেক ওপেনার এনামুল হক বিজয় করেন ৫৬ রান। তিন নম্বরে নামা সৌম্য ৬৬ রান করে বিদায় নেন। আর তুষার ইমরান ১২৭ বলে করেন ৭১ রান। এছাড়া, আফিফ হোসেন ১৪, নুরুল হাসান ২৫, জিয়াউর রহমান ৩৭ রান করেন। রাজশাহীর সানজামুল, শফিউল ও ফরহাদ রেজা তিনটি করে এবং মুক্তার আলি একটি উইকেট পান।

ব্যাটিংয়ে নেমে রাজশাহীর ওপেনার মাইশুকুর ১৪ আর মিজানুর ৪৩ রান করেন। জুনাইদ সিদ্দিকী করেন ৪৭ রান। ফরহাদ হোসেনের ব্যাট থেকে আসে ৫৬ রান। অধিনায়ক জহুরুল ইসলাম ১৫ রানে বিদায় নেন। সাব্বির রহমান ১৬ রানে অপরাজিত রয়েছেন। খুলনার পেসার আল আমিন, সৌম্য সরকার দুটি করে এবং মঈনুল একটি উইকেট নেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ