প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জরাজীর্ণ পরিবেশ থেকে মুক্তি পাবে বন্দিরা

হ্যাপি আক্তার : কারা বন্দিদের আধুনিক জীবনের নানান সুযোগ-সুবিধার জন্য শিগগিরই চালু হতে যাচ্ছে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার। এই কারাগার চালু হলে সোয়া দু’শ বছরের আগে নির্মিত সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের জরাজীর্ণ পরিবেশ থেকে মুক্তি পাবে বন্দিরা।

দু’শ ৭০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই কারাগারে স্যুয়ারেজ ট্রিটমেন্ট প্যান্ট, এক’শ শয্যার পাঁচতলা বিশিষ্ট চারটি হাসপাতাল, স্কুল ও লাইব্রেরি ভবন ছাড়াও কর্মকর্তা-কর্মকর্তাদের জন্য এক’শ ৩০টি ফ্ল্যাট রয়েছে।

ধারণ ক্ষমতার চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ বন্দির মানবেতর জীবনযাপনের কথা বিবেচনা করে ২০১১ সালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার স্থানান্তরের উদ্যোগ নেয় সরকার।

১৭৮৯ সালে সিলেট শহরের কেন্দ্রস্থল ধোপাদিঘীর পাড়ে ২৪ দশমিক ৬৭ একর জমির ওপর নির্মাণ করা হয়েছিল সিলেট জেল। ১৯৯৭ সালে সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারে রূপান্তরের পর এর ধারণ ক্ষমতা দাঁড়ায় এক হাজার দু’শ ১০-এ। কিন্তু বতর্মানে এই জেলে বন্দি রয়েছে প্রায় দ্বিগুণ।

মো. আবদুল জলিল (সিনিয়র জেল সুপার, সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগার) বলেন, ‘বাথরুম ব্যবহার থেকে শুরু করে সবজায়গায় তাদের লাইনে দাঁড়াতে হয়। ফলে কিছুটা অসুবিধার সম্মুখীন হন তারা। সেক্ষেত্রে যদি আমরা নতুন জায়গায় চলে যেতে পারি তাহলে এই অসুবিধাগুলো থাকবে না।’

এমন পরিস্থিতিতে অর্থমন্ত্রী ২০১১ সালে আগস্টে সিলেট নগরী থেকে ১২ কিলোমিটার দূরবর্তী সিলেট সদর উপজেলার বাদঘাটে ৩০ একর জমির উপর অধ্যাধুনিক সিলেট কেন্দ্রীয় কারাগারের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। সিলেটে এক সভায় কারাগারের উদ্বোধনের উদ্যোগের কথা জানান অর্থমন্ত্রী।

অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘অতিসত্ত্বরই শিফট করবে কারাগার। আগামী তিনচার দিনের মধ্যে আমই সিদ্ধান্ত নিয়ে নিব।

প্রধান সড়ক থেকে কারাগারের দূরত্ব ৩ কিলোমিটার। এই সড়কের সংষ্কারের কাজ শুরু হলেও সরু রাস্তার কারণে বন্দি পরিবহনে সমস্যা হবে বলে জানালেন আইনজীবীদের নেতা।

এদিকে, বর্তমান কারাগারকে পার্ক করার পরিকল্পনা আপাতত বন্ধ রেখে অতিরিক্ত বন্দিদের জন্য তা রাখা হচ্ছে।
অ্যাডভোকেট মো লালা বলেন, ‘রাস্তাটা যদি তড়িৎগতিতে ঠিক করা হয় তাহলে বন্দিদের আনানেয়ার কাজ সহজ হবে।’ সূত্র : সময় টেলিভিশন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত