প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

নির্বাচন কমিশনার মাহবুবের ভাগ্যে কী অপেক্ষা করছে!

দেবদুলাল মুন্না : নির্বাচন কমিশনের ভেতরে কর্মকর্তাদের মধ্যে নীতি নির্ধারণী নিয়ে মতভেদ থাকতেই পারে। কিন্তু সম্প্রতি নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার একটি জরুরী সভা থেকে বেরিয়ে গেলে বিতর্কের সৃষ্টি হয়। বিএনপির পক্ষ থেকে রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, ‘মাস্টারপ্ল্যানের বিরোধিতা করায় সরকার মাহবুব তালুকদারের পদত্যাগ দাবি করেছে।’ বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচন কমিশনে বিভক্তি দেখা দিয়েছে।’

কিন্তু আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের গত বৃহস্পতিবার বলেন, ‘ভিন্নমতের কারণে কারো পদত্যাগ দাবি সমীচীন নয়।’ তবে তিনি এ কথাও জানান যে মাহবুব তালুকদারকে বিএনপির দেয়া তালিকা থেকে নেয়া হয়েছিলো। তাহলে এর অর্থ কি এই যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও অন্য তিন কমিশনার যে সিদ্ধান্ত নেন, তখন তাতে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের তালিকাভুক্তদের থাকার কোনো প্রভাব পড়ে! তার বক্তব্যের একদিন পরই স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোাহাম্মদ নাসিম মাহবুব তালুকদারের পদত্যাগ চাইলেন। একজন সাংবিধানিক পদধারীর পদত্যাগ কি চাইতে পারেন আরেকজন সাংবিধানিক পদধারী, এ প্রশ্ন উঠেছে। গত সোমবার প্রথম আলোর যুগ্ম সম্পাদক মিজানুর রহমান খান এ প্রশ্ন তুলে বলেন, ‘এটি কোন রীতিনীতিতে পড়ে না। ’

এদিকে মাহবুব তালুকদারের দাবি, তার ৫ দফা প্রস্তাব ইসির সঙ্গে নির্বাচনী সংলাপে অংশগ্রহণকারীদের মতামত থেকেই আহরণ করেছেন। তার মানে তিনি এগুলো মানতেই হবে, এমন পণ করেননি। ১৮ অক্টোবর ডেইলি স্টার-এর একটি রিপোর্ট বলছে, ১৪ দলীয় জোট দাবি করছে, ‘মাহবুব গোপনীয়তার শপথ ভঙ্গ করেছেন।’ কী সেই গোপনীয়তার শপথ? সংবিধানের ১৪৮ অনুচ্ছেদের অধীনে শুধু মন্ত্রিসভার সদস্যদেরই গোপনীয়তার শপথ নিতে হয় বলে জানান প্রথম আলো’র যুগ্ম সম্পাদক ও সংবিধান বিশেষজ্ঞ মিজানুর রহমান খান। সম্পাদনা : সালেহ্ বিপ্লব