প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

হয়রানি কারণে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ : পদে পদে হয়রানি আর দুর্ভোগে সুষ্ঠু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ। হাসপাতালগুলোর ব্যবসায়িক মানসিকতা আর বার্তি ফি এর কারণে রোগিদের ভোগান্তি আরো বাড়ছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোর আধিপত্যে সরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা সেবা একেবারেই তলানিতে।

চিকিৎসা নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের একটি। আর একজন রোগির জীবনের শেষ ভরসা হচ্ছে একজন চিকিৎসক। দেশে সেই মহান পেশার সেবা কতটুক পাচ্ছেন রোগিরা। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ওয়াডে ঢুকতেই চোখে পড়ে মুমূর্ষ এক রোগিকে। তিনি কয়েক ঘণ্টা থেকে পড়ে আছেন মেঝেতে। তাকে দেখার যেন কেউ নেই। বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা রোগিরা টিকিট কেটে অপেক্ষা করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আর হাসপাতালের ওয়াড বয় থেকে নিয়ে সবাই ব্যস্ত ট্রলি বাণিজ্যে।

একজন রোগি বলেন, রোগিরা এখানে আসেন ভালো চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি তো এখানে ভালো চিকিৎসা পাচ্ছি না। একজন রোগি যদি এখানে এসে ভালো চিকিৎসা না পায় তাহলে তো এখানে আসার কোনো মানে হয় না।

ঢাকার সরকারি পঙ্গু হাসাপাতালের চিত্রও একই। এক্সেসহ বিভিন্ন পরীক্ষার ব্যবস্থা হাসপাতালে থাকলেও রোগিদেরকে পাঠানো হচ্ছে পাশের ক্লিনিকে।

চিকিৎকসকদের দায়িত্বহীনতা ও দালাল চক্রের দৌরাত্বের কারণে নানা হয়রানিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ রোগিদের। এই সকল রোগিরা বার্তি চাপের কারণে নিতে চাননা কোনো আইনি প্রতিকার। রোগিরা আর কত হয়রানির শিকার হলে দায়িত্বশীল হবেন এই দেশের চিকিৎসকরা।

সূত্র : নিউজ টুয়েন্টি ফোর

পদে পদে হয়রানি কারণে সুচিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ

ওয়ালি উল্লাহ সিরাজ : পদে পদে হয়রানি আর দুর্ভোগে সুষ্ঠু চিকিৎসা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন দেশের ৭৫ শতাংশ মানুষ। হাসপাতালগুলোর ব্যবসায়িক মানসিকতা আর বার্তি ফি এর কারণে রোগিদের ভোগান্তি আরো বাড়ছে। বেসরকারি হাসপাতালগুলোর আধিপত্যে সরকারি হাসপাতালগুলোর চিকিৎসা সেবা একেবারেই তলানিতে।

চিকিৎসা নাগরিকদের মৌলিক অধিকারের একটি। আর একজন রোগির জীবনের শেষ ভরসা হচ্ছে একজন চিকিৎসক। দেশে সেই মহান পেশার সেবা কতটুক পাচ্ছেন রোগিরা। ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের ওয়াডে ঢুকতেই চোখে পড়ে মুমূর্ষ এক রোগিকে। তিনি কয়েক ঘণ্টা থেকে পড়ে আছেন মেঝেতে। তাকে দেখার যেন কেউ নেই। বিভিন্ন জায়গা থেকে আসা রোগিরা টিকিট কেটে অপেক্ষা করছেন ঘণ্টার পর ঘণ্টা। আর হাসপাতালের ওয়াড বয় থেকে নিয়ে সবাই ব্যস্ত ট্রলি বাণিজ্যে।

একজন রোগি বলেন, রোগিরা এখানে আসেন ভালো চিকিৎসা পাওয়ার জন্য কিন্তু আমি তো এখানে ভালো চিকিৎসা পাচ্ছি না। একজন রোগি যদি এখানে এসে ভালো চিকিৎসা না পায় তাহলে তো এখানে আসার কোনো মানে হয় না।

ঢাকার সরকারি পঙ্গু হাসাপাতালের চিত্রও একই। এক্সেসহ বিভিন্ন পরীক্ষার ব্যবস্থা হাসপাতালে থাকলেও রোগিদেরকে পাঠানো হচ্ছে পাশের ক্লিনিকে।

চিকিৎকসকদের দায়িত্বহীনতা ও দালাল চক্রের দৌরাত্বের কারণে নানা হয়রানিতে পড়তে হচ্ছে সাধারণ রোগিদের। এই সকল রোগিরা বার্তি চাপের কারণে নিতে চাননা কোনো আইনি প্রতিকার। রোগিরা আর কত হয়রানির শিকার হলে দায়িত্বশীল হবেন এই দেশের চিকিৎসকরা।

সূত্র : নিউজ টুয়েন্টি ফোর

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত