প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আওয়ামী লীগ যদি বিচলিত না তাহলে ঐক্যকে অশুভই বলছে কেন

শাম্মি আক্তার : বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ একটি লুটপাটের রাজত্ব কায়েম করেছে। মানুষের ভোটাধিকারও হরণ করেছে। এখন ভালো কিছু তাদের ভালো লাগে না। এখন বাংলাদেশের মানুষ যে দাবিই উপস্থাপন করে, এটি তাদের কাছে অশুভ বলেই মনে হয়। তাদের কাছে এখন কেউ আর নিরাপদ নেই। সাংবাদিক, শিক্ষক, সাধারণ মানুষসহ কেউ নিরাপদ নেই। একমাত্র আওয়ামী লীগ ছাড়া, একমাত্র বাকশাল ছাড়া আর যদি কেউ কোন কথা বলে, সেটি যত সত্যই হোক এটি তাদের কাছে অশুভই মনে হবে। তাদের কাছে ক্ষমতার চেয়ারটাই হলো মধু। এই ‘হানি’ তাদের হাত থেকে ছুটে যাবে এ রকম  কথা বা কাজ হলেই তাদের কাছে সেটিকে অশুব বলে মনে হয়। জাতীয় ঐক্য গড়া হয়েছে বাংলাদেশের মানুষের ভোটাধিকার ফিরিয়ে দেয়ার জন্য, সুষ্ঠু একটি নির্বাচনের জন্য এবং গণতন্ত্রকে ফিরিয়ে দেয়ার জন্য। এখানে অশুভর কী আছে!

তারা বলে, জাতীয় ঐক্য নিয়ে তারা বিচলিত নন। আমার প্রশ্ন হলো, তারা যদি বিচলিতই না হন তাহলে জাতীয় ঐক্য থেকে যে জনসভার অনুমতি চাওয়া হয়েছে এটি নিয়ে তারা এত চিন্তিত কেন? নিশ্চয়ই তারা বিচলিত। তারা মনে করছেন যে, তাদের ক্ষমতার চেয়ার হাত ছাড়া হয়ে যাবে। এজন্য তারা জনসভা করার অনুমতি দিচ্ছেন না। এটি তো তাদের আচরণেই প্রকাশ পাচ্ছে। আপনি কি বিচলিত নাকি সুস্থ আছেন এটি তো আপনার আচরণই বলে দেবে। মানুষের ভোটাধিকারই শুধু নয়, মানুষের ন্যূনতম মৌলিক অধিকার এবং মানবিক অধিকার টুকুও ক্ষুণœ করা হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে যে, একজন মা হাসপাতালের বিল দিতে না পেরে তার নবজাতক সন্তানসহ ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র অভাবের তাড়নায় আত্মহত্যা করেছে। একটি সূত্র মতে বাংলাদেশের দু’কোটি চুয়াল্লিশ লাখ মানুষ এখনো তিন বেলা খেতে পারছে না। তাদের দু’বেলার খাবারই জোটে না। সেখানে তারা দাবি করছেন, দেশ সিঙ্গাপুর হয়ে যাচ্ছে, মালয়েশিয়া হয়ে যাচ্ছে এবং বাংলাদেশকে উন্নত করে ফেলেছেন।

জরিপই তো বলে দিচ্ছে বাংলাদেশ আসলে কোন অবস্থানে আছে। তারা শুধু তাদের ক্ষমতাটাকেই বড় করে দেখছে। আর অন্য কোন কিছুই তাদের চোখে পড়ছে না।

পরিচিতি : সাবেক সংসদ সদস্য, বিএনপি। সম্পাদনা : ফাহিম আহমাদ বিজয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ