প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়াটাই আমাদের লক্ষ্য : প্রধানমন্ত্রী

শাকিল : ‘দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল এক হয়েছে। রাজনীতিতে সকলেরই স্বাধীনভাবে রাজনীতি করার অধিকার আছে। এটাকে আমরা স্বাগত জানাই।’ সোমবার (২২ অক্টোবর) বিকাল ৪টায় সৌদি আরব সফর শেষে গণভবনে সোমবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রশ্নোত্তর পর্বে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, আমাদের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র কম হয়নি। কিন্তু সবকিছু মোকাবিলা করেই আমরা এগিয়ে যেতে পারছি তার কারণ জনগণই শক্তি। জনগণের ওপর আস্থা ও বিশ্বাস আমার আছে। তাই আমার বিশ্বাস, সব ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে আমরা সক্ষম হবো।’

মন্ত্রীসভা ছোট করে নির্বাচনকালীন সরকার এবার কখন হবে এবং তার ধরন কেমন হবে? দৈনিক আমাদের নতুন সময়ের সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খানের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ছোট না করলে কোনো অসুবিধা আছে কি না।

প্রধানমন্ত্রী তখন বলেন, যুক্তরাজ্যের মত যেসব দেশে সংসদীয় গণতন্ত্র আছে, কোথাও নির্বাচনের সময় মন্ত্রিসভায় পরিবর্তন আনা হয় না।

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে মন্ত্রিসভা কেন পুনর্গঠন করা হয়েছিল, সে বিষয়টি ব্যাখ্যা করে শেখ হাসিনা বলেন, সে সময় বিরোধী দলে থাকা বিএনপি নির্বাচনে আসতে রাজি হচ্ছিল না বলে তখন তাদের নির্বাচনকালীন সরকারে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। তারা যে মন্ত্রণালয় চায়, সেই মন্ত্রণালয় দেয়া হবে বলেছিলাম। তারা যখন আসেনি, তখন বিভিন্ন দলগুলো নিয়ে ছোট মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়েছিল।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা (দশম সংসদ নির্বাচনে) মেজরিটি পাওয়া স্বত্ত্বেও প্রতিনিধিত্বকারী দলগুলো থেকে মন্ত্রিসভা গঠন করেছি। এই মন্ত্রিসভায় জনগণের প্রতিনিধি যারা, তারা আছেন। যেহেতু সব দলের প্রতিনিধি আছে, জানি না এটাকে ছোট করার দরকার আছে কিনা। কাটছাঁট করা হবে কিনা। মন্ত্রিসভা ছোট করা হলে একজনকে কয়েকটা মন্ত্রণালয় চালাতে হবে। সেক্ষেত্রে কোনো কোনো উন্নয়ন প্রকল্পের কাজ দুই তিন মাসের জন্য থমকে যেতে পারে। এ বিষয়গুলোও ভাবতে হবে।

আগামী নির্বাচন নিয়ে কোনও ষড়যন্ত্র হচ্ছে কিনা এবং সেই ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে যথাসময়ে নির্বাচনের প্রস্তুতি সরকারের রয়েছে কিনা সাংবাদিকের এমন এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন। এখানে সরকারের কোনও ভূমিকা নাই। নির্বাচন কমিশন স্বাধীন। তারা প্রস্তুতি নিচ্ছে স্বাধীনভাবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ সৃষ্টি করতে সক্ষম হয়েছি। দারিদ্র্যমুক্ত বাংলাদেশ গড়াটাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা যদি আবার ক্ষমতায় আসতে পারি তাহলে এই উন্নয়নের গতিধারা অব্যাহত থাকবে।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘ইতোমধ্যে আপনারা জানেন বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল দেশ। আমরা স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশে উন্নীত হয়েছি। এটাকে ধরে রাখতে হবে। তাই আর্থসামাজিক উন্নয়নের যে কাজগুলো আমরা পরিকল্পনা করেছি সেগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে।’‘আমরা একটা ডেল্টা প্ল্যান দিয়েছি। অর্থাৎ শত বছরের বাংলাদেশ কীভাবে গড়ে উঠবে তার একটি পরিকল্পনা করেছি। আমরা ২১০০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে কীভাবে দেখতে চাই, সেই পরিকল্পনা আমরা প্রণয়ন করেছি এবং আমরা তা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশকে দেখতে চাই ক্ষুধামুক্ত ও দারিদ্র্যমুক্ত দেশ হিসেবে। দারিদ্র্যের হার আমরা ইতোমধ্যে ২১ ভাগে নামিয়ে এনেছি। আমাদের লক্ষ্য ২০২১ সালে আরও নামিয়ে আনার।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত