প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গুলিবিদ্ধ ৪ যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায়
আড়াইহাজারে ৪ জনকে আসামি করে পুলিশের দু’টি মামলা

এম এ হাকিম ভূঁইয়া,আড়াইহাজার: নারায়ণগঞ্জের আড়াইহাজারে গুলিবিদ্ধ চার যুবকের মৃতদেহ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ বাদী হয়ে দু’টি মামলা করেছেন। এর মধ্যে একটি অস্ত্র আইনে অপরটি হত্যা মামলা। দু’টি মামলায় নিহত অজ্ঞাত চার ব্যাক্তিকে আসামি করা হয়েছে।

থানা এসআই রফিউদ্দৌলা বাদী হয়ে রোববার (২১অক্টবর) রাতে মামলাগুলো করেন। নিহতদের মধ্যে রাতেই লুৎফর মোল্লা নামে একজনের পরিচয় শনাক্ত হওয়ায় তার মৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাকী লাশগুলো নারায়ণগঞ্জ মর্গে রাখা হয়েছে।

আড়াইহাজার ওসি মুহাম্মদ আবদুল হক মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, একজনের মৃতদেহ মর্গে থেকে তার স্ত্রীর কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাঁকীগুলো নিতে এখনও কেউ আসেনি। তবে পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই রফিউদ্দেীলা জানান, নিহত চারজনের মধ্যে একজনের পরিচয় শনাক্ত হওয়ার পর রাতেই মৃৃতদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বাঁকীদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা করা হচ্ছে।

মামলার বিবরণ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, আসামিরা হলেন (১) অজ্ঞাত (৩৫) তার পরণে ছিল খয়েরী রঙয়ের গেঞ্জি ও ব্লু রঙয়ের ফুল প্যান্ট। (২) অজ্ঞাত (৩৮), পরণে ছিল বেগুনী রঙয়ের গেঞ্জি ও সাদা সবুজ রঙয়ের চেক লঙ্গি, অজ্ঞাত (৩৭) পরণে ছিল হাফহাতা গেঞ্জি ও ব্লু রঙয়ের জিন্স ফুল প্যান্ট, অজ্ঞাত (৩৫) পরণে ছিল কমলা ও সাদা রঙয়ের হাফহাতা গেঞ্জি ও নীল রঙয়ের ফুল প্যান্ট।

এজাহারে আরও উল্লেখ্য করা হয়েছে, রোববার (২১অক্টবর) ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাঁচরুখী ফকির বাড়ির সামনে দুইদল অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী গোলাগুলি করছেন। এমন সংবাদ পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চার ব্যাক্তির মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখতে পেয়ে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবহিত করেন। এই বিষয়ে মামলা করা হয়। মামলা নং- ২৩,২৪(১০)১৮ইং।

এদিকে ঘটনার পর থেকে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলের বাসিন্দারা প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে বের হচ্ছেন না। সবার মধ্যেই আতংক বিরাজ করছে।

স্থানীয়রা জানান, ঘটনার পর থেকে এলাকাবাসীর মধ্যে আতংক বিরাজ করছে। পাঁচরুখী ফকির বাড়ি পাশে চার ব্যাক্তির ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়েছিল। রোববার সকালে পুলিশ মৃতদেহগুলো উদ্ধার করে নিয়ে যায়। তবে কে বা কারা কেন তাদের হত্যা করেছে তা কেউ বলতে পারছে না। তবে স্থানটি নির্জন হওয়ায় কেউ হত্যার পর লাশগুলো এখানে ফেলে রেখেছে।

প্রসঙ্গত. রোববার ভোর সাড়ে পাঁচটার দিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের সাতগ্রাম ইউনিয়নের পাঁচরুখী ফকির বাড়ি নামক স্থানে চার ব্যাক্তির মৃতদেহ পড়েছিলো। তাদের প্রত্যেকের মুখমণ্ডল থেঁতলানো ছিলো। অনেকের মাথার মগজ বের হয়ে পড়েছিলো। চারজনের মাথায় গুলির চিহৃ পাওয়া গেছে। ঘটনাস্থল থেকে দুইটি পিস্তল, এক রাউন্ড তাজা গুলি ও ঢাকা মেট্রো-চ-১৩-০৫০১ নাম্বারের একটি সিলভার রঙয়ের নোয়া গাড়ী উদ্ধার করা হয়।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ