প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গণজোয়ার সৃষ্টি করতে তৃণমূলে সক্রিয় হবে ঐক্যফ্রন্ট

শাহানুজ্জামান টিটু : আন্দোলন ও নির্বাচনকে সামনে রেখে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে তৃণমূলে সংগঠিত করা হচ্ছে। বিভাগ, জেলা ও উপজেলা ছাড়িয়ে ইউনিয়ন পর্যায়েও ঐক্যফ্রন্টের কমিটি হবে। এছাড়া ঐক্যফ্রন্টের ব্যানারে এক মঞ্চে আসছে পেশাজীবী, বুদ্ধিজীবী ও নাগরিক সমাজের একটা অংশ। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষনেতারা জানান, নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে অংশগ্রহণমূলক ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের দাবিতে গণজোয়ার সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এসব পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে।

ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ এক নেতা জানান, ‘তৃণমূল থেকে কেন্দ্র পর্যন্ত নেতাকর্মীদের মধ্যে একটা সেতুবন্ধন গড়ে তোলা হবে। সরকারের সকল বাধা উপেক্ষা করে ঐক্যফ্রন্ট সামনের দিকে এগিয়ে যাবে। সরকার কতক্ষণ বাধা দিয়ে থাকতে পারবে?’

জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘আইনজীবীরা স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের ব্যানার জাতীয় আইনজীবী ঐক্যফ্রন্ট করেছে। এভাবে অন্য পেশাজীবীরাও আসবেন। আর জেলায় জেলায় ঐক্যফ্রন্টের কমিটি হবে কিনা, তা নিয়ে চিন্তা আছে।’ সমাবেশের অনুমতি না দেয়া বা বাধা দেয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি বুঝে ধাপে ধাপে কর্মসূচি আসবে।’

ডক্টরস এ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ড্যাব) মহাসচিব ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘আমরা গণতন্ত্রের জন্য নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচনের দাবিতে আন্দোলন করে আসছি। যদি প্রয়োজন হয় তাহলে ঐক্যফ্রন্টের মাধ্যমে পেশাজীবীদের এক মঞ্চে আনার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত হবে।’

ঐক্যফ্রন্টের এক সিনিয়র নেতা বলেন, ‘সরকার ঐক্যফ্রন্টকে ভয় পাওয়ার তো কিছু নেই। আমরা আমাদের কাজ করছি। সরকার সরকারের কাজ করুক। আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালনে বাধা দেওয়ার কী আছে? তিনি বলেন, ‘সরকার একবার ঐক্যফ্রন্টকে অভিনন্দন জানাচ্ছে, আবার পরক্ষণে অন্যটা বলছে। আমরা তো এখনো মাঠে নামিনি। তাতেই সরকারের মধ্যে টালমাটাল অবস্থা। তাহলে বুঝতেই পারছেন সামনের দিনগুলো কেমন হবে তাদের জন্য।’ সম্পাদনা : মাহবুব আলম, সালেহ্ বিপ্লব

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ