প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ফেসবুক এবং ইউটিউবের কন্টেন্ট রোধে শীঘ্রই প্রযুক্তির ব্যবহার : মোস্তফা জব্বার

জুয়েল খান : টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী মোস্তফা জব্বার বলেছেন, ফেসবুক বা ইউটিউবের মতো মাধ্যমগুলোতে প্রচারিত কোনো ধরনের কনন্টেন্ট দেশের জন্য ক্ষতিকর মনে করলে সরকার তা প্রতিরোধ করতে প্রযুক্তি ব্যবহার করবে। খুব শীঘ্রই এই সিদ্ধন্ত কার্যকর হবে।

আসলেই কি প্রযুক্তির মাধ্যমে ফেসবুক কিংবা ইউটিউবের মতো সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোর কন্টেন্টের উপর নজর রাখা সম্ভব?

এ বিষয়ে আয়ারল্যান্ডের সোশাল মিডিয়া গবেষক এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ইউনাইটেড হেলথ গ্রপের তথ্যপ্রযুক্তিবীদ ড. নাসিম মাহমুদ বলেন, দুইটা ওয়েতে এটা করা যেতে পারে। একটা হচ্ছে সরকারের পক্ষ থেকে ফেসবুক বা গুগলের মতো বড় প্রতিষ্ঠানের কাছে সরাসরি বলা যে, এই ধরনের তথ্য আমাদের দেশের মধ্যে দেওয়া যাবে কি যাবে না। অথবা সরকারের তরফ থেকে বিভিন্ন ধরনের তথ্য চাওয়া। অনেক দেশই কিন্তু এভাবে কাজ করে থাকে। দ্বিতীয় ওয়েটা হচ্ছে প্যাসিভ ওয়ে অবজারভিং, একটু পেছন থেকে অবজারভিং করা। যেমন বিশেষ কিছু ব্যবহারকারির মাধ্যমে পুরো ফেসবুক নেটওয়ার্ককে ক্রল করা।

তিনি বলেন, তৃতীয় পক্ষের অনেক কোম্পানি আছে যারা আপনার পক্ষ হয়ে ফেসবুক বা গুগলের মতো প্রতিষ্ঠানের উপর নজরদারী করবে। যেমন ধরা যাক, আপনার বিপক্ষে একটা শব্দ চলে গেলো তখন ওই বট সফটওয়ারগুলো আপনাকে জানাবে যে আপনার বিপক্ষে একটি শব্দ ব্যবহার করা হয়েছে। এভাবে নজরদারী করা যেতে পারে। কিন্তু এমন কোনো সফটওয়ার বা হার্ডওয়ার নেই যার মাধ্যমে ফেসবুকে প্রচারত শব্দ মুছে দিতে পারবে। তবে সরকার চাইলে ফেসবুক বা ইউটিউবে কে কোথায় থেকে একটা তথ্য আপলোড দিচ্ছে তার বিস্তারিত জানতে পারবে।

তবে তিনি বলেন, এই প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে ব্যাপক আকারে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা খর্ব করবে। কারণ আপনি যদি জানেন যে আপনি ফেসবুকে কোনো কিছু লেখেন এবং সেটা যদি সরকারের পছন্দ না হয় তাহলে সরকার আপনার অবস্থান জানতে পারবে। সরকার চাইলে আপনার ওপরে ব্যবস্থা নিতে পারবে তাহলে কেই আর সরকারের অপছন্দের কোনো কিছু করবে না। তবে এটা পুরোপুরি মতপ্রকাশের স্বাধীনতার পরিপন্থী। সূত্র :  বিবিসি বাংলা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ