প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘ইকোনোমিক জোন হচ্ছে, বাড়ছে রপ্তানি, গ্রিনশিল্প করলে আটকে রাখা যাবে না দেশকে’

আশিক রহমান : বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর ও অর্থনীতিবিদ ড. আতিউর রহমান বলেছেন, দেশে ১শ ইকোনোমিক জোন হচ্ছে, এর মধ্যে ৮টি অ্যাকশনে চলে গেছে, চীন-মার্কিন সম্পর্কের নেতিবাচক প্রভাবে চীনের ব্যবসা আসছে। আমাদের এখন করণীয় গ্রিনশিল্প স্থাপন। গ্রিনশিল্প স্থাপনের কাজটি দ্রুত করতে পারলে যে গতিতে আমরা এগোচ্ছি তার চেয়ে বহুগুণ বেশি আগে গন্তব্যে পৌঁছতে পারবো। আমাদের তখন আটকে রাখতে পারবে না কেউ।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি আরও বলেন, শত বাধা সত্ত্বেও আমাদের রপ্তানি বাড়ছে। রপ্তানি খাতে খুব ভালো করছে। আগামীতে আরও ভালো করবে যদি আমরা রপ্তানি খাতের গুরুত্বপূর্ণ শিল্পগুলো সহযোগিতা অব্যাহত রাখি। বিশেষ করে গার্মেন্টস শিল্প। এই শিল্প আরও প্রায় দুই দশক পর্যন্ত লিডিং সেক্টর হিসেবে থাকবে বলে ধারণা আমার। এ শিল্পকে যে ধরনের সুবিধা এতদিন আমরা দিয়ে আসছি সেসব এখনো বহাল রাখতে হবে। নতুন কোনো সুযোগ-সুবিধা লাগলে দিতে হবে। শিল্পকে গ্রিন করতে হবে। এটা করতে হলে যত ধরনের ইনসেনটিভ, অর্থায়ন দরকার, যা আমি বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করেছিলাম। এই কাজগুলো চালিয়ে যেতে হবে, তাহলে আমরা অনেক দূর এগিয়ে যাবো।

এক প্রশ্নের জবাবে ড. আতিউর রহমান বলেন, দশ বছর আগে আমাদের গ্রোথরেট ছিলো ৬ শতাংশেরও নিচে, সেটা এখন প্রায় ৮ শতাংশে এসে দাঁড়িয়েছে। এর মানে আমাদের এগিয়ে যাওয়ার পথে যে বাধাগুলো ছিলো তা দূর হয়ে যাচ্ছে। আমরা সেটা নিশ্চিত করতে পারছি।
তিনি বলেন, আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতিরে পথে প্রথম বাধাটা ছিলো অবকাঠামো খাত। এর মধ্যে এক নম্বরে ছিলো বিদ্যুৎ। একসময় আমরা মানুষকে বিদ্যুৎ দিতে পারছিলাম না, ৩ হাজার ২শ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন ছিলো। এই বিদ্যুৎ উৎপাদন ২০ হাজার মেগাওয়াটে টেনে নেওয়া গেছে। রাস্তা-ঘাট, বন্দর অনেক জায়গাই সমস্যাও ছিলো, সেসব সমাধানের চেষ্টা করা হয়েছে। এর ফলেই আজকে আমাদের গ্রোথরেট একটা ভালো অবস্থানে পৌঁছেছে।

তিনি আরও বলেন, উদ্যোক্তাদের জন্য ভূমি এবং যেসব সার্ভিস পাওয়া দরকার তা এখন সহজ। সেই উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে। অবকাঠামোর যে সংকট সেটিও পূরণ হচ্ছে বলে মনে করেন এই অর্থনীতিবিদ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ