প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

যেভাবে মিলবে আল্লাহর ভালোবাসা

আমিন মুনশি : মুসলমান মাত্রই আল্লাহর ভালোবাসা পেতে চায়। তার সন্তুষ্টির জন্য ব্যাকুল হয়ে থাকে। কিন্তু কিভাবে পাওয়া যাবে তাঁর ভালোবাসা? দুনিয়ার সব কর্মকাণ্ড যতটুকু আল্লাহ সমর্থিত ততটুকু করা যাবে। রাসুল (সা.) যতটুকু করতে বলেছেন, ততটুকুই করা যাবে। আর এতেই আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যাবে।

যিনি আল্লাহর ভালোবাসা পাবেন, তার আর কিছুরই দরকার নেই। তার জন্য আল্লাহই যথেষ্ট। বান্দাকে আল্লাহর চেয়ে কেউ বেশি ভালোবাসে না। ভালোবাসতে পারবেও না। আল্লাহর ভালোবাসা যারা পেতে চান, তাদের হালাল উপার্জনের পথ বেছে নিতে হবে। শরিয়ত একটু মানলেন, যতটুকু পছন্দ হলো না, ততটুকু মানলেন না। এটা করা যাবে না। যতই কষ্ট হোক, প্রবৃত্তির বিরুদ্ধে যাক। আল্লাহর নির্দেশ মানতে হবে। মানুষ পারবে না, এমন কোনো কিছু আল্লাহ মানুষকে করতে বলেননি। মানুষের ওপর চাপিয়ে দেননি। আল্লাহ মানুষের সক্ষমতা ভালোই জানেন। নবী-রাসুল, সাহাবারা অনন্য উদাহরণ। জীবনের প্রতি পরতে পরতে তারা আল্লাহর নির্দেশ পালন করেছেন। প্রবৃত্তির দাস তারা হননি। বরং প্রবৃত্তি তাদের দাস হয়েছে। কোরআনে বলা হয়েছে- যারা ধৈর্যশীল আর আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন (আল ইমরান-১৪৬)

সুখ-দুঃখ, বিপদ-আপদ সবই আল্লাহ দেন। বিপদ আসতেই পারে। তৎক্ষণাৎ আল্লাহর সাহায্য চাইতে হবে। বান্দা কিছু চাইলে আল্লাহ তাকে খালি হাতে ফিরিয়ে দিতে লজ্জাবোধ করেন। সিজদায় বান্দা আল্লাহর সবচেয়ে নিকটবর্তী হয়। হাদিসে এ কথা পরিস্কার উল্লেখ আছে। সিজদায় আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করতে হবে।

বিপদ-আপদ দিয়ে আল্লাহ মুমিনদের ইমানি শক্তির পরীক্ষা নিতে পারেন। চাকরিতে প্রমোশন, ব্যবসায় উন্নতি ভালো, যা কিছুই হোক। সেখানে আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করতে হবে। যারা তওবাকারী, নিশ্চয়ই আল্লাহ তওবাকারীদের ভালোবাসেন (আল-বাকারা-২২২)

কোন পথে, কীভাবে চললে আল্লাহর ভালোবাসা পাওয়া যাবে, আল্লাহ নিজেই পথ সে দেখিয়ে দিয়েছেন। আল্লাহ বলেন, (হে রাসুল) আপনি বলুন, যদি তোমরা প্রকৃতই আল্লাহকে ভালোবাসতে চাও, তবে আমায় অনুসরণ করো। তাহলেই আল্লাহ তোমাদের ভালোবাসবেন এবং তোমাদের গোনা ক্ষমা করে দেবেন। আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল ও দয়ালু (আল ইমরান :৩১)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ