প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

লেবার পার্টির প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাস ব্যাপী কর্মসূচী ঘোষণা

শিমুল মাহমুদ : বাংলাদেশ লেবার পার্টির ৪১ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মাস ব্যাপী কর্মসূচী ঘোষণা করেছেন দলের চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। এবারের প্রতিপাদ্য “গণতন্ত্র ও ভোটাধিকার চাই।”

কর্মসূচি মধ্যে রয়েছে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন, কেক কাটা, আলোচনা সভা, সংহতি সমাবেশ, প্রতিনিধি সম্মেলন ও নাগরিক সমাবেশ।

এ উপলক্ষ্যে দেশবাসী ও দলীয় সর্বস্তরের নেতা-কর্মীদের শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার ফরিদ উদ্দিন।

১৯৭৪ সালে ২২ অক্টোবর জাতীয়নেতা মাওলানা আবদুল মতীনের নেতৃত্বে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ লেবার পার্টি। প্রতিষ্ঠার প্রথম বছরেই ১৯৭৫ সালের ২৫ জানুয়ারী শেখ মুজিব মাত্র ১৩ মিনিটের সংসদে রাষ্ট্রীয় ফরমান জারি করে লেবার পার্টিসহ সকল রাজনৈতিক দল নিষিদ্ধ করে একদলীয় বাকশাল কায়েম করে। ১৯৭৭ সালে শহীদ জিয়াউর রহমান বহুদলীয় গণতন্ত্র চর্চার সুযোগ দিলে বাংলাদেশ লেবার পার্টি ১৯৭৭ সালের ২২ অক্টোবর মাওলানা আবদুল মতীনের নেতৃত্বে পুর্নজীবন ফিরে পায়। পরে শহীদ জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী ফ্রন্ট গঠিত হলে মশিউর রহমান যাদু মিয়ার ন্যাপ, শাহ আজিজুর রহমানের মুসলিম লীগ, বিচারপতি আবদুস সাত্তারের জাগদল, মাওলানা মতীনের লেবার পার্টি, কাজী জাফরের ইউপিপি ও তফসিলি জাতি ফেডারেশন জোটের রাজনীতিতে সক্রিয় ভাবে অংশ নেয়।

মাওলানা মতীনের মৃত্যুর পর বাংলাদেশ লেবার পার্টির নেতৃত্বে আসেন সাবেক ছাত্রনেতা ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। তিনি লেবার পার্টিকে সাংগঠনিক ভাবে গণমুখী ও শক্তিশালী করতে ব্যাপক কর্মসুচী গ্রহন করে বিভিন্ন জেলা ও মহানগরে কার্যক্রম ছড়িয়ে দেন। তার নেতৃত্বে ২০০৮ সালে অসাংবিধানিক জরুরী সরকারের বিরুদ্ধে রাজপথে ব্যাপক কর্মসুচী পালিত হয়। ২০০৭ সাল থেকে বেগম খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে জাতীয়তাবাদী চেতনায় সমমনাদল হিসাবে রাজনৈতিক কর্মকান্ড পরিচালনা ও অংশ গ্রহন করে।

২০১২ সালের ১৮ এপ্রিল ১৮ দলীয় জোট (বর্তমানে ২০ দলীয় জোট) গঠিত হলে বাংলাদেশ লেবার পার্টি অন্যতম শরিক দল হিসাবে জোটের রাজনীতিতে অংশ নেয়। বর্তমান সরকারের জুলুম, নির্যাতন, নিপীড়ন ও লুটপাটের বিরুদ্ধে বেগম খালেদা জিয়া আহুত বিক্ষোভ সমাবেশ, মিছিল মিটিং, হরতাল অবরোধসহ সকল কর্মসুচীতে লেবার পার্টি সক্রিয় ভাবে রাজপথে ভুমিকা পালন করছে। লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডাঃ মোস্তাফিজুর রহমান ইরান ও ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব ইঞ্জিনিয়ার ফরিদ সহ পার্টির অসংখ্য নেতা-কর্মী চলমান আন্দোলনে গ্রেফতার হয়ে জেল, জুলুম, অত্যাচার নির্যাতনের মধ্যেও রাজনৈতিক কর্মকান্ড অব্যাহত রাখছে। লেবার পার্টি নবীন-প্রবীনদের সমন্বয়ে ভ্রাতৃত্বপুর্ণ নেতৃত্ব বিকাশের মাধ্যমে ধর্ম, কর্ম ও সাম্যবাদের চেতনায় ওমর-ই সাম্যবাদের আলোকে শোষণমুক্ত ইনসাফ ভিত্তিক কল্যাণ রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় যোগ্য ও আদর্শ নাগরিক সৃষ্টিতে কাজ করছে। শুধু ক্ষমতার হাতবদল নয়, খাই খাই লুটপাটের রাজনীতির বাইরে অর্থবহ আর্দশিক পরিবর্তন চায় বাংলাদেশ লেবার পার্টি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ