প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সূর্য সৃষ্টির রহস্য

মোস্তফা কামাল গাজী : সৌরজগত কেন্দ্রের খুব কাছে অবস্থিত তারাটির নাম সূর্য। এটি পৃথিবী থেকে প্রায় তের লক্ষ গুণ বড়। মহান আল্ল¬াহ তায়ালার বিস্ময়কর এ সৃষ্টি তাঁর অপরিসীম জ্ঞান ও ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ। পবিত্র কুরআনে আল্ল¬াহ তায়ালা বলেন, ‘আল্ল¬াহ সূর্যকে একটি সমুজ্জ্বল প্রদীপরূপে সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা নুহ: ১৬)

অন্যত্র আল্ল¬াহ তায়ালা বলেন, ‘এবং তিনিই দিবা-নিশি এবং চন্দ্র-সূর্য সৃষ্টি করেছেন। সবাই আপন আপন কক্ষ পথে বিচরণ করে।’ (সুরা আম্বিয়্যা: ৩৩)
হজরত ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন, ‘লাটিম যেমন তার কেন্দ্র বিন্দুর চার দিকে ঘুরতে থাকে, সূর্যও তেমনিভাবে ঘুরে।’

সূর্য ও পৃথিবীর আবর্তনে দিন ও রাতের সৃষ্টি হয়। সূর্যই হলো পৃথিবীর আলো ও তাপের উৎস। সূর্য না থাকলে পৃথিবীতে জীবনের বিকাশ হতো না। তখন কেবল রাতই হতো এবং পৃথিবী হয়ে পড়তো বরফশীতল একটি গ্রহ।

আবার সূর্য ও পৃথিবী যদি আর্বতিত না হতো তাহলে পৃথিবীর একপাশ সবসময় অন্ধকার এবং অপরপাশ সবসময় আলোকিত থাকত; যা মানুষের বসবাসের উপযোগী হতো না। আর যদি মানুষ থাকতোও তবু তাদের অনেক সমস্যার সম্মুখীন হতে হতো। রাতে মানুষ বিশ্রাম করে দিনের কাজের জন্য নতুন শক্তি সঞ্চয় করে। যদি রাত না হতো, মানুষ বিশ্রামের অভাবে অসুস্থ হয়ে পড়তো এবং শরীরে কর্মোদ্দীপনা থাকত না। মানুষের জীবনে আনন্দ থাকত না। সবসময় এক অপরিসীম ক্লান্তি বয়ে বেড়াত ।

সৃষ্টির এরূপ সব কিছুর সুন্দর ও সঠিকভাবে চলা আল্ল¬াহর অপরিসীম জ্ঞান ও প্রজ্ঞারই প্রকাশ। আল্ল¬াহ তায়ালা দিন-রাতের এই পরিক্রমা সৃষ্টি করেই ক্ষান্ত হননি, তিনি তা সুন্দর করে নিয়ন্ত্রণও করছেন। এর প্রতি ইঙ্গিত করে কুরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘(হে মুহাম্মদ) আপনি লোকদের বলে দিন, যদি আল্ল¬াহ তোমাদের প্রতি কেয়ামত পর্যন্ত অন্ধকার রাত করে দিতেন তাহলে কে ছিলো তোমাদের এক আল্ল¬াহ ছাড়া অন্য প্রভূ, যে তোমাদের জন্য আলোর ব্যবস্থা করতো?’ (সুরা কাসাস: ৭)

অন্যত্র ইরশাদ হয়েছে, ‘সেই আল্ল¬াহ মহা মহিমাময়, যিনি আসমানে কক্ষপথ সৃষ্টি করেছেন আর বড় বড় নক্ষত্র ও উজ্জ্বল চন্দ্র সৃষ্টি করেছেন।’ (সুরা ফোরকান : ৬১)

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত