Skip to main content

১ কোটি ব্রিটিশ নাগরিক ব্রেক্সিট চান না

রাশিদ রিয়াজ: ফেসবুকে পরিচয় গোপন রেখেই ১০ মিলিয়ন ব্রিটিশ নাগরিক দাবি তুলেছেন তারা ব্রেক্সিট অস্বীকার করেন। তারা অন্য ব্রিটিশ নাগরিকদেরও ব্রেক্সিট অস্বীকার করার জন্যে আহবান জানিয়েছেন। ‘মেইনস্ট্রিম নেটওয়ার্ক’ নামে একটি গ্রুপ ব্রেক্সিটের বিরুদ্ধে এধরনের ব্যাপক প্রচারণা চালাচ্ছে। তারা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী থেরেসা মে’কেও ব্রেক্সিট উদ্যোগ থেকে সরে আসার আহবান জানায়। বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ব্রিটিশ মিডিয়াগুলো বলছে, এধরনের প্রচারণায় তারা ব্রেক্সিটের বিরুদ্ধে ভোট দেওয়ার আহবান জানাচ্ছে। দি গার্ডিয়ন বলছে ‘এইট্টি নাইন আপ’ নামে একটি ডিজিটাল ক্যাম্পেন গ্রুপ ব্রেক্সিট নিয়ে কোনো মিথ্যা সংবাদ ছড়াচ্ছে কি না তা যাচাই করে দেখা প্রয়োজন। এর আগে ব্রিটেনে গণভোটের মাধ্যমেই ইউরোপিয় ইউনিয়ন থেকে ব্রিটেনের সরে আসার প্রক্রিয়া বা ব্রেক্সিটের পক্ষেই ভোট দেন ব্রিটিশ নাগরিকরা। এরপর এ প্রক্রিয়া শুরু হবার পর ফের নতুন করে বিষয়টি নিয়ে গণভোটের দাবি প্রবল হয়ে উঠছে। ফেসবুকে ‘ওয়ার রুম’ নামে আরেকটি প্রচারণা গোষ্ঠী এধরনের নির্বাচনের বিরোধিতা করছে। অর্থাৎ ব্রেক্সিটের পক্ষে ও বিপক্ষে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে তুমুল প্রচারণা চলছে ব্রিটেনে। লেবার এমপি পল ফারেলি জানান, গত কয়েক সপ্তাহে ব্রেক্সিট প্রক্রিয়া থেকে বের হয়ে আসার আহবান সম্বলিত ৫০টি ইমেইল বার্তা তিনি পেয়েছেন। এবছরের শুরুতেই কেমব্রিজ এ্যানালাইটিকার মাধ্যমে প্রবল প্রচারণায় অন্তত ৮৭ মিলিয়ন মানুষের ওপর ফেসবুক ব্যাপক প্রভাব ফেলতে সমর্থ হয়ে বলে অভিযোগ ওঠে। এরপর ফেসবুক বিবৃতি দিয়ে জানায়, ভবিষ্যতে তারা রাজনৈতিক প্রচারণার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করবে। কারণ যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন ছাড়াও ব্রাজিল, ব্রিটেন ও ভারতে আগামী বছরের মার্চ নাগাদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে এবং এতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে রাজনৈতিক প্রভাব সৃষ্টি যাতে না করা হয় তার দিকে বিশেষ খেয়াল রাখবে ফেসবুক।