প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারের আচরণে অস্থিরতা ও অহিষ্ণুতার প্রকাশ ঘটছে

আশিক রহমান : গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক মহিউদ্দিন আহমদ বিরোধীদলগুলোর সভা-সমাবেশে বাধাপ্রদানকে দুঃখজনক আখ্যায়িত করে বলেছেন, ক্ষমতাসীন সরকারের কথাবার্তা, আচার-আচরণে একধরনের অস্থিরতা ও অহিষ্ণুতার প্রকাশ ঘটছে। সেটা আমরা অনেকদিন ধরেই দেখছি। বিরোধীদলগুলোকে সভা-সমাবেশ করতে বাধা প্রদান করা বা না দেওয়াটাই হচ্ছে তাদের অস্থিরতার সবচেয়ে বড় প্রতিফলন। এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে

তিনি আরও বলেন, বিরোধীদলের প্রতি যে আচরণ করে আমাদের সরকারগুলো তা মানুষ ভালোভাবে নেয় না। কারণ তারা সবই দেখছে কী হচ্ছে বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে। যারা এসব আচরণ করেন বিরোধীদলগুলোর সঙ্গে, তারা মনে করেন আজকে আমরা জিতে গেলাম, ক্ষমতা দেখিয়ে দিলাম। কিন্তু মানুষ তাদের ধিক্কার দিচ্ছে। তারা যখন গণতন্ত্রের জন্য কান্নাকাটি করেন, ভালো ভালো কথা বলেন, মানুষ তা বিশ্বাস করে না।

এক প্রশ্নের জবাবে মহিউদ্দিন আহমদ বলেন, একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন হলে মানুষ ভোট দিয়ে একটা সরকার পরিবতর্ন করে ফেলতে পারে, সেই ক্ষমতা তাদের হাতে রয়েছে। কোনো রাজনৈতিক দল যদি মনে করে ভোটারদের ওপর তাদের আস্থা রয়েছে, তাদের ম্যান্ডেড নিয়ে সরকার গঠন করবেন তাহলে তো এ ধরনের আচরণ করার কথা নয়। অতীতে আমরা দেখেছি, সরকারে থেকে কোনো কোনো রাজনৈতিক দল তার ইচ্ছেমতো সবকিছু সাজান এবং যেকোনোভাবেই হোক ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য নানারকম ফন্দিফিকির আটেন।

তিনি বলেন, আমাদের রাজনৈতিক দলগুলো সরকারে থাকলে ভুলে যায় তারা একসময় বিরোধী দলে ছিলো। সরকারি দল তফসিল ঘোষণার আগেই যথেচ্ছ নির্বাচনি প্রচার করে বেড়াচ্ছে সারাদেশে। কিন্তু বিরোধীদলগুলোর অনেক অভিযোগ আছে তাদের বিরুদ্ধে, বাস্তবেও আমরা দেখতেও পাচ্ছি, সভা-সমাবেশ করার অনুমতি পাচ্ছে না বিরোধীদলগুলো। পুলিশের অনুমতি ছাড়া তো এখন কেউ কিছু করতে পারে না।

তিনি আরও বলেন, সবার প্রত্যাশা নির্বাচনে একটি সুস্থ প্রতিযোগিতা হবে এবং সবাই যার যার মত প্রচার করবেন। শুধু নির্বাচন কেন, রাজনীতিতে এটাই হওয়া উচিত। কিন্তু নানারকম ছুতো বা অভিযোগে বিরোধীদলগুলোকে কথা বলতে না দেওয়া বা প্রচারে বাধা দেওয়ার সঙ্গে গণতান্ত্রিক সংস্কৃতির কোনো সম্পর্ক নেই। আমরা মুক্ত গণতন্ত্রের কথা বলি, কিন্তু কার্যত আমরা এর বিরুদ্ধে কাজ করি।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ