প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

র‌্যাবের ১৮৭ অভিযান
৪ বছরে কক্সবাজারে ২০৮ জলদস্যু আটক বন্দুকযুদ্ধে নিহত ১১

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : কক্সবাজার-মহেশখালী-কুতুবদিয়া অঞ্চলে গত চার বছরে ১৮৭টি অভিযান পরিচালনা করেছে র‌্যাব। এ সময়ে ২০৮ জন জলদস্যু আটক ও ১১ জলদস্যু নিহত হয়েছেন। এছাড়া দেশী-বিদেশী ৬৮২ টি বিভিন্ন ধরনের অস্ত্রসহ ৭ হাজার ৯৯০ রাউন্ড গোলাবারুদ উদ্ধার করা হযেছে।

সর্বশেষ শনিবার ওই এলাকার চিহ্নিত ৬ জলদস্যু বাহিনী আত্মসমর্পণ করেছে।

র‌্যাব জানায়, মহেশখালী-কুতুবদিয়ার পাহাড়ী অঞ্চল এলাকায় র‌্যাবের অবিরাম টহলের কারণে জলদস্যু এবং অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী বাহিনী গুলো কার্যত কোণঠাসা হয়ে পড়েছে এবং তাদের অপরাধসীমা প্রায় শূণ্যের কোঠায় চলে এসেছে। এছাড়া র‌্যাব-৭ এর সক্রিয় গোয়েন্দা নেটওয়ার্ক এবং কৌশলগত পদক্ষেপের কারনে জলদস্যুরা তাদের কর্মকাণ্ড চালাতে না পেরে স্বপ্রণোদিত হয়ে আত্মসমর্পন করছে।

শনিবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়েল তালিকাভুক্ত ৬ জনসহ ৪৩ জলদস্যু আত্মসমর্পণ করে। ওই ৬ বাহিনী হলো- আনজু বাহিনী, রমিজ বাহিনী, নুরুল আলম ওরফে কালাবদা বাহিনী, জালাল বাহিনী, আইয়ুব বাহিনী ও আলাউদ্দিন বাহিনী।

অন্যদিকে সুন্দরবন উপকূলীয় অঞ্চলে ২০১৬ সালের ৩১ মে মাস্টার বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে এই অগ্রযাত্রা শুরু হয়। এ পর্যন্ত ২৬টি বিভিন্ন বাহিনীর ২৭৪ জন সুন্দরবন অঞ্চলের জলদস্যু/বনদস্যু, ৪০৪টি অস্ত্র এবং ১৯ হাজার ১৫৩ রাউন্ড গোলাবারুদসহ র‌্যাবের কাছে আত্মসমর্পণ করেছে। অধিকাংশ জলদস্যু আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে জামিনে স্বাভাবিক জীবন যাপন করছে। আত্মসমর্পণ প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকে সুন্দরবন অঞ্চলে নতুন করে কোন জলদস্যু বাহিনীর আর্বিভাব ঘটেনি।