প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী
‘যারা ক্ষমতাটাকে ভোগের বস্তু মনে করে তারা দেশকে কী দেবে?(ভিডিও)

সাজিয়া আক্তার : আমাদের প্রতিটি অর্জন এবং আন্দোলন সংগ্রামের সূতিকাগার হিসেবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছে। আমি গর্ববোধ করি, আমিও একদিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলাম। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘যারা ক্ষমতাটাকে ভোগের বস্তু মনে করে আর ব্যবসার সুযোগ মনে করে তারা দেশের কোনো উন্নয়ন করতে পারে না। আর নিজের ভাগ্য গড়া যাদের মাথায় থাকে তারা দেশকে কী দেবে?’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচনে যদি জনগণ (আমাদের) ভোট দেয় তাহলে (ক্ষমতায়) আসব, আর যদি না দেয় তবে আমার কোনো আফসোস নেই। আমার খুব একটা আফসোস নেই। কারণ, বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারাটা যে আমরা শুরু করেছি সেটা যাতে অব্যাহত থাকে সেটা আপনারা দেখবেন।’

শনিবার (২০ অক্টোবর) বিকেলে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের প্রথম সম্মেলনে বক্তব্যে একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একটি স্বাধীন দেশে জাতির পিতা বলেছিলেন, কারিগরি শিক্ষাকে গুরুত্ব দিতে হবে, মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় এবং নতুন নতুন বিশ্ববিদ্যালয় করতে হবে। কিন্তু বিএনপির আমলে তেমন কোনো অগ্রযাত্রা হয়নি। শিক্ষার ব্যবস্থাপনাটাও ছিল সেই পুরানো আমলেরই। সেখানে তখন আধুনিকতার ছোঁয়াও লাগেনি। ২১ বছর পর আওয়ামী লীগ যখন সরকারে আসে তখন আমরা শিক্ষার উন্নয়নে বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। দেশ কীভাবে গড়ে তুলবো, এবং শিক্ষার মর্যাদা আরও উন্নত করবো সেই বিষয়ের উপর আমরা গুরুত্ব দেই।

তিনি বলেন, ২০০৭ সালে যখন ইমার্জেন্সি ডিক্লিয়ার করা হলো, তখন আমাকে দেশে ফিরে আসতে দেওয়া হবে না। এমনকি আমার বিরুদ্ধে হত্যা মামলাও দেওয়া হয়েছিল। তবু আমি জোর করে দেশে ফিলেএলাম। তখন আমাকে গ্রেফতার করা হল। আমি বিরোধী দলের ছিলাম, সাধারণত বিরোধী দল থেকে আগে গ্রেফতার করার সেরকম কোনো দৃষ্টান্ত নেই। কিন্তু আমাকে আগে গ্রেফতার করা হলো।

তিনি আরও বলেন, আমি কৃতজ্ঞতা জানাই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, শিক্ষক সকলকে। কারণ সে সময় ইমার্জেন্সির প্রতিবাদ বিশ্ববিদ্যালয় থেকেই আগে হয়েছিল। কাজেই আমাদের সকল অর্জন, ৪৮ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে, ৬ দফা আন্দোলন, ৬৯ এর গণঅভ্যূত্থান, ৯০ এর স্বৈরাচার রিরোধী আন্দোলন, ৯৬ এর ১৫ ফেব্রুয়ারি ভোটার নির্বাচনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, এমনকি মুক্তিযুদ্ধসহ সব কিছুতেই শিক্ষক এবং ছাত্ররা অগ্রণী ভূমিকা পালন করেছে। কাজেই আমাদের একটা ঐতিহ্য রয়েছে এবং প্রতিটি অর্জনের ক্ষেত্রে অবদান রয়েছে। কাজেই আমরা সব সময় শিক্ষাকে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেই।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিক করার জন্য বিভিন্ন প্রচেষ্টাও চালাই। ৯৬ সালে আমরা যখন সরকার গঠন করি তখনি আমরা বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়েছিলাম। বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে এখন আমরা জিপিএ গ্রেড পদ্ধতি চালু করেছি। অনার্স এবং মাস্টার্স লেভেলটা আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন যাতে হয় সেই সময় সীমাটা নির্দিষ্ট করাসহ নানা বহুমুখী শিক্ষা ব্যবস্থা করেছি আমরা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ