প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার খাতা পুনরায় যাচাই বাছাই

উল্লাস মূর্তজা : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ঘ’ ইউনিট এর ভর্তি পরীক্ষায় অস্বাভাবিক নম্বর পাওয়া পরীক্ষার্থীদের খাতা যাচাই বাছাই করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। তারা জানান কোনো খাতায় চুরি ধরা পড়লে তা বাতিল করা হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মুহাম্মদ সামাদ বলেন, ‘নতুন করে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত এখনও নেওয়া হয়নি।’ প্রশ্ন ফাঁস ঠেকাতে সম্মিলিত পরীক্ষা পদ্ধতি এবং কম শিক্ষার্থীদের মধ্যে পরিক্ষা গ্রহণ এখন সময়ের দাবী বলছেন শিক্ষাবিদরা।

১২ অক্টোবর ‘ঘ’ ইউনিটের ১৬’শ আসনের বিপরীতে অংশ নেয় ৯৫ হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী। বিজ্ঞান মানবিক ব্যবসায়সহ সংশ্লিষ্ট অনুষদে যারা সুযোগ পাননি, তাদের জন্য ‘ঘ’ ইউনিট ছিল শেষ সুযোগ আর এই সুযোগে তৎপর হয় বেশ কিছু অসাধু চক্র।

‘ঘ’ ইউনিটে প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয় ৬ জনকে। তারপরও শংসয় থাকছে ফলাফল নিয়ে। কারণ বিজ্ঞান ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় যারা ফেল করেছিল তারা যথাক্রমে ১ম ও ২য় হয়েছে ‘ঘ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায়। ‘গ’ ইউনিটের ফেল করা জাহিদ ঘ ইউনিটে ১২০ নম্বরের মধ্যে ১১৪ নম্বর পেয়ে ১ম হয়েছেন। বিজ্ঞান ইউনিটে ৪৩ নম্বর পাওয়া তাসিন বিন আলম পেয়েছেন ১০৯ নম্বর।

অনুসন্ধানে দেখা যায়, ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে অন্তত ৮ জন ফেল করেছিল অন্য অনুষদে। প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ স্বীকার করলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য মুহাম্মদ সামাদ জানান, ‘প্রশ্ন ফাঁসে ফলাফলে তেমন প্রভাব ফেলবে না। আমরাতো সবগুলো ফ্যাকালিটি নাম্বার আমরা এনেছি এবং যে সব ছাত্র নম্বর বেশি পেয়েছে সেটা আমরা মিলিয়ে দেখছি, তারপর তো ভাইভা আছে উদাহরণ আছে, অনুশীলন আছে। যদি ভবিষ্যতে চুরি বের হয় তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে এবং ভর্তি বাতিল করা হবে।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য, শিক্ষাবিদ আনোয়ার হোসেন মনে করেন, অতিরিক্ত শিক্ষার্থীর চাপ থাকায় বারবার প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ উঠছে ‘ঘ’ ইউনিটকে ঘিরে। তিনি বলেন, এত অধিক সংখ্যক পরীক্ষার্থীকে এক সঙ্গে পরীক্ষা না নিয়ে যদি ভাগ করে নেওয়া যেতো বা পরিক্ষার মাধ্যমে একটা নির্দিষ্ট সংখ্যক পরীক্ষার্থীকে উত্তীর্ণ করে যদি তাদের পরীক্ষা নেওয়া যেতো তাহলে এ সমস্যাটা থাকতো না। সূত্র : ৭১ টিভি