প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ব্যারিষ্টার মঈনুল ও রথী-মহারথীররা : আসিফ নজরুল

ফেসবুক : ব্যারিষ্টার মঈনুল হোসেন এখন বলছেন তিনি বুদ্ধিবৃত্তিক চরিত্রহীনতার কথা বলেছেন। কিন্তু উনার এ বক্তব্য গ্রহনযোগ্য নয়। কারণ আমরা শুধু চরিত্রহীন বললে এর অন্য অর্থ্টা বুঝি সাধারনত।

তার বিরুদ্ধে নারী (এবং পুরুষ) সাংবাদিকরা বক্তব্য দিয়েছেন, সভা করেছেন ঠিক আছে। এর দরকারও ছিল। কিন্তু আমি অবাক হয়েছি সেখানে সমাজের কিছু রথী মহারথীর নাম দেখে। কোটা আন্দোলনের সময় রাজপথে নারী দৈহিকভাবে লাঞ্ছিত হলে, সড়ক আন্দোলনের সময় স্কুলের মেয়েদের গায়ে হাত তুললে, বা সরকারী দলের নেতারা নারীদের আপত্তিকর কথা বললে উনারা প্রতিবাদ করেন না। অনেক সময় হাতে পায়ে ধরে কোন বিবৃতিতেও তাদের সাক্ষর পাওয়া যায় না। অথচ শুধু এ্ একটা বিষয়ে উনারা এমন সরব হয়ে উঠলেন কেন? ব্যারিষ্টার মঈনুল অন্য পক্ষের বলে? তিনি ঐক্যফ্রন্টে যুক্ত আছেন বলে?

অথচ মানবাধিকার নেত্রী বা জাতির বিবেক হতে হলে শুধু কতিপয় মানুষের অধিকার রক্ষার্থে নয়, সবধরনের ভিকটিমের পক্ষে কথা বলতে হয়। এটা কি তারা বোঝেন না? বোঝেন। কিন্তু পাত্তা দেননা কারণ এজন্য কোনদিন তাদের প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়না। বরং নির্বাচিত বিষয়ে কথা বলে উনারা জীবনে যা কিছু অর্জ্ন করেছেন সেটা সবচেয়ে মূল্যবান তাদের কাছে।
সাধারন মানুষ কি ভাবলো পাত্তা দেননা এরা।