প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ভিক্ষা নিরুৎসাহিত করতে মসজিদে খুৎবায় দেশবাসীর প্রতি আহ্বান

আবু বকর : ভিক্ষা প্রদান নিরুৎসাহিত করতে দেশের সকল মসজিদে খুৎবায় দেশবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের দিক নির্দেশনায় জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররম সহ দেশের সকল মসজিদের ইমামগণ গতকাল শুক্রবার খুৎবা পূর্ববর্তী আলোচনায় দেশবাসীর প্রতি এই আহবান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সার্বিক তত্বাবধানে পরিচালিত ভিক্ষুক পুনর্বাসন সেল দেশের সকল মসজিদের ইমামদের কাছে এ সংক্রান্ত এক পরিপত্র পাঠানো হয়। এতে বলা হয়, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের “ক্ষুধা ও দারিদ্রমুক্ত সোনার বাংলাদেশ” গড়ার অভিপ্রায়কে বাস্তবে রুপদানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঘোষিত ২০১৮ সালের মধ্যে “ ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান” কর্মসূচির মাধ্যমে স্বনির্ভর বাংলাদেশ বিনির্মান এ কর্মসূচির প্রধান উদ্দেশ্য। বিভিন্ন মসজিদের ইমামগণ তাদের আলোচনায় বলেন, ভিক্ষাবৃত্তি একটি অসন্মানজনক এবং মর্যাদাহানিকর পেশা। ইসলাম ধর্মে ভিক্ষাবৃত্তিকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। মেহনত করে জীবিকা নির্বাহ করা রাসুলের সুন্নাত। “নবীর শিক্ষা, করোনা ভিক্ষা, মেহনত কর সবে”। ইমামরা প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নিত করতে খুতবায় মেহনতের উপর গুরুত্বারোপ করেন।

পরিপত্রে বলা হয়, ঢাকা মহানগর পুলিশ অধ্যাদেশ,১৯৭৬ এর ৮১ ধারা অনুসারে ভিক্ষাবৃত্তি অপরাধ এবং এ অপরাধে এক মাস পর্যন্ত কারাদন্ডের বিধান রয়েছে।

নামাজ শেষে ভিক্ষুক পুনর্বাসন সেল মুসল্লিদের মধ্যে প্রচারপত্র বিলি করে। ভিক্ষুকদের হস্তশিল্প, কুটিরশিল্প, দর্জির কাজসহ বিভিন্ন ধরণের কারিগরি প্রশিক্ষণ গ্রহণে সহায়তা প্রদান, ভিক্ষুকদের জন্য আয়বর্ধক কর্মসংস্থান সৃষ্টি, প্রতিবন্ধী ভিক্ষুকদের প্রতিবন্ধী পুনর্বাসন কেন্দ্রে এবং বৃদ্ধ ভিক্ষুকদের বৃদ্ধাশ্রমে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে প্রচারপত্রে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়। এতে বলা হয়, ব্যাক্তি ভিক্ষুককে ভিক্ষা দিয়ে তাকে ভিক্ষাবৃত্তিতে উৎসাহিত না করে বরং অনুদানের অর্থ যাকাত তহবিল, এতিমখানা, বৃদ্ধাশ্রম বা কোন ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে জমা দিতে দেশবাসীর প্রতি আহবান জানানো হয়। সম্পাদনা : হুমাযুন কবীর খোকন

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ