প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আসন বন্টনের আগেই চলছে ভোটের মাঠে জোটের সমীকরণ

সাজিয়া আক্তার : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আসন বন্টন নিয়ে আওয়ামী লীগের সাথে দল কষাকষি চলছে শরিকদের। তবে কয়টি আসন ছাড়বে আওয়ামী লীগ তা নির্ভর করছে কতটা প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ন নির্বাচন হবে তার উপর। সূত্র : এটিএন নিউজ

নভেম্বরের শুরুতে জাতীয় নির্বাচনের তফসিল। এর পর আনুষ্ঠানিকভাবে প্রার্থী ঘোষণা করবে রাজনৈতিক দলগুলো। এর আগে চলছে ভোটের মাঠে, জোটের সমীকরণ। তবে বিরোধী শিবিরে জোটের কলেবর বাড়লেও, আওয়ামী লীগ আপাতত ১৪ দলীয় জোটেই সীমাবদ্ধ থাকছে। থাকবে মহাজোটও।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, এদিকে ১৪ দল এবং এইদিকে জাতীয় পার্টি আছে। কাজেই সবাইকে নিয়ে কিছু করলে নির্বাচনী মহাজোট হতে পারে। সেটা নির্ভর করবে বাস্তব পরিস্থিতির উপর।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন জোটের শরিকরা এরই মধ্যে নিজেদের আসন চেয়েছে অন্তত ১০০টি। যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি দাবি জাতীয় পার্টির। তাদের চাওয়া অন্তত ৭০ আসন। আর ১৪ দলীয় জোটের অন্যতম শরিক ওয়ার্কার্স পার্টি চায় ১০টি এবং জাসদের চাওয়া ২০টি আসন। জোটের অন্য শরিকরাও সংসদে তাদের প্রতিনিধিত্ব চান।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বলেন, মানুষের ভোটে নির্বাচিত হতে হবে। মানুষের ভোটে নির্বাচিত হওয়ার মতো সক্ষমতা এই ব্যক্তিটির আছে কিনা সেই বিবেচনা করে সিট বন্টন হবে।

আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, তারা টানা দু’বার ক্ষমতায় থাকায় তৃতীয়বারও সরকার গঠনে জনগণের সমর্থন চান তারা। তাই আসন ভাগাভাগির চেয়ে শরিকদের সে লক্ষ্যে কাজ করার পরামর্শ তাদের।

আওয়ামী লীগের সভাপতিম-লীর সদস্য ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, তাদের মুল লক্ষ্য হলো জনগণকে ঐক্যবদ্ধ করা। এ নির্বাচনে বিজয়ী জন্য স্বাধীনতা বিরোধীর সেই অপশক্তি রাজনীতির ক্ষেত্রে ব্যর্থ এবং আদর্শ থেকে বিচ্চুত। আদর্শ বিলিন হয়েছে যাদের, তাদের অপশক্তির বিরুদ্ধে আমাদের জিততে হবে। তা না হলে দেশের অস্তিত্ব থাকবে না।

দশম সংসদ নির্বাচনে সংরক্ষিত আসনসহ জাতীয় পার্টিকে দেওয়া হয়েছিল ৪০টি, ওয়ার্কার্স পার্টিকে ৭, জাসদকে ৬, তরিকত ফেডারেশনকে ২, জাতীয় পার্টির জেপিকে ২টি। সবমিলিয়ে শরিকদের জন্য আনস বরাদ্দ ছিল ৫৭ আসন।
আওয়ামী লীগের দলীয় সূত্রগুলো বলছে, যতই দাবি থাকোক, এবারো এর চেয়ে বাড়ছে না শরিকদের আসন সংখ্যা।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত