প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

ওবায়দুল কাদেরের উদ্যোগেই মুক্তি পেলেন রুমি

আবুল বাশার নূরু : আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের উদ্যোগে মুক্তি পেলেন ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার হওয়া মানবাধীকারকর্মী রুমি আক্তার। বৃহস্পতিবার দুপুরে শেরপুর জেলা আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম মুমিনুন্নিছা খানম পুলিশের রিমাণ্ড আবেদন নামঞ্জুর করে রুমিকে জামিনের আদেশ দেন।

রুমি বাংলাদেশ মানবাধিকার ফাউন্ডেশন ঝিনাইগাতী শাখার মহিলাবিষয়ক সম্পাদক। শেরপুর জেলার কোর্ট ইন্সপেক্টর আমিনুর রহমান তরফদার গণমাধ্যমকে জানান, ঝিনাইগাতী উপজেলা আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক মজিবর রহমান সোমবার রাতে রুমির বিরুদ্ধে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে ঝিনাইগাতী থানায় মামলা করেন। মামলায় অভিযোগে বলা হয়, রুমি আক্তার আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদেরের ছবি বিকৃত করে তার ফেসবুকে পোস্ট দেন। এতে মন্ত্রীর সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হয়েছে এবং বাদীসহ অন্যরা মর্মাহত হয়েছেন।

আমিনুর রহমান তরফদার আরও জানান, গত সোমবার রাতে ঝিনাইগাতী পুলিশ রুমিকে গ্রেফতার করেছিল। পর দিন আদালতে হাজির করে তাকে রিমান্ডে নেয়ার আবেদন করে পুলিশ। আদালত রিমাণ্ড আবেদন নামঞ্জুর করে রুমিকে জামিনের আদেশ দেন।

জানা যায়, ওবায়দুল কাদেরের নিজ উদ্যোগে রুমিকে ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেছেন। তিনি পুলিশ সুপার ও মামলার বাদীকে ফোন দিয়ে রুমিকে দ্রুত ছাড়ানোর ব্যবস্থা করেন।

এ প্রসঙ্গে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেন, বিষয়টি আমার নজরে আসার পর দেখলাম, মেয়েটি আমার ছবি বিকৃতি করেনি। অন্য কারো ফেসবুক পেজ থেকে সে শুধুমাত্র শেয়ার করেছে। সে কারণে আমি পুলিশ সুপারের সঙ্গে কথা বলেছি। মেয়েটিকে মুক্ত করার পদক্ষেপ নিতে বলেছি। পুলিশ চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেয়ায় আদালত তাকে জামিন দিয়েছেন। তিনি আরও বলেন, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন করা হয়েছে, দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালনের জন্য। কোনো নিরপরাধ লোক এ আইনে শাস্তি পাবে না। অপরাধী যে তার উপযুক্ত শাস্তি হবেই। কেউ যেন এই আইনের অপপ্রয়োগ করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে সবাইকে।