প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

গুলিতে ক্ষতবিক্ষত মুখ যেভাবে ফিরে পেল মেয়েটি

স্মৃতি খানম : কেটি এবং তার মা বাবা বলছেন, ফেস ট্রন্সপ্ল্যান্ট সার্জারি তাদের জীবনকে কতটা বদলে দিয়েছে। মুখের ওপর হাত বোলানোর পর আমি বুঝতে পারি কতটা ভয়াবহ ব্যাপার ঘটেছে। এবং তখনই আমি বুঝতে পারি আমি কী হারাতে বসেছিলাম। ভাবলাম কিভাবে আমি নিজের প্রতি এখন একটা কাজ করতে পারলাম? একজনের সাথে সম্পর্ককে ঘিরে জীবনে নানা সমস্যা হচ্ছিল। এই ঘটনাগুলো আমার জীবনকে কঠিন করে তুলেছিল।

কেটি স্টাবলফিল্ড তখন ১৮। এসময় নিজের হাতে তিনি নিজের ওপর গুলি চালান।সত্যি বলছি আত্মহত্যার কোন কথা তখন আমার মাথায় ছিল না। একেবারে ঝোঁকের মাথায় তা ঘটেছিল। প্রেমের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর কেটি উদ্ভ্রান্ত হয়ে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরেন।

অ্যালেসিয়া স্টাবলফিল্ড কেটির মা বলেন আমার হেঁটে আসছিলাম, হঠাৎ গুড়ুম করে শব্দ। আমার ছেলে আমার বাড়ির বৈঠকখানার ভেতর দিয়ে উঠানে নিয়ে গেল। এবং বললো মা কেটি আমার বন্দুক দিয়ে গুলি চালিয়েছে। তার জখম মারাত্মক।

বন্দুকের গুলি কেটি মুখের ভেতর দিয়ে বেরিয়ে যায়। তবে মাথার খুলিতে আঘাত লাগেনি। তখন ভাবছিলাম কিভাবে আমি এটা করতে পারলাম?তার চেয়ে যেটা গুরুত্বপূর্ন আমার পরিবারের প্রতি এটা কী করলাম?

সার্জনরা কেটির মুখের কিছু অংশ নতুন করে গড়ে তুলতে পারলেও ফেস ট্রান্সপ্ল্যান্টের পরামর্শ দেন। এটা ছিল কঠিন এক সিদ্ধন্তা কারন এটা করতে হলে প্রথমে কাউকে মরতে হবে। এরপরই শুধুমাত্র তার মুখটা আমি ব্যবহার করতে পারবে।

কেটির ডোনার অ্যান্ডিয়া শ্নাইডার অতিরিক্ত ড্রাগ ব্যবহারের ফলে মারা যান। দেড়দিনব্যাপী এক অপারেশনে তার মুখ কেটির মুখের ওপর বসানো হয়।

আমি কলেজে গিয়ে পড়তে চাই। নিজের কেরিয়ার গড়ে তুলতে চাই সেটা হতে শিক্ষকতা কিংবা কাউন্সেলিং। আমি চাই কারও সাথে আমার পরিচয় হোক। এবং বিয়ে করতে চাই। সংসারী হতে চাই। ভালভাবে বাঁচার জন্যই জীবন। জীবনটা হচ্ছে একটা উপহার। একটি আশ্চর্য সুন্দর উপহার। সূত্র: বিবিসি বাংলা

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ