প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে বিশেষ নাটক ‘দেবী’

আবু সুফিয়ান রতন : শারদীয় দূর্গাপূজা উপলক্ষে আজ (১৯ অক্টোবর) রাত ৯ টায় এটিএন বাংলায় প্রচার হবে বিশেষ নাটক ‘দেবী’। প্রীতি দত্ত’র রচনায় নাটকটি পরিচালনা করেছেন বিশ্বজিৎ দত্ত ও প্রীতি দত্ত। অভিনয় করেছেন এস এন জনি, মেহজাবিন চৌধুরী, মানস বন্দোপাধ্যায়, করভী মিজান প্রমুখ।

পূজা এই উপললেক্ষ দীর্ঘদিন পর বাসায় কাউকে কিছু না জানিয়ে আমেরিকা থেকে দেশে ফিরছে জয়ন্ত। পুরান ঢাকার অধিবাসী তাঁর মা বাবা চিন্তা চেতনায় আধুনিক হলেও ধর্মীয় গোড়ামি রয়েছে তাদের মধ্যে। দরজা খুলে জয়ন্তকে দেখে তারা তো অবাক। পূজার আনন্দ বেড়ে দ্বিগুণ হল তাদের। মায়ের মাথায় বুদ্ধি এলো পূজার পর পরেই জয়ন্তকে বিয়ে দিয়ে ঘরে বউ আনবে। এই চিন্তায় সারাদিন মশগুল।

শুরু হল চারদিকে মেয়ের খোঁজ লাগনো এর মধ্যে একদিন খুব সকালে জয়ন্তের ঘুম ভাঙ্গলো মিষ্টি কন্ঠের গান শুনে। কে জেনো গাইছে ‘মমতাময়ী মা শারদা লহ অঞ্জলী লহ প্রণাম………’ গানের শব্দ শুনে এগিয়ে থাকে জয়ন্ত। দেখে তাদেরই বাসা ছাদে চিলেকোঠার ঘরে এক কোণায় ঠাকুরের আসনের সামনে স্নিগ্ধ সাজে একটি মেয়ে পূজা করছে আর গান গাইছে। মেয়েটিকে দেখতে দেখতে ঘোর লেগে যায় জয়ন্তের।

হঠাৎ দেখে সামনে একটি হাত প্রসাদ বাড়িয়ে দিয়েছে মেয়েটি বলে উঠে ‘প্রসাদ?’ ঘোর ভাঙ্গে জয়ন্তের। মেয়েটি মুসকি হেসে চলে যায়। সেদিনে মা আয়োজন করে জয়ন্তকে মেয়ে দেখতে নিয়ে যায়। মেয়েটিকে পছন্দ হয়ে যায় জয়ন্তের মায়ের। কিন্ত কোন কিছুতেই জয়ন্তের আর মন বসে না। রাতে আবার চুপি চুপি ছাদে উঠে মেয়েটিকে দেখার জন্য। মেয়েটি তাকে দেখেও না দেখার ভান করে জানালায় পর্দা টেনে দেয় কিন্তু জানালার পাশে দাঁড়িয়ে থাকে। জয়ন্ত বুঝতে পেরে শুধু নামটা জানতে চায় মেয়েটি মৃদু স্বরে উত্তর দেয় ‘দেবী’।

রাতের ঘুম হারাম হয়ে যায় জয়ন্তর। পরদিন থেকে মেয়েটিকে ফলো করা শুরু করে পরে তার ছোট ভাইয়ের কাছ থেকে জানতে পারে মেয়েটি অনাথ তার বাবা জয়ন্তর বাবার কলিগ ছিল। বেশ কিছুদিন আগে মারা গেছে তারপর থেকেই মেয়েটি এই বাড়ির চিলেকোঠায় আছে। মেয়েটি একটি স্কুুলের টিচার। দেবী একদিন ঘরে ঢুকে দেখে টেবিলের উপর কিছু বেলি ফুল রাখা পাশে একটি চিরকুট। তাতে লেখা ‘যদি ডাকে সাড়া দাও তো খোঁপায় ফুল গুলো দিয়ে ছাদে এসো’। জয়ন্ত অপেক্ষা করতে থাকে হঠাৎ দেখে মেয়েটি এসেছে পরক্ষণেই বুঝে এটি কল্পনা ছিল। দেবী আসেনা।

পরদিন সিঁড়িতে দেবীর পথ আটকায় জয়ন্ত সে জানতে চায় মেয়েটিও জয়ন্তকে ভালোবাসে এটা দেবী চোখ বলে। কিন্তু সাড়া দিচ্ছে না কেন? তখন দেবী জানায় যে তারা লোয়ার কাস্টের। এই প্রেম কোন জয়ন্তর বাবা মা মেনে নিবে না। তাই সেই বারবার পিছিয়ে যায়। কারণ বড়দের আর্শিবাদ না নিয়ে সে বিয়ে করতে চায় না। এরপর অনেক নাটকীয়তার পরে জয়ন্তর বাবা তার কলিগ এর গ্রামের বাড়িতে গিয়ে দেবীকে খুঁজে পায় এবং বিজয়া দশমীর দিন দেবীকে সসম্মানে বাসা নিয়ে আসে। একদিকে প্রতিমা বিসর্জন হয় অন্যদিকে ঘরের দেবী ঘরে ফিরে আসে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত