প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘পক্ষে থাকলে ঈমানদার, আর বিপক্ষে গেলে বেইমান’

সাজিয়া আক্তার : পক্ষে থাকলে ঈমানদার, আর বিপক্ষে গেলে বেইমান? যমুনা টেলিভিশনের এক রাজনীতি বিষয়ক টকশোতে এমনটাই মন্তব্য করেছেন ন্যাপের মহাসচিব গোলাম মোস্তাফা ভূঁইয়া। তিনি বলেন, এখন বাংলাদেশের রাজনীতি একটি অপরাজনীতির অংশ।

গোলাম মোস্তাফা বলেন, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার সময় ড. কামাল হোসেন বলেছিলেন, এর জন্য বিএনপি দায়ি।তখন ড. কামাল হোসেন বেইমান ছিলেন। এখন তিনি বিএনপির সাথে এসেছেন তাই তিনি ঈমানদার হয়ে গেছেন। তার মানে সাথে থাকলে ভাল আর না থাকলে খারাপ।

অপরদিকে সিনিয়র সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা বলেছেন, আওয়ামী লীগ এবং বিএনপি এই দুটি দল ছাড়া কারো এককভাবে নির্বাচন করার কোনো অবস্থান নেই। জামায়াত এবং জাতীয় পার্টির আঞ্চলিকভাবে কিছু জায়গায় তাদের অবস্থান সংহত আছে। বাকি যারা রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা আছেন, তাদের নাগরিক প্রভাব আছে ঠিকই কিন্তু তাদের নিজস্ব সংসদ আসন নেই। যার কারণে তারা বড় দল গুলোর দারস্থ হন। ড. কামাল এখন রুপান্তর প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রবেশ করেছেন। নির্বাচনে তারা জিতুক বা হারুক বিএনপির ক্ষমতার নাটাইটা তারেক রহমানের কাছেই আছে।

বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দিন বলেন, একটা যৌথ্য নেতৃত্বের ভিত্তিতে ঐক্যফ্রন্ট গঠন করা হয়েছে। ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্ব মেনে নেওয়া মানে বিএনপি তার আদর্শ ছেড়ে যায়নি। বিএনপির মূলধন হচ্ছে জনগণ, বিএনপি জনগণের স্বার্থকে বিসর্জন দিয়ে কারো সাথে ঐক্য করেনি।

আ.লীগের সাবেক সভাপতিমণ্ডলির সদস্য নূহ-উল-আলম লেনিন বলেন,  বিশ দলীয় ঐক্যজোট ভেঙে দেওয়া হয়নি। যুক্তফ্রন্টের পক্ষ থেকে ঘোষণা করা হয়েছিল তারা জামায়াতের সাথে ঐক্য করবে না। যুক্তফ্রন্টের দুইদল আ স ম আব্দুর রব, মান্না সাহেবরা বি চৌধুরীর ঘারে চেপে তাদের অবস্থান নিতে চেয়েছিলেন। তারা যখন দেখলেন ড. কামাল হোসেন এই অবস্থান পরিবর্তন করতে চান। বিশ দল অক্ষুন্ন থাকলেও তার আপত্তি নেই বিএনপির সাথে ঐক্য করার। এটা জাতির সাথে প্রতারণা। বিশ দলীয় বৈঠকে বলা হয়েছে, বিশ দলীয় ঐক্যজোটে জামায়াত আছে। জামায়াত ও মান্না তারা বাংলাদেশের অস্তিত্ব স্বীকার করে না। সেই দলের সাথে বিএনপি ঐক্য করবে এবং সেই বটগাছে যদি কামাল হোসেন চড়ে বসেন, তাহলে তো এই বট গাছ থেকে ডাল ঝড়ে পরবেই।

এলডিপি’র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব শাহাদাত হোসেন সেলিম বলেছেন, জোট ও নেতৃত্বের মধ্যে সমন্বয় থাকা দরকার। আমরা চাই বিএনপি নিজেরা সংগঠিত হয়ে তার পুরানো মিত্রদের নিয়েই পথ চলুক।

বিপল্পধারা মহাসচিব মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান বলেছেন, আমরা জোট বড় করতে চেয়েছিলাম। তখন তাদের আন্তরিকতার সাথে সাধুবাদ জানিয়েছিলাম। ঐক্যফ্রন্টকে কাজে লাগিয়ে জনগণের আশা পূরণ করে বর্তমান সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলন সৃষ্টি করার । সেখানে আমাদের পক্ষ থেকে কোনো ধরনের সন্ধেহ ছিল না।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ