প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

‘বিশ্বমানের সঙ্গীত স্কুল করতে চেয়েছিলেন আইয়ুব বাচ্চু’

মহিব আল হাসান: বাচ্চু ভাই চট্টগ্রামে বিশ্বমানের সঙ্গীত স্কুল করতে চেয়েছিলে। বাংলা সঙ্গীতকে বিশ্বকাতারে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন তিনি। স্কুল নিয়ে আমাদের সভার সাথে বেশকিছু পরিকল্পনা করেছিলেন। আমরা অনেক দূর এগিয়ে গিয়েছিলাম। আমরা এখন কী পারব তাকে ছাড়া সঙ্গীত স্কুল করতে? আমরা কী পারব তার মতো পরিকল্পনা করে কাজ করতে? হয়ত তার মতো করে আমাদের স্কুল আর নতুন শিল্পীদের নিয়ে ভাববে না। অশ্রুসিক্ত নয়নে কথাগুলো বলছিলেন সঙ্গীতশিল্পী ও আইয়ুব বাচ্চুর ঘনিষ্ঠজন বিজয় মাহমুদ।

বিজয় মাহমুদ আরও বলেন,‘বাচ্চু ভাই সবসময় ব্যান্ড সঙ্গীতকে বিশ্ব মানের করতে চেয়েছেন। তিনি নতুন শিল্পীদের সবসময় ভালোবাসার হাত বাড়িয়ে দিতেন। বাচ্চু ভাই বলতেন আমরা তো আর সারাজীবন থাকব না। নতুনরা না আসলে হাল ধরবে কে? তাই নতুনদের পাশে আমাদেও দাঁড়াতে হবে। অনেকেই নতুনদের সুযোগ দেন না। এই বিষয় চিন্তা করে বাচ্চু ভাই স্কুল করার পরিকল্পনা করেন।

বাচ্চু ভাইয়ের আরেকটা বিষয় সবাই জানেন, গরিব শিল্পীদের তিনি টাকা দিয়ে সহযোগিতা করতেন। তার সঙ্গীতচর্চার খরচও বহন করতেন তিনি। তিনি বলতেন, প্রতিভা চর্চা করলে বলিষ্ঠ হয়। চর্চা করো।’

বিজয় মাহমুদ চোখের পানি ধরে রাখতে না পেরে কান্নাজড়িত কন্ঠে আমাদের সময় ডট কমকে বলেন, ‘চলেই গেলেন গিটারের স্রষ্টা। স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারলেন না। তিনি বলতেন শিল্পীদের যেমন কোনও সীমানা হয় না তেমনি নিজের দায়িত্ববোধ থেকে মাতৃভূমিকে বিশ্বদরবারে পরিচিত করতে চেয়েছিলেন।

ছিলেন গিটারের জাদুকর। গিটারের সুরে ‘সেই তুমি’ কিংবা ‘এক পুরুষে গড়ে ধন’, ‘হাসতে দেখ গাইতে দেখ’, ‘এক দিন ঘুমভাঙা শহরে’, ‘আমি কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘সেই তারা ভরা রাতে’, ‘এখন অনেক রাত’সহ আরও অনেক গান তার। নব্বইয়ের দশক থেকে শুরু করে তার গাওয়া এখনকার সব গান তরুণদের মুখে মুখে। ‘বাংলাদেশ’সহ অসংখ্য জনপ্রিয় গানের স্রষ্টা তিনি। শ্রোতাদের মাঝে তিনি এবি নামেই পরিচিত। তাঁর ডাকনাম ছিল রবিন। এ নামেও তিনি নব্বইয়ের দশকে একক অ্যালবাম বের করেন।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ