প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শেষ লেখায় জামাল খাশোগজির আহবান, আরব বিশ্বের সর্বাগ্রে প্রয়োজন বাকস্বাধীনতা

রাশিদ রিয়াজ: নিখোঁজ সৌদি সাংবাদিক জামাল খাশোগজি তার শেষ লেখায় আরব বিশ্বের জন্যে বাকস্বাধীনতা সবার আগে প্রয়োজন বলে এজন্যে আরব লেখকদের ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহবান জানিয়েছেন। দি ওয়াশিংটন পোস্ট’এর কলামিস্ট ছিলেন খাশোগজি এবং পত্রিকাটি তার এ লেখাটি বুধবার রাতে প্রকাশ করেছে। তিনে আরব মিডিয়াগুলোকে মধ্যপ্রাচ্যের লেখকদের লেখা ও সাংবাদিকদের কণ্ঠস্বর শুনতে দেয়ার জন্যে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালনের আহবান জানান। গত দুই অক্টোবর তুরস্কের ইস্তাম্বুলে সৌদি দূতাবাসে ঢোকার পর তার আর কোনো হদিস পাওয়া যাচ্ছে না। তুরস্ক দাবি করছে তাকে হত্যা করা হয়েছে। দি ডেইলি টেলিগ্রাফ

খাশোগজি একটি বহুজাতিক মিডিয়া গঠনের পরামর্শ দিয়ে বলেন, ঠান্ডা যুদ্ধের সময় যেমন যুক্তরাষ্ট্র ‘রেডিও ফ্রি ইউরোপ’ গঠন করেছি। এধরনের একটি বহুজাতিক মিডিয়া তৈরি হলে তা হতে পারে আরব লেখক, সাংবাদিক ও চিন্তাবিদদের জন্যে একটি অভিন্ন প্লাটফর্ম। রাজনৈতিক স্বাধীনতা, নাগরিক অধিকার নিয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে মিডিয়াগুলো কাজ করতে পারলেও আরব বিশ্বে সে সুযোগ নেই। যা গভীর উদ্বেগের বিষয়।

একই সঙ্গে আরবদের কণ্ঠস্বর জানা বিশ্বের প্রয়োজন এমন অভিমত দিয়ে খাশোগজি তার লেখা বলেন, একটি আন্তর্জাতিক ও স্বাধীন ফোরাম এক্ষেত্রে আরব বিশ্বের মানুষের জন্যে তৈরি করা খুবই জরুরি। এধরনের ফোরাম ফেলে আরব বিশ্বের মানুষ তাদের সমাজে যে কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে তা তুলে ধরতে পারবে।

ওয়াশিংটন পোস্টের গ্লোবাল ওপিনিয়ন এডিটর কারেন আতিয়ার কাছে খাশোগজির শেষ লেখাটি এসে পৌঁছায় তিনি নিখোঁজ হওয়ার একদিন পর। লেখাটির প্রকাশ স্থগিত করা হয় এজন্যে যে খাশোগজি ফিরে এলে তাকে নিয়েই আতিয়া তা সম্পাদনা করবেন। কিন্তু আতিয়া এখন বলছেন, ‘আমাকে মেনে নিতেই হচ্ছে, তা আর কখনো ঘটবে না।’ এবং খাশোগজির সর্বশেষ লেখাটিই তিনি সম্পাদনা করেন।

তুরস্ক খাশোগজিকে জিজ্ঞাসাবাদ ও হত্যার অডিও রেকর্ড উপস্থাপন করে দাবি করছে তাকে মেরে ফেলা হয়েছে। তবে রিয়াদ এখনো তা অস্বীকার করে আসছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ