Skip to main content

টেকনাফের নাফনদী থেকে স্কুলের দপ্তরির লাশ উদ্ধার

ফরহাদ আমিন, টেকনাফ (কক্সবাজার): কক্সবাজারের টেকনাফের হোয়াইক্যং আলী-আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের চর্তুথ শ্রেণির কর্মচারী (দপ্তরি) আবদুর রশিদ (৪২) এর গলাকাটা ও বস্তাবন্ধি লাশ নাফনদী থেকে উদ্ধার করেছেন পুলিশ। সে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের দৈংগাকাটা গ্রামের বাসিন্দা জাফর আহমদের ছেলে। বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে হোয়াইক্যং ইউনিয়নের কানজরপাড়া নাফনদী থেকে বস্তাবন্ধি লাশটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে টেকনাফ মডেল থানার ওসি রনজিত কুমার বড়ুয়া এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওসি বলেন, আবদুর রশিদের চোখ উৎপাটন, গলাকাটা ও দুই পায়ের গোঁড়ালিতে কাটার চিহ্ন পাওয়া গেছে। লাশটি উদ্ধারের পর ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। পুলিশ ও পরিবার সূত্রে জানা গেছে, গত রোববার প্রতিদিনের মতোর কর্মস্থল উদ্দেশ্যে সকাল সাড়ে ৮টায় ঘর থেকে বের হয়। ওইদিন রাত ৯টা পর্যন্ত বাড়িতে ফেরত না আসায় তার ব্যবহৃত মুঠোফোনে একাধিকবার ফোন করলে সেটিও বন্ধ পাওয়া যায়। সম্ভাব্য বিভিন্ন স্থানে খোঁজাখোঁজি করেও কোনো ধরনের হদিস মিলেনি। পরেদিন এ ঘটনায় টেকনাফ থানায় একটি জিডি করা হয়। বৃহস্পতিবার সকালে হোয়াইক্যং কানজরপাড়া এলাকার নাফনদীতে এনজিও সংস্থার আইএমও বস্তাবন্ধি লাশ দেখতে পায় স্থানীয় কয়েকজন । তারা বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ ফাঁড়িকে অবহিত করলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করেন। পরে ওই এলাকার লোকজন হোয়াইক্যং আলী-আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের দপ্তরি আবদুর রশিদের লাশ বলে সনাক্ত করেছেন। হোয়াইক্যং আলী-আছিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোস্তফা কামাল চৌধুরী মুসা বলেন, ২২ বছর ধরে তিনি স্কুলের দপ্তরি ও আমার ব্যক্তিগত কেয়ারটেকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। এলাকায় তার সঙ্গে কারো কোনো ধরনের বিরোধের ঘটনা ঘটেনি। তার কোনো প্রতিপক্ষ আছে বলে আমার জানা নেই। তিনি নিখোঁজের ঘটনার পর বস্তাবন্ধি লাশ উদ্ধার রহস্যজনক। এ ব্যাপারে সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে খুনিদের চিহ্নিত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের প্রতি সুদৃষ্টি কামনা করছি।